সম্পর্কে স্বাধীনতা বনাম অধিকার চাওয়া: কোথায় সীমারেখা?
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
সম্পর্কে স্বাধীনতা থাকা একটা আলাদা ব্যাপার, আবার অধিকার চাওয়া ব্যাপারটি একেবারেই আলাদা। আসলে এখানের মধ্যে একটা সীমারেখা রয়েছে। আমরা মানুষ হিসেবে আসলে প্রতিনিয়ত সকল সীমারেখা ভেঙে ফেলতেই সবচেয়ে বেশি পছন্দ করি। কোনো সীমারেখাতেই আমরা আবদ্ধ থাকতে চাই না, কোনো সীমা দেখাতেই যেন আমরা বিশ্বাসী না।সেখান থেকেই আমাদের আসল সমস্যা শুরু হয়।
কিন্তু সীমারেখাতে সমস্যা হওয়া কখনোই উচিত নয়, কারণ সীমারেখা হলো সেই শেষ পর্যায়, যেটা কোনো মানুষের কখনোই লঙ্ঘন করা উচিত নয়। কিন্তু আমরা, মানুষ হিসেবে, সব সময় অন্যায় কাজ করতেই যেন বেশি পছন্দ করি।
এই যে দিনের পর দিন আমরা প্রতিটি সীমারেখা লঙ্ঘন করে আসছি, তার যে একটা বিচার হতে পারে, সেটা যে অন্যায় সেটা যেন আমরা উপলব্ধিই করতে পারি না। ঠিক একইভাবে, প্রতিটি সম্পর্কে যেমন কিছু স্বাধীনতা রয়েছে, তেমনি স্বাধীনতা দিলেই যে কোনো মানুষ অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়, ব্যাপারটি মোটেও কিন্তু এমন নয়।
আসলে স্বাধীনতা দেওয়া আর অধিকার এই দুইয়ের মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাৎ রয়েছে। যে ব্যাপারটি আপনার অধিকার, সেখানে যদি কেউ বলে যে সে আপনাকে স্বাধীনতা দিচ্ছে, তাহলে সেটা আর কোনোভাবেই প্রযোজ্য হয় না। কারণ সেখানে আপনাকে আসলে স্বাধীনতা দেওয়ার কিছু নেই।
অর্থাৎ, যেটা আপনার অধিকার, সেটা আপনাকে দিতেই হবে। সেখানে কেউ যদি আপনাকে “স্বাধীনতা দিচ্ছি” বলে বড়াই করে কিংবা নিজের কর্তৃত্ব ফলাতে চায়, তাহলে সেটা আসলে অন্যায়ের দিকেই চলে যায়। কারণ অধিকার প্রতিটি মানুষের একটি বেসিক প্রয়োজন। এটাকে হরণ করার মধ্যে কোনো কৃতিত্ব আছে বলে আমি মনে করি না।
কিন্তু আমাদের চারপাশে বর্তমানে যেভাবে ঘটনাগুলো ঘটছে, তাতে আসলে দেখা যায় যে মানুষ নিজের অধিকারটাই যেন হারিয়ে ফেলছে। আসলেই, এসব ব্যাপার নিয়ে কথা বলতে গেলেই কেমন একটা মন খারাপ কাজ করে। কারণ আমাদের মধ্যে আসলে *অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার এক ধরনের পৈশাচিক আনন্দ* সবসময় থেকেই যায়, আর এই আনন্দ উপভোগ করতেই যেন আমরা সকলে পছন্দ করি।

