ছায়াসঙ্গী!

এটা বাংলায় এখনো বৈশাখ মাস, যারা বাঙালি এবং বাংলা ক্যালেন্ডার সম্পর্কে ওয়াকিবহাল তারা হয়তো আমার কথার যথার্থতা উপলব্ধি করতে পারবেন!
এই সময় সাধারণত বাইরের আবহাওয়া থাকে উত্তপ্ত, কারণ এই বৈশাখ এবং জ্যৈষ্ঠ মাস আম, কাঁঠাল ফল পাকে এই উত্তপ্ত আবহাওয়ার কারণে।
তবে, অনেক কিছুর মতোই নিত্যদিন বৃষ্টির ধারায় যেনো ধরার অনেক কালিমা ধুয়ে যাচ্ছে!
ঘরে এবং বাইরে এখন প্রকৃতি বৃষ্টির জলে স্নাত হয়ে নিজেরা নিজেদের বিষক্রিয়া থেকে উন্মুক্ত করছে, যেগুলো মানুষ অধিক ফসল পেতে ছড়িয়েছিল।
কৃত্রিম উপায়ে বিস্তার লাভ করতে যেনো আজ প্রকৃতিও নারাজ!
আজকেও তার অন্যথা হলো না, ঘড়ির কাঁটায় যখন দুপুর একটা বেজে পঞ্চাশ মিনিট, অর্থাৎ ভর দুপুর, যখন বৈশাখের দুপুরে বাইরে প্রতি বছর তাপ প্রবাহ একটি নৈমিত্তিক বিষয়, সেখানে এই সময়ে যখন বাইরে মুষলধারায় বৃষ্টি হচ্ছিল, তখন যেনো কোথাও এই বিষয়টিকে আমার নজিরবিহীন বিষয় বলে মনে হচ্ছিল!
![]() | ![]() |
|---|

কোথাও, যেনো প্রকৃতি জানান দিচ্ছিল, সব বাড়াবাড়ির একটা শেষ আছে, আর পরিণতি কে নির্ধারণ করে সেটাও সুস্পস্ট।
জানালায় দাঁড়িয়ে বাইরের কিছু ব্যতিক্রমী বৈশাখের দুপুরের ছবি তুলেছিলাম, এমনকি আমার ঘরের অভ্যন্তরে রাখা কারিপাতা গাছটিও মাথা নেড়ে কোথাও আমার সাথে সহমত পোষন করছিল!

সময়ের সাথে কত ক্ষমতা এই বৃষ্টির ধারায় ধুয়ে যেতে পারে, সেটাও সম্প্রতি দেখা গেলো!
যারা অনৈতিকতাকে লালন পালন করে,
তাদের সঠিক সময়ে সঠিক শিক্ষা পেতেই হয়!

ক্ষমতার অধিকার দেখিয়ে সাময়িক হাসি হাসা মানুষগুলো অনেক সময় ভুলে যায়, অস্থায়ী জীবনে কোনো কিছুই স্থায়ী নয়!
তারের নিচ থেকে যেসব অনুপ্রবেশকারী ঘরে চোরের মত প্রবেশ করেছে, এবং অর্থের জোরে এতদিন নিজেদের শেকড় বেশ বিস্তার লাভের প্রয়াস করে চলেছে, তাদের শেষটাও দেখার আছে।
সবচাইতে মজার বিষয়, এরা আসলেই কোন মাটির সাথেই বিশ্বস্ততা বজায় রাখতে জানে না, যেদিকে ওজন, সেদিকে ভোজনের মতো, নিজেদের নাগরিকত্ব এবং দেশ বেছে নেয়।

আমাদের কর্ম আমাদের ছায়াসঙ্গী!
এবার, সিদ্ধান্ত নিজের নিজের কোন ছায়াসঙ্গী কে নিজের চলার পথে সাথী করে নেবো আমরা!
নিজ নিজ কক্ষপথে অনেক গ্রহ সূর্যের চারিধারে ঘুরছে কিন্তু এদের মধ্যে থেকে মাত্র একটি গ্রহেই প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে, কেনো?

কারণ, সূর্যের খুব খাচ্ছে থাকার মতো অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস যেমন পৃথিবী দেখায় নি, তেমনি বহু দূরে থেকে নিজেকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করেনি!
সে বুঝেছে আত্মবিশ্বাস প্রয়োজন কিন্তু সেটার জন্য সূর্যকে সম্মান জানিয়ে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে সকল গ্রহের থেকে নিজেকে ব্যতিক্রমী করতে পেরেছে বলেই, এই একটি গ্রহে প্রাণ বিরাজ করে।

এই দূরত্ব পৃথিবীকে অন্য গ্রহের থেকে কোনো অংশে ছোট করেনি বরং ব্যতিক্রমী করেছে, তাই নিজের সম্মান এবং অস্তিত্ব বজায় রাখতে অনেক সময় নিজেকে অনেক পরিস্থিতি এবং মানুষ থেকে দূরে রাখলেই নিজের সম্মান অব্যাহত থাকে।
একান্তই ব্যক্তিগত অভিমত প্রকাশ করলাম, আশাকরি, আপনাদের কাছে আজকে আমার প্রাপ্ত শিক্ষার খানিক পৌঁছতে সক্ষম হয়েছি।




Thank you for sharing on steem! I'm witness fuli, and I've given you a free upvote. If you'd like to support me, please consider voting at https://steemitwallet.com/~witnesses 🌟
Hi @sduttaskitchen,
would you like to support our SteemXproject initiative by giving your witness vote to @bountyking5