বিবেক!!
আমার বাংলা ব্লগে,সবাইকে স্বাগতম।
আমি @emon42.
বাংলাদেশ🇧🇩 থেকে
আমার নিজের ফেসবুক প্রোফাইল টা আমি খুব একটা ব্যবহার করি না। অধিকাংশ সময় সেটা বন্ধই থাকে। তবে আমার আরেকটা একাউন্ট আছে। কিন্তু কেউ জানে না সেটাই আমি। ঐটাতে সাধারণত আমি বিভিন্ন বইয়ের পেইজ এবং খেলার কিছু পেইজ এর সাথে যুক্ত আছি। যেন ঐগুলোর নিয়মিত আপডেট পাই। এছাড়া আমার পরিচিত কেউ ফ্রেন্ড হিসেবে এই একাউন্টে নেই। গতকাল একটা ব্যাপার দেখে আমি রীতিমতো থমকে গেলাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পেইজ DU insider থেকে সেটা পোস্ট করা হয়েছে। শুধু একটা না একাধিক পেইজ থেকে একাধিকবার। সেখানে দেখা যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলের সামনে ভারত পাকিস্তানের পতাকা দেওয়া নিচে। এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা সেটা অনায়াসে মাড়িয়ে যাচ্ছে। কোন কোন হলে আবার ভারত পাকিস্তানের সাথে গ্রেট ব্রিটেন এবং আমেরিকার পতাকাও যুক্ত করা হয়েছে।
ঐ ছবিতে লেখা রয়েছে বিজয়ের মাসে এতোটুকু তো করা যেতেই পারে। সত্যি বলতে সেটা দেখে আমি রীতিমতো থমকে গেলাম। আমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিল যে এরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্টানে এমনটা করা হচ্ছে। বিভিন্ন দেশের মধ্যে শএুতা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। তেমনি পাকিস্তানের সাথে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছিল। আমাদের উপর তারা গণহত্যা চালিয়েছিল। তারা আমাদের শএু। তার অর্থ এই না তাদের পতাকা পদ'দলিত করতে হবে। বাংলাদেশ পাকিস্তানের চেয়েও জাপান - আমেরিকার এই সম্পর্ক তো আরও বেশি জটিল। আমি কখনও দেখিনি জাপানের কেউ আমেরিকার পতাকা এইভাবে পা দিয়ে মাড়িয়ে যাচ্ছে। ইদানিং ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক টা স্বাভাবিক না। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভারত বাংলাদেশের সম্পর্ক অস্থিতিশীল।
এর অর্থ এই না আমরা ভারতের পতাকা পদদলিত করব। ভারত বাংলাদেশের চেয়ে আমেরিকা - রাশিয়া অথবা চীন- রাশিয়া এদের সম্পর্ক আরও বেশি জটিল। এদের মধ্যে অভ্যন্তরীন রাজনৈতিক বানিজ্যিক কোন্দল লেগেই থাকে। কিন্তু এদের দেশের কোন সাধারণ জনগণ কে আমি কখনোই এমনটা করতে দেখেনি। কিন্তু কি আফসোসের কথা। একটা দেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা এটা করছে। তাদের চিন্তা চেতনা বিবেকের কথা একটা বার চিন্তা করুন। কোথায় তাদের উচিত ছিল সুস্থ্য স্বাভাবিক মস্তিষ্কে চিন্তা করে যেকোনো বিষয়ের সমাধান করা। না সেখানে তারা এমন কাজ করছে। আজ যদি অন্যদেশের মানুষ বাংলাদেশের পতাকা পদদলিত করত আমার ঠিক এমনটাই খারাপ লাগত। এটা এককথায় নিন্দনীয়। আমি এদের এই কাজে কখনোই সাপোর্ট দেব না।
সত্যি বলতে বিদ্যা অর্জন আর শিক্ষিত হওয়া এক বিষয় না। বিদ্যা অর্জন তো সবাই করতে পারে কিন্তু শিক্ষিত হতে পারে কতজন। ঠিক এই ছাএরা যারা অনায়াসে এই দেশগুলোর পতাকা পদদলিত করছে। এরা বিদ্যা অর্জন করছে ঠিকই কিন্তু শিক্ষিত হতে পারছে না। বাংলাদেশে এখন সুস্থ্য মস্তিষ্কে চিন্তা করতে পারে এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। এরা শিক্ষিত নামের মূর্খ। সত্যিই এই মূর্খের দেশে বিশ্ববিদ্যালয় মানায় না। হয়তো রবীন্দ্রনাথ ঠিকই বলেছিলেন মূর্খের দেশে অবস্থান কিসের বিশ্ববিদ্যালয়। লজ্জা এরা রীতিমতো শিক্ষার্থী হিসেবে লজ্জা মানুষ হিসেবে লজ্জা। যারা এটা বুঝতে পারে না স্বাধীনতা এবং সেচ্চাচারিতা এক না তাদের কিছু বলার নাই। আমি স্বাধীন দেশ বলেই অন্য দেশ কে তাদের পতাকা কে অসম্মান করার অধিকার আমার নেই।
সবাইকে ধন্যবাদ💖💖💖।
অনন্ত মহাকালে মোর যাএা অসীম মহাকাশের অন্তে। যারা আমাদের পাশে আছে তারা একটা সময় চলে যাবেই, এটা তাদের দোষ না। আমাদের জীবনে তাদের পার্ট ওইটুকুই। আমাদের প্রকৃত চিরশখা আমরা নিজেই, তাই নিজেই যদি নিজের বন্ধু হতে পারেন, তাহলে দেখবেন জীবন অনেক মধুর।তখন আর একা হয়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না।
আমি ইমন হোসেন। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি একজন ছাএ। তবে লেখাপড়া টা সিরিয়াসলি করি না হা হা। লেখালেখি টা বেশ পছন্দ করি। এবং আমি ফুটবল টা অনেক পছন্দ করি। আমার প্রিয় লেখক হলেন জীবনানন্দ দাস। আমি একটা জিনিস সবসময় বিশ্বাস করি মানিয়ে নিতে এবং মেনে নিতে পারলেই জীবন সুন্দর।।



.png)



Daily task
https://x.com/Emon423/status/1998302683078521269?t=yyWrJRFN_3dAJYB3oebI5Q&s=19
https://x.com/Emon423/status/1998302887148175566?t=ul1tIvbdhuPMycQ6JBj86g&s=19