"বাড়িতে ফেরার মুহূর্তে, আমাদের বার বার পিছু ডাকছিলো ঋষিখোলায় কাটানো সময় গুলো"
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
আশাকরি আপনারা সকলে ভালো আছেন, সুস্থ আছেন, আর আপনাদের সকলের আজকের দিনটা খুব ভালো কেটেছে।
এর আগে আপনাদের সাথে ঋষিখোলার সান্ধ্যকালীন চা পান করার মুহূর্ত থেকে শুরু করে, রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পর্যন্ত সকল মুহূর্ত শেয়ার করেছিলাম।
আজকের পোস্টে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো পরদিন সকালে আমাদের হোমস্টে থেকে বেরোনোর গল্প। আগের দিন জানিয়েছিলাম রাতে ঘুমোতে গিয়ে সকলেরই মনটা খারাপ হচ্ছিলো, কারণ পরদিন সকালে উঠেই আমাদেরকে বাড়িতে ফিরতে হবে।
সত্যি কথা বলতে যদি রিটার্ন টিকিট কাটা না থাকতো, তাহলে হয়তো আমরা আরও একটা দিন এই ঋষিখোলায় থাকতাম। প্রত্যেকেরই মনে সেই রকম একটা ইচ্ছে ছিলো।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
যাইহোক এই দিন সকালে উঠে রুমের বাইরে এসেই মনটা ভালো হয়ে গিয়েছিলো। একেবারে রৌদ্রজ্জ্বল পরিবেশ ছিলো চারিদিকে। কিছুক্ষণ বাদেই হোমস্টে থেকে দাদারা সকালের চা দিয়ে গিয়েছিলেন। আমি বাদে বাকি সকলেই বারান্দায় দাঁড়িয়ে, সুন্দর প্রকৃতি দেখতে দেখতে চা উপভোগ করলো।
আর তখনই সকলে ঋষি নদীতে স্নান করার পরিকল্পনা করেছিলো। তবে আমার এই দিন একাদশীর উপবাস ছিলো, যে কারণে আমি একদম সকালে উঠেই আগে স্নান সেরে নিয়েছিলাম।
আমি জানি বাড়ির বাইরে থাকলে হয়তো প্রতিটা নিয়ম সঠিকভাবে পালন করা যায় না। কিন্তু যেহেতু আমার শ্বশুরমশাই মারা গেছেন, এক বছর হয়নি। তাই এর মাঝে আমি অনিয়ম করতে চাইনি বলেই একাদশীটা পালন করেছিলাম।
তবে স্নান করতে না পারলেও, ওদের সাথে কিন্তু সকালের প্রকৃতিকে উপভোগ করার জন্য ঋষি নদীর কাছাকাছি যেতে ভুল করিনি। যেহেতু স্নান হয়ে গিয়েছিলো, তাই আমি আমার লাগেজটা গুছিয়ে রেখে তারপর ওদের সাথে নিচে নেমে ছিলাম। নদীর পাড়ে আরও কিছুটা সময় উপভোগ করেছিলাম।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
তবে জলের মধ্যে নেমে সব থেকে বেশি আনন্দ করেছিলো রাখি, পিয়ালী,ও রূপরেখা। যেগুলো আমি পাড়ে দাড়িয়ে ক্যামেরা বন্দী করেছিলাম। আমারও ভীষণ ইচ্ছে করছিলো নামতে, তবে উপায় ছিলো না। এরপর ওরা সকলে রুমে গিয়ে ভালোভাবে স্নান সেরে নিয়েছিলো।
হোমস্টে থেকে আমাদের সকলের ব্রেকফাস্ট অ্যারেঞ্জ করেছিলো। তবে আমার যেহেতু উপবাস ছিলো, তাই আমি খাইনি। ওরা রেডি হওয়ার পর ব্রেকফাস্ট করে নিয়েছিলো।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
তারপর দাদারা আমাদের লাগেজ আগের দিনের মতো, মাথায় করে নিয়ে সেই দোকানটার সামনে পৌঁছে দিয়েছিলো, যেখান থেকে আমরা অনেকটা নিচে নেমে এই হোমস্টেতে এসেছিলাম।
আমরা যখন বেরিয়ে আসছিলাম তখনই আমাদের কটেজের পাশে যে আর একটা ফাঁকা রুম ছিলো, সেই রুমে একটা ফ্যামিলি এসে উঠলো। ওদেরকে দেখেই যেন আমাদের থেকে যাওয়ার ইচ্ছাটা আরূ বেড়ে গিয়েছিলো।
যাইহোক থেকে যাওয়ার মতন উপায় ছিলো না। তাই পরবর্তীতে আবার কখনো আসবো প্রত্যাশা নিয়েই একে একে সকলে নিচে নামতে শুরু করলাম।
![]()
|
|---|
আর সেই মুহূর্তে কয়েকটা ফটোগ্রাফিও করে নিয়েছিলাম, স্মৃতি হিসেবে ধরে রাখার জন্য। একেবারে সিঁড়ির শেষ দিকে এসে, হঠাৎ করে চোখ পরলো এই ফুলগুলোর দিকে।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
ফুলগুলো একেবারেই ছোটো, তবে রোদ্দুরের আলো এসে পড়ায় যেন সেগুলোকে অপূর্ব দেখাচ্ছিলো। যাইহোক নদীর পাড় দিয়ে আসতে আসতে আরও একবার প্রকৃতিকে উপভোগ করলাম। একরাশ ভয় নিয়ে পার হলাম সেই বাঁশের সাঁকো।
তারপর সিঁড়ি দিয়ে দোকানের দিকে উঠতে শুরু করলাম। তখনই দুপাশে দুটো নয়ন তারা ফুলের গাছ চোখে পড়লো। যদিও এই গাছের ফুল গুলো নয়নতারার মতো দেখতে হলেও, পাতাগুলো কিন্তু একেবারেই আলাদা।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
আশাকরি ছবিটা দেখলে আপনারাও কিছুটা বুঝতে পারবেন। আমাদের এখানকার নয়নতারা ফুলের মতো দেখতে ফুল হলেও, গাছটা বোধহয় নয়নতারা গাছ নয়।
এরপর আমরা সেখানে আমাদের ড্রাইভার দাদার জন্য কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলাম। কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি পৌঁছে গেলেন এবং আমাদের সকলের লাগেজগুলো গাড়িতে ভালোভাবে বেঁধে নিলেন। তারপর আমরা গাড়িতে উঠে পড়লাম, নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার জন্য ।
ঋষিখোলা থেকে যার দূরত্ব খুব একটা বেশি নয়। তবে ফেরার পথে আরৈ একটা সুন্দর ঘটনা ঘটেছিলো, যেটা সম্পর্কে একেবারে শেষ পর্বে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো। ঋষিখোলার এই হোমস্টে সম্পর্কে আপনাদের সাথে প্রায় তিন থেকে চারটি পোস্ট শেয়ার করলাম।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
এই জায়গাটি আমার মনের খুব কাছাকাছি রয়ে গেছে, বিশেষ করে এখানকার পরিবেশ, আর বয়ে চলে আর ঋষি নদীর শব্দ এখনও আমার কানে ভেসে আসে। আরও একবার ফিরে যেতে চাই সেখানে, যেখানে এই নীরবতার মাঝে পরিবেশকে কাছ থেকে দেখার আনন্দ উপভোগ করার লোভ মনে নিয়েই ফিরে এসেছি।
আপনারা সকলে ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আপনাদের সকলের আগামী দিনগুলো খুব ভালো কাটুক, এই প্রার্থনা করে আজকের লেখা শেষ করছি।
শুভরাত্রি।
















Beautiful and emotional account of your last morning at Rishikhola. I could truly feel how difficult it was for everyone to leave such a peaceful and beautiful place. The morning views, tea, river, flowers, and the moments spent together made this journey very memorable. especially liked how you captured the little details, from the riverside moments to crossing the bamboo bridge with a bit of fear. Your words beautifully express how deeply Rishikhola touched your heart. Sometimes a place becomes special not only because of its beauty, but because of the memories and emotions we create there.
Thank you for taking us along on this wonderful journey through your photographs and writing. I hope you get the opportunity to visit Rishikhola again someday and create many more beautiful memories.