Better life with steem//The Diary Game// 5th June, 2026 "
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
মাঝের কয়েকদিন অসহ্য গরমের পরে আজ আবহাওয়া অনেকটাই ঠান্ডা ছিলো। কারণ ভোরবেলা থেকে শুরু হয়েছিলো বৃষ্টি। যদিও টানা বৃষ্টি না হওয়ার কারণে গরম যে একেবারেই কমেছে তেমনটা নয়। তবে মাঝে যে তীব্র গরম ছিলো, তার থেকে অনেকটাই স্বস্তি মিলেছে আজ।
যদিও জানিনা আগামীকালের আবহাওয়া কেমন হতে চলেছে। যাইহোক সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে আবহাওয়াটা দেখে মনটা ভীষণ খুশি হয়েছিলো। আর তারপর দিনটা কিভাবে কেটেছে সেই গল্পই শেয়ার করবো, আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে। চলুন তাহলে শুরু করি,-
|
|---|
ঘরের দরজা জানালা বন্ধ থাকাতে এবং ফুল স্পীডে ফ্যান চলাতে বৃষ্টির আওয়াজ এতটুকুও শুনতে পাইনি। আজ আমি ওঠার আগেই শাশুড়ি মা ঘুম থেকে উঠে পড়েছিলেন। আমার ফোনে অ্যালার্ম বাজার পর আমি ঘুম থেকে উঠে দেখলাম, টুপটাপ বৃষ্টি পড়ছে। বাইরের গাছ গুলোকে দেখে বুঝলাম বৃষ্টি শুরু হয়েছে অনেক আগে থেকেই।
ভেবেছিলাম বোধহয় সারাদিন এইরকম বৃষ্টিমুখরই থাকবে। তাই দিনের শুরুতেই ভাবনাটা অনেক আনন্দ দিয়েছিলো। তবে শুভর অফিসে যাওয়ার আগেই বৃষ্টি শেষ হয়ে গিয়েছিলো।
![]() |
|---|
আজকেও আমি শুভর সাথে নিজের জন্য এক কাপ চা বানিয়েছিলাম। কি জানি কেন হঠাৎ করে বৃষ্টি দেখে ইচ্ছে হলো আমিও একটু চা খাই। তাই অনেকদিন বাদে আজ দুজনে মিলে একসাথে চা খেতে খেতে কিছু বিষয় নিয়ে কথা বললাম।
আমার আগের কোনো পোস্টে অবশ্যই আপনাদের সাথে শেয়ার করেছিলাম, শুভর বন্ধু রাজার মায়ের শারীরিক অবস্থার কথা। বর্তমানে তার অবস্থা আরও খারাপ। হিমোগ্লোবিন একেবারেই কমে গেছে, আগামীকাল হসপিটালে ভর্তি করবে সেইসব বিষয় নিয়েই কথা হচ্ছিলো।
![]() |
|---|
শাশুড়ি মা আগে উঠে গিয়েছিলেন তাই রান্নাঘরে তিনি সকলের রান্না একসাথে সেরে নিয়েছিলেন। আর আমিও চা খাওয়া শেষ করে তারপর গেলাম ছাদে পূজোর ফুল তুলতে। বৃষ্টিতে ছাদটা মোটামুটি ভিজেই ছিলো। ফুল তুলে এসে তারপর ঠাকুরের বাসন মেজে, আমি শুভর জন্য অফিসের টিফিন গুছিয়ে, ওকে ব্রেকফাস্ট দিয়ে দিলাম। তারপর শুভ বেরিয়ে যাওয়ার পর আমরাও ব্রেকফাস্ট করে নিলাম।
|
|---|
ভেবেছিলাম হয়তো পরে আবারও বৃষ্টি হবে, কিন্তু বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা না দেখতে পেয়ে বেশ কিছু জামা কাপড় ভিজিয়ে দিয়েছিলাম। মাঝে মালদায় অনেকদিন থেকে আসায় শুভর অনেক অফিসের শার্ট জমে গেছে। যেগুলো এক এক করে ধুয়ে ফেলতে হবে।
তাই কিছু জামা কাপড় কাঁচার পর স্নান সেরে ঠাকুর পুজো দিয়ে নিলাম। ততক্ষণে বৃষ্টি না হলেও তীব্র রোদ্দুর ওঠেনি বলে খানিকটা স্বস্তিতেই ছিলাম। না হলে স্নান করে আসার পর, পুজো দিতে বসলে ঘেমে আরও একবার স্নান করা হয়ে যায়।
![]() |
|---|
পুজোর শেষে একটু বিশ্রাম নিয়ে লাঞ্চ করতে বসলাম আমরা। অনেকদিন বাদে আজ ডিমের কারি খেলাম। এই কারিটা শাশুড়ি মা খুব সুন্দর রান্না করেন। যেহেতু উনি নিজে এখন আর পেঁয়াজ, রসুন, ডিম কিছু খান না। তাই বেশিরভাগ সময় ডিম আমিই রান্না করি। অনেকদিন বাদে ওনার হাতে ডিমের কারি খেয়ে খুব ভালো লাগলো। খাওয়া-দাওয়া শেষে একটু শুয়ে পড়েছিলাম কখন ঘুমিয়ে পড়েছি বুঝতে পারিনি।
|
|---|
সন্ধ্যার বেশ কিছুটা আগেই ঘুম ভেঙে ছিলো। জামা কাপড় সব শুকাবে না জানতাম, তবে জল ঝরে গিয়েছিলো অনেকটাই। তাই সন্ধ্যার আগে সেগুলো ঘরে ভালোভাবে মেলে দিলাম। তারপর ফ্রেশ হয়ে সন্ধ্যা পুজো সেরে নিয়েছিলাম।
![]() |
|---|
শুভ অফিস থেকে আসার সময় ফুচকা নিয়ে এসেছিলো। শুধু ফুচকা নয়, তার সাথে মিও আমোরে থেকে পেস্ট্রিও এনেছিলো। আসলে গতকাল যখন আমি আমার গ্রামের বাড়ি থেকে ফিরছিলাম, তখন আমার পেস্ট্রি খেতে ইচ্ছা করছিলো।
তবে ভ্যান থেকে নেমে আবার ভিড়ের মধ্যে দোকানে গিয়ে পেস্ট্রি কিনতে এতটুকুও ইচ্ছে করছিলো না। বাড়িতে এসে এ কথা শুভকে বলেছিলাম, তাই বোধহয় আজ নিয়ে এসেছে। তবে ফুচকা খাওয়ার সাথে সাথে আর পেস্ট্রি খাইনি। ওটা ফ্রিজেই রেখে দিয়েছিলাম।
|
|---|
![]() |
|---|
রাতের বেলায় শুভকে রুটি করে দিয়েছিলাম। শাশুড়ি মায়ের ভাত ছিলো, তাই আলাদা করে আর কিছু করতে হয়নি। আমার ডিনার আজ ফ্রিজে রাখা পেস্ট্রি দিয়েই সেড়েছি। আসলে ফুচকা খাওয়ার পর আমার খুব একটা খিদে ছিলো না। ভাত বা রুটি খেলে আর হয়তো পেস্ট্রি খেতে পারতাম না, তাই সেগুলো বাদ দিয়ে নিজের পছন্দের পেস্ট্রি খেয়েই রাতের ডিনার শেষ করলাম।
এই ভাবেই কেটেছে আজকের দিনটা। খুব একটা তীব্র গরম নেই, তাই আশাকরি রাতে ঘুমটাও ভালো হবে। আশাকরি আপনারা সকলেও গরমের হাত থেকে কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছেন। তীব্র গরমের হাত থেকে রক্ষা পেতে মাঝেমধ্যে এইরকম বৃষ্টির সত্যিই প্রয়োজন।
যাইহোক সকলে ভালো থাকবেন। সুস্থ থাকবেন। শুভরাত্রি।








Curated by:@wirngo