"কৃষ্ণসায়র ফুলমেলা"(কয়েকটি প্রাকৃতিক দৃশ্যের ফটোগ্রাফি পর্ব: 54)
নমস্কার
আজ 2025 সালের 31 শে ডিসেম্বর(বুধবার) অর্থাৎ এই বছরের সর্বশেষ দিন।সামনের দিন থেকে শুরু হবে নতুন বছরের নতুন ক্যালেন্ডারে বদলে যাওয়া সাল আর তারিখ।পুরনোকে বিদায় জানিয়ে নতুনের সম্ভাসনে জেগে ওঠা দিনগুলো।ভালো কাটুক সকলের জীবন,সেই প্রত্যাশা নিয়েই শুরু করছি জীবন্ত "আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির সকলের সঙ্গে শেষ পোস্টটি।হয়তো এরপর আরো পোষ্ট শেয়ার করবো,কিন্তু সেই উদ্যম আর চেনা মুখের সন্ধান আর ফিরে পাবো না।😢
"কৃষ্ণসায়র ফুলমেলা"
কয়েকটি প্রাকৃতিক দৃশ্যের ফটোগ্রাফি পর্ব: 54
কৃষ্ণসায়র পার্ক,বর্ধমানের এক অন্যতম জায়গা।আর সেই পার্কে গতবছর ফুলমেলা হয়েছিল।ইউনিভার্সিটির বন্ধু-বান্ধবীদের সঙ্গে আমিও গিয়েছিলাম সেই মেলা ঘুরতে।যেটা ছিল নানান রঙিন ফুলের সমাহারে ফুলমেলা।আর আমি শীতকালেই সংগ্রহ করেছিলাম নানারকমের ছবিগুলো।তো আমাদের বর্ধমান ইউনিভার্সিটি ও কৃষ্ণসায়র উৎসব কমিটির যৌথ উদ্যোগে একটি ফুলের মেলার আয়োজন করা হয়।যেখানে কৃষি-শিল্প-চিত্র ও পুষ্প সব মিলিয়ে জমজমাট এক মিলনমেলা দেখতে পাওয়া গিয়েছিল।এই ফুলের মেলায় মানুষ তার সত্যিকারের ফুলের গাছসহ নানা উদ্ভিদ নিয়ে আসে শুধুমাত্র মানুষের দর্শনের জন্য।তেমনি আবার ফুলের পাশাপাশি মানুষ তার সৃজনশীলতা প্রকাশ করেছে নানা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য উপস্থাপন করে।তো আমি আজ সেই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য এর ফটোগ্রাফি শেয়ার করবো।আশা করি ভালো লাগবে আপনাদের সকলের কাছে এই ফটোগ্রাফিগুলি।তো চলুন শুরু করা যাক---
কয়েকটি প্রাকৃতিক দৃশ্যের ফটোগ্রাফি:
এটি একটি মানুষের তৈরি প্রাকৃতিক দৃশ্য।ঠিক যেন একফালি সৃজনশীলতা ধরা দিয়েছে তার এই ছোট্ট উদ্যোগে।বাক্সবন্দী করার মতোই বড় কিছুকে ছোট্ট জায়গায় বন্দি করে তারই সুন্দরতা বুঝানোর একটুকরো প্রচেষ্টা।মানুষ তার মন থেকে সজ্জিত করে ফুটিয়ে তুলেছে নিজস্ব সত্ত্বাগুলোকে।মাটির পাত্রের মধ্যে জলের ভিতরে ছোট্ট একটি দ্বীপকে তুলে ধরার চেষ্টা।যে দ্বীপে গাছ,ঘেরা আর পাথরের উপর পাথর সাজিয়ে ছোট্ট গণেশ ঠাকুরের মূর্তি বসানো হয়েছে।খুবই চমৎকার দৃশ্য।
এটি একটি ক্যাকটাস উদ্ভিদ।এই উদ্ভিদটি একেবারেই ঝুড়ির মতোই।যেগুলোর কাঁটাগুলি দেখতে একেবারেই পাখির বাসার মতোই।সুনিপুণ আর দক্ষতা দিয়ে ভগবানের সৃষ্টি এই উদ্ভিদটি।যা প্রাকৃতিকভাবেই বেড়ে ওঠে।
এটিও মানুষের তৈরি আরেকটি প্রাকৃতিক দৃশ্য।যেটির মধ্যে একটি পাহাড়ের দৃশ্য ফুটে উঠেছে আর একপাশে ব্যাঙের ছাতা আর হাঁসের দৃশ্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বড়ো গাছের নিচে।অর্থাৎ বয়ে চলা পাথুরে নদীর কোনো ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে এই শিল্পে।যেটা আসলেই দারুণ লাগছিলো দেখতে।
এটি একটি অজানা ফুল।তবে এর বিভিন্ন রং রয়েছে।লাল,সাদা ও গোলাপি রঙের ফুলটি ডাটিযুক্ত হয়ে থাকে।কিছুটা রজনীগন্ধা ফুলের মতোই হয়ে থাকে।দেখতে অনেক আকর্ষণীয়।
এটি হচ্ছে সাকুলেন্ট প্রজাতির একটি উদ্ভিদ।যা পাতাবাহারের মতোই দেখতে ও খুবই লম্বা প্রজাতির উদ্ভিদ।তবে সাপের মতো আকৃতি হয়ে থাকে গাছের ডাটাগুলি, এর ডাটা রসালো ও পাতাগুলো আঠাযুক্ত হয়ে থাকে।
পোষ্ট বিবরণ:
| শ্রেণী | ফটোগ্রাফি |
|---|---|
| ডিভাইস | poco m2 |
| অভিবাদন্তে | @green015 |
| লোকেশন | বর্ধমানের গোলাপবাগ |
| আমার পরিচয় |
|---|









