গল্প :- ভালোবাসা বিশ্বাস অর্জন করতে হয়। (শেষ পর্ব)
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রতিদিনের মত আজকেও আপনাদের সামনে এসে হাজির হলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আমাদের আশেপাশে প্রায় বিভিন্ন ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে। যেই ঘটনা গুলো অনেক সময় শিক্ষনীয় হয়ে থাকে। কখনো কখনো দুর্ঘটনা, আবার কখনো মর্মান্তিক ঘটনা। এজন্য আজকে আবার ও একটা কাহিনী নিয়ে হাজির হলাম। আশা করি আমার লেখাটা পড়ে আপনাদের ভালো লাগবে।
এর আগেও এই গল্পের প্রথম পর্ব আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছিলাম। তাই আজকে আবারো দ্বিতীয় পর্ব নামাজীর হলাম। আর কামাল ঢাকা যাওয়ার পর থেকে আস্তে আস্তে রুবি থেকে দূরে চলে যাচ্ছেন। এদিকে রুবি কোথাও বিয়ের জন্য আসলে বসেনা। সব সময় কামালের জন্য অপেক্ষা করে এবং কামালকে সে বিয়ে করবে। তবে কামালের মা-বাবা সব সময় রুবির এবং তার মা-বাবাকে আজেবাজে কথা বলতেন। তারপরও রুবি এই কথাগুলো শুনলেও কিছু বলতেন না। আর তাদের দুই পরিবারের মধ্যে মাঝেমধ্যে এসব কথা নিয়ে ঝগড়া হতো। এবং রুবি মনে করলেন তার ভালোবাসার মানুষ সব সময় তার পাশে থাকবে। এই কারণে শত অপমান সে সহ্য করতে লাগলো।
আর কামাল আর ভালোবাসা রাখতে পারলেন না। কামাল ঢাকা গিয়ে ওইখানে একটি মেয়েকে ভালবাসলেন। এবং ওই মেয়ের সাথে কামালের প্রেমের সম্পর্ক হল। কামাল এবং ওই মেয়েকে বিয়ে করবে এবং রুবিকে সে ভুলে গেলেন। পরবর্তীতে কামালের বাবা ছিনতাই পড়ে গেল ছেলেকে ঢাকা ফাটিয়ে মনে হয় ভুল করেছেন। এবং ওইখানে যে লোকগুলো তার পাশে আছে তারা বলতে লাগলো সেই ওইখানে এক মেয়েকে ভালোবাসা তাকে বিয়ে করবে। এই কারণে কামালের বাবা তাড়াতাড়ি তাকে বাড়িতে আনলেন। আর এরপরে কামাল বাড়িতে আসলেন এবং রুবির সাথে কথা কম বলতেন। আর ওই সময় রুবি বুঝতে পারলেন তার ভালোবাসার মানুষটি সঠিক না।
আর কামাল যখন বাড়িতে আসলেন তখন তার এক মামাতো বোন তাদের বাড়িতে বেড়াতে আসলো। আর কামাল ওই সময় কথা বলতে বলতে এইবার মামাতো বোনের সাথে প্রেম করলেন। এবং আমাদের বাড়িতে কিছুদিন ছিল ওই সময় আস্তে আস্তে মামাতো বোনের সাথে প্রেমের সম্পর্ক জড়িয়ে গেল। বাড়িতে আগে আলোচনা হতো রুবিকে সেই ভালোবাসতেন। আর এখন বাড়িতে আলোচনা হয় কামাল তার মামাতো বোনকে ভালোবাসেন। যদিও এই কথা জানাজানির পর কামালের মামাতো বোন তাদের বাড়িতে চলে গেল। আর কিছুদিন পরে কামাল কাউকে না জানিয়ে তার মামাতো বোনকে বিয়ে করে ফেলেছেন।
আর তখন রুবির মা-বাবা বাঁচলে মেয়েকে নিয়ে যা চিন্তা ছিল তা মাথা থেকে চলে গেল। তবে ওই সময় রবি কোথাও থেকে বিয়ের জন্য আসলে মানা করতেন না। এবং তার সম্মতি নিয়ে তারা রবিকে ভালো জায়গায় বিয়ে দিলেন। ছেলে একটি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের চাকরি করে এবং ভালো মানুষ। আর বিয়ের পর থেকে কিন্তু রুবি তার হাজবেন্ড কে নিয়ে সুখে আছেন। বর্তমানে রুবির একটি ছেলে আছে এবং স্বামী সংসার নিয়ে ভালোই আছে। এদিকে কামালের মামাতো বোন কামালকে রেখে অন্য লোকের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছেন। আর কামালকে তার স্ত্রী ডিভোর্স দিয়েছেন।
আর এখন কামাল বুঝতে পারলেন সেই ভালোবাসা নিয়ে নাটক করার কারণে তার আজ এই পরিস্থিতি। তবে সে এখন মাঝেমধ্যে রুবির সাথে কথা বলতে চাই। তবে রুবি তাকে চিনে বলেও ওই দিকে তাকাই না। কারণ রুবি এই কামালের জন্য অনেক ধৈর্য ধরে এবং পাগলামি ও করেছেন। তার ভালোবাসার মানুষ সঠিক ছিল না বিধায় সে অন্য মেয়ের সাথে প্রেম করে চলে গেল। আর এখন কামালের নাম শুনলে তার কাছে খারাপ লাগে। আর কামাল বর্তমানে বাড়িতে আছে এবং তার কোন দাম নেই বললেই চলে। এতে করে বোঝা যায় কাউকে কষ্ট দিয়ে কখনো কেউ সুখী হওয়া যায় না। কারো ভালোবাসা নিয়ে খেলা করলে ওই কষ্ট একদিন তাকে পেতে হয়। আশা করি আমার বাস্তব গল্পটি পড়ে আপনাদের অনেক ভালো লাগবে।
আমার নাম আকলিমা আক্তার মুনিয়া। আর আমার ইউজার নাম @bdwomen। আমি বাংলাদেশে বসবাস করি। বাংলা ভাষা হল আমাদের মাতৃভাষা আর আমি মাতৃভাষা বলতে পারি বলেই অনেক গর্বিত। আমি বিভিন্ন ধরনের ছবি এবং পেইন্টিং আঁকতে খুবই পছন্দ করি। আমি প্রায় সময় বিভিন্ন ধরনের পেইন্টিং এঁকে থাকি। আবার রঙিন পেপার এবং বিভিন্ন রকমের জিনিস দিয়ে নানা ধরনের কারুকাজ তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে। আবার নিজের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ছবি তুলতে খুবই ভালো লাগে। আমি চেষ্টা করি সব ধরনের জিনিস কখনো না কখনো একবার করে করার জন্য। আবার বিভিন্ন ধরনের আইডিয়া মাথায় আসলে সেগুলো ও করার চেষ্টা করি।





https://x.com/bdwomen2/status/1991109182603608458?t=f_Mbc4DdlpOny4RZ8FURTg&s=19
https://x.com/bdwomen2/status/1991106821957042658?t=3HhuBTx0E43Waht5ddeZHQ&s=19
https://x.com/bdwomen2/status/1991107495662875038?t=dNum5ot3Lk4Sh0dOpCXi0g&s=19