প্রকৃতিতেও পরিবর্তন এসেছে || Original Photography by @hafizullah

in আমার বাংলা ব্লগ2 days ago

হ্যালো বন্ধুরা,

কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। ঈদ উৎসব পরিবারের সবাইকে নিয়ে যথাযথভাবে উপভোগ করেছেন। সত্যি বলতে উৎসবগুলো তখনই অধীক সুন্দর ও উপভোগ্য হয়ে উঠে যথন সেটা পরিবারের সবাইকে নিয়ে উপভোগ করার সুযোগ পাওযা যায়। আমিও ঠিক এই কারণে প্রতি বছর ঈদের পরের দিন গ্রামের বাড়িতে চলে আসি এবং সবার সাথে একত্রে ঈদের ছুটিগুলো দারুণভাবে উপভোগ করার চেষ্টা করি। ছুটির মুহুর্তগুলো তখন আরো বেশী রঙিন ও উজ্জ্বল হয়ে উঠে। বিশেষ করে প্রকৃতির নির্মল সান্নিধ্যে।

হ্যা, সময়ের সাথে সাথে সব কিছুতে পরিবর্তন আসছে, পরিবারের সদস্যদের মাঝে দূরত্ব তৈরী হচ্ছে এবং একত্রে কিছু উপভোগ করার বিষয়টি দিন দিন ফ্যাকাশে হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু তারপরও উৎসবের মুহুর্তগুলো আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করি সকলের সাথে একত্রে উপভোগ করার। কারণ শহরের জীবনের সেই বন্দি জীবন ছেড়ে কিছুটা সুন্দরভাবে প্রকৃতির সান্নিধ্যে এবং পরিবারের সদস্যদের মাঝে ব্যয় করার মুহুর্তগুলো একটু বেশী সুন্দর হয়ে উঠে। আমরা হয়তো কিছু কিছু বিষয় বুঝতে পারি আবার কিছু কিছু বিষয় বুঝতে পারি না, কিন্তু বাস্তবতা হলো পরিবারের মাঝে থাকার মুহুর্তগুলো অধীক রঙিন হয়ে থাকে।

IMG_20260314_115543.jpg

বলতেছিলাম প্রকৃতির পরিবর্তনেরদ বিষয়টি, একটা সময় আমরা দেখেছি শুধুমাত্র ধান চাষ করা হতো, তারপর এক ফসলের পরিবর্তে দুই ফসল চাষ করা হতো আর এখন প্রযুক্তির কল্যানে একাধিক ফসল দারুণভাবে চাষ করছেন কৃষকগণ। বিশেষ করে শীতের মৌসুমে একটু বেশী বৈচিত্র দেখা যায়। দারুণভাবে একাধিক ফসল চাষ করে এবং যার প্রভাবে চারপাশের দৃশ্যগুলো আরো দারুণ ও সতেজ হয়ে উঠে। প্রকৃতির এমন দৃশ্যগুলো দেখার পর প্রকৃতির প্রতি আকর্ষণটা নিমিষেই দ্বিগুন হয়ে যায়।

IMG_20260314_115545.jpg

আবার এটাও সত্য যে, মাঝে মাঝে প্রকৃতির পরিবর্তন দেখে আমাদের মাঝে আরো আফসোস বেড়ে যায়। যেমন এবার প্রায় আঠারো বছর পর আমাদের গ্রামের বাড়ি মানে দাদার বাড়িতে যাওয়ার পর মনটা আরো বেশী উদাস হয়েছিলো। কারণ মানুষজন এখন আর আগের মতো মাটির সাথে সম্পৃক্ত থাকছে না বরং জমিগুলো আগাছায় ভরে গেছে এবং সব অনাবাদি হিসেবে রয়ে গেছে। অথচ সময়ের সাথে সাথে আমাদের আরো বেশী কার্যকর হয়ে উঠে একাধিক ফসল চাষে ব্যস্ত থাকার কথা ছিলো, কিন্তু হয়ে গেছে উল্টোটা, যা ভীষণ হতাশ করেছে আমাকে।

IMG_20260314_115541.jpg

এবার নানার বাড়ি এসে একটু বেশী ভালো লেগেছিলো, কারণ চারপাশের সতেজ প্রকৃতি ও পরিবেশ দারুণভাবে হৃদয়কে চঞ্চল করেছিলো। অবশ্য এখানে এখনো ফসলের ক্ষেত্রে বৈচিত্র বজায় রয়েছে। তবে এবারই প্রথম আমি আমাদের বাড়ির সম্মুখে সূর্যমুখী ফুলের চাষ দেখেছি, যা চারপাশের সৌন্দর্য দারুণভাবে বৃদ্ধি করেছিলো। বিশেষ করে আমার ছেলে এবং মেয়ে বেশী খুশি হয়েছিলো, ফটোগ্রাফির সাথে ভিডিওগ্রাফিও করেছে।

তারিখঃ মার্চ ১৪, ২০২৬ইং।
লোকেশনঃ মানিকগঞ্জ, ঢাকা।
ক্যামেরাঃ রেডমি-১৩, স্মার্টফোন।

ধন্যবাদ সবাইকে।
@hafizullah

break .png
Leader Banner-Final.pngbreak .png

আমি মোঃ হাফিজ উল্লাহ, চাকুরীজীবী। বাংলাদেশী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন করি। ব্যক্তি স্বাধীনতাকে সমর্থন করি, তবে সর্বদা নিজেকে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করি। পড়তে, শুনতে এবং লিখতে ভালোবাসি। নিজের মত প্রকাশের এবং অন্যের মতামতকে মূল্যায়নের চেষ্টা করি। ব্যক্তি হিসেবে অলস এবং ভ্রমন প্রিয়।

break .png

Banner.png

Coin Marketplace

STEEM 0.06
TRX 0.31
JST 0.057
BTC 71724.02
ETH 2186.09
USDT 1.00
SBD 0.50