কেমন আছেন বন্ধুরা? আশা করি সবাই ভালো ও সুস্থ আছেন ঈশ্বরের কৃপায়।আমিও মোটামুটি ভালো আছি।যাইহোক আজ আপনাদের সঙ্গে আমি নতুন একটি কবিতা শেয়ার করার জন্য চলে আসলাম।

কবিতা হলো মনের খোরাক,অনুভূতির ফসল কিংবা অনুভূতি প্রকাশের একমাত্র মাধ্যম।তাই কবিতা লিখতে আমার বরাবরই খুব ভালো লাগে।কবিতা মানুষের মনের উপলব্ধি,অন্ধকার মনের অনুভূতি দ্বারা ব্যক্ত কিছু বাক্য।একটি ছোট্ট কবিতার মাধ্যমে একটি বৃহৎ বিষয়কে তুলে ধরা যায় সুন্দরভাবে।তাই প্রতি সপ্তাহের মতো এই সপ্তাহেও চলে আসলাম সম্পূর্ণ নতুন একটি ছোট্ট কবিতা নিয়ে।
আজকের কবিতাটি লেখা হয়েছে যখন চেনা মানুষগুলোকে চাইলেও কাছে পাওয়া যায় না।তবুও পরিস্থিতির কারণে থাকতে হয় দূরে অদ্ভুত এক যন্ত্রণাকে সঙ্গে নিয়ে।তো সেই অনুভূতি নিয়েই লিখে ফেললাম কয়েক লাইনের একটি কবিতা।আশা করি ভালো লাগবে আপনাদের সকলের কাছে আমার আজকের লেখা কবিতাটি।তো আর কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করা যাক----
@green015
মাত্র কিছুদিনের ব্যবধানে আজ বুঝতে পারছি কুঁড়েঘরের মর্ম কতখানি!যেটা প্রকাশ করা ততটাই কম হবে,যতটা আমার ভাবনার অধিক মনের রেখায় রেখায় গেঁথে রয়েছে।মনে হচ্ছে আমি তা ব্যাখ্যা করার মতো যথেষ্ট ভাব বা কিঞ্চিৎ আবেগ ফুটিয়ে তুলতে ব্যর্থ।হ্যাঁ, কেন এই আবেগ আর কেনই বা কুঁড়েঘরের গুণকীর্তন সেটাই বলবো এখন।প্রকৃতির মাঝে শৈশব কৈশোর জীবন পার করেও আজ ভয় হচ্ছে।ভয় হচ্ছে ইউনিভার্সিটির হোস্টেলের চার দেওয়ালে বন্দি তিনতলার একটি রুমের পাকা দালানকোঠায় থেকেও।না,এটা কোনো ভূতের ভয় নয়।প্রকৃতির প্রচন্ড তান্ডবময় বজ্রপাতের শব্দে,বিদ্যুতের ঝলকানিতে, হু হু শব্দের হাওয়া আর বৃষ্টির ফোঁটা দেখে।যেখানে সেই গুরুত্বপূর্ণ মানুষগুলোর পাশে কুঁড়েঘরের মতো জায়গায় থেকেও প্রকৃতির এই নিদারুণ সৃষ্টি বৃষ্টি দেখে কখনো ভীত হই নি,মন থেকে বিচলিতও হই নি।তবে এখন ভয় কেন এই দালানকোঠায় থেকেও?মন বলছে, আমি আমার সাহসগুলিকেই ফেলে রেখে এসেছি কুঁড়েঘরে।।

| শ্রেণী | কবিতা |
| ডিভাইস | poco m2 |
| অভিবাদন্তে | @green015 |
| লোকেশন | বর্ধমান |

আমি রিপা রায়।আমার স্টিমিট ইউজার আইডি
@green015.আমি একজন ভারতীয়।আমি বর্ধমান ইউনিভার্সিটি থেকে গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করেছি,ইতিহাস বিষয় নিয়ে।বর্তমানে আমি ওখানেই অধ্যয়নরত আছি।এখানে বাংলা ভাষায় মন খুলে লেখালেখি করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।এছাড়া আমি একজন বাঙালি হিসেবে গর্ববোধ করি।

আমি সবসময় ভিন্নধর্মী কিছু করার চেষ্টা করি নিজের মতো করে।কবিতা লেখা ও ফুলের বাগান করা আমার শখ।এছাড়া ব্লগিং, রান্না করতে, ছবি আঁকতে,গল্পের বই পড়তে এবং প্রকৃতির নানা ফটোগ্রাফি করতে আমি খুবই ভালোবাসি।।