মৃত্তিকা প্রদীপ! Earthen lamp(Eco friendly)!

ना किसी से दोस्ती, ना किसी से बैर;
जिन जिनको समझे थे आपने,
सभी निकले गैर!
উপরের দুটি লাইন হিন্দিতে লিখেছি, যার অর্থ নিজের ভাষায় অনুবাদ করছি, তবে সেটি সম্পূর্ণ লেখার মধ্যে দিয়ে!
তার আগে জানিয়ে রাখি প্রতিটি মানুষের জীবনের কিছু সংকল্প এবং আদর্শ থাকা আবশ্যক! আর সেটি সময় তথা বিভিন্ন সময়ে অর্জিত অভিজ্ঞতার নিরিখে তৈরি হয়।
শৈশবে আমাদের লক্ষ্যগুলো মূলত নির্ধারণ করে থাকেন আমাদের মাতা পিতা, এরপর বড় হবার সাথে সাথে পরিস্থিতির নিরিখে জীবনের পথ নির্ধারিত হয়।
বিশেষত যারা সময়ের পূর্বে মাতা পিতার ছত্রছায়া থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকেন, তাদের জীবনের আগামী পথ নিজেদের বাহ্যিক তথা অভ্যন্তরীণ ক্ষত বিক্ষত পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে গিয়ে অর্জন করতে হয়।

মৃৎ প্রদীপ ভঙ্গুর! তার নিম্নে সবচাইতে অধিক অন্ধকার সে নিজে বহন করে থাকে, এটাও তার জানা প্রয়োজন শেষে তার স্থান আস্তাকুড়ে!
কারণ, বাজার মূল্য দিয়ে যেকোনো দ্রব্যের মূল্য নির্ধারিত হয়, তবে যেকোনো প্রদীপ কিন্তু একই রকম ভাবে অন্ধকার নিবারণে সক্ষম!
তৎসত্ত্বেও একটি মৃৎ প্রদীপ এর মূল্যায়ন অনেক ধাতব দ্বারা নির্মিত প্রদীপের তুলনায় স্বল্প!
অথচ, তুলনামূলক ভাবে এই মৃৎপ্রদীপ দামের দিক থেকে আজও অধিক মানুষের কাছে পৌঁছতে সক্ষম, এছাড়াও পরিবেশের বন্ধু!
অনেক কিছু জেনেও অনেক ব্যাক্তি তথা বস্তু সেই অর্থে মূল্যায়িত হয় না, তবে সময় এমন একজন শিক্ষক যে প্রত্যেক মানুষকে তার সঠিক স্থান বুঝিয়ে দেয়।

আপনাদের মধ্যে অনেকেই জানেন এই মাসে ভারতে দীপাবলি পালন করা হয়েছে গোটা ভারত জুড়ে।
এখন কেনো এই কথাটি এখানে উল্লেখ করলাম?
কারণ, এই দীপাবলিতে বাজি পোড়ানোর বহর এত অত্যধিক ছিল যে, দিল্লীর আবহাওয়ায় পলিউশন এর ঊর্ধ্বগতির মাপদণ্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার, বর্তমানে রাস্তায় কেবলমাত্র ইলেকট্রিক গাড়ি ছাড়া বাকি গাড়ির চলাচল সাময়িক ভাবে নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

অর্থাৎ যে কোনো বিষয় নিয়ে অতিরঞ্জন বর্জন করাই মঙ্গলময়, সেটা ব্যাক্তি জীবন হোক কিংবা কর্ম জীবন!
তাই লেখার শুরুতেই জানান দিয়েছি, না কারোর সাথে বন্ধুত্ব, না কারোর সাথে শত্রুতা;
অধিক সময় আপন ভাবা মানুষগুলোই পিছনে ছুরি মেরে প্রমাণ করে দেয় তারা কোনোদিন আপন ছিল না, সদাই ছিল পর!
জীবনের পথে অর্জিত যেকোনো শিক্ষা আগামী দিনের সাফল্য নির্ধারিত করে, সেই সাফল্য কেবলমাত্র সামাজিক, এমনটি নয়! সেটি আত্মিক সাফল্যেও সামিল হতে পারে।

আর এই সাফল্যের দিকে খুব কম সংখ্যক নজর রাখেন! অথচ, এই সফলতা একটি মানুষকে ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে দেয়।
মাদার তেরেসার কথা ভাবুন! কোথা থেকে উঠে এসে কোন মানসিকতা বহন করে আজকে কোথায় তার নাম খচিত করা আছে!
তিনি যদি আত্মিক উন্নত মনস্কতা সম্পন্ন না হতেন, তাহলে কখনোই সামাজিক উন্নয়নের দিকে তাঁর নজর পড়তো না।
এরকম একাধিক উদাহরণ গোটা বিশ্বে রয়েছে, যারা আত্মিক স্বার্থে নয়, সার্বিক স্বার্থে সদাই কাজ করে গিয়েছেন, সেখানে কোনো সুপ্ত অভিসন্ধি কাজ করেনি বলেই তারা ধনীদের তালিকাভুক্ত শুধুমাত্র এমনটি নয়, বরঞ্চ একজন ভালো মানুষের তালিকায় তাদের নাম খচিত হয়ে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

একজন আদর্শ মানুষের সংজ্ঞা বোধহয় সেই মৃৎপ্রদীপের ন্যায়, যেখানে পরিবেশকে তারা বন্ধু ভাবে, নিজের মধ্যে তমসা বহন করে, অন্যদের আলোকিত করাই এদের মুল উদ্দেশ্য হয়ে থাকে।
ভিন্ন মানসিকতাসম্পন্ন মানুষ সকলেই, কাজেই উপরিউক্ত অভিমত একান্তই নিজস্ব!



Curated By: @damithudaya
@damithudaya highly appreciated your support!
Curated by: @dexsyluz
Thank you