প্রকৃতির সান্নিধ্যে- মিনি চিড়িয়াখানা (পর্ব-২)
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমিও ভালো আছি এবং সুস্থ আছি, সকল ধরণের চাপ উপেক্ষা করে মানসিকভাবেও সুন্দর থাকার চেষ্টা করছি। আর সেই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই বেশী বেশী প্রকৃতির সান্নিধ্যে যাওয়ার চেষ্টা করছি। এটা সত্য যে, প্রকৃতির সান্নিধ্য মানেই আমাদের শারীরিক কার্যক্ষমতা ধরে রাখার দারুণ সুযোগ। বিশেষ করে আমি যখন সুযোগ পাই ছুটিরগুলোতে তখন প্রকৃতির সান্নিধ্যে থাকার চেষ্টা করি।
যাইহোক, ভুমিকা বাদ দিয়ে সারাসরি মূল পর্বে চলে যাচ্ছি, ঈদের ছুটিকে আরো সতেজ ও আনন্দময় করে তোলার জন্য সাভারের কাছেই অবস্থিত মিনি চিড়িয়াখানা গিয়েছিলাম পরিবারের সবাইকে নিয়ে। বিশেষ করে আমার মেয়ে এই জায়গাটা একটু বেশি পছন্দ করে। আজকে সেই বিষয়টি নিয়ে বিশেষত একটা সুন্দর দিক নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করবো। আরিচা মহাসড়ক হতে খুব বেশী দূরে নয় আবার খুব বেশী কাছেও নয়, অনেকটা পথ হেঁটে ভিতরের দিকে যেতে হয়। যদিও এই সড়কটা আগে কাঁচা ছিলো কিন্তু এখন পাকা করার কাজ চলমান আছে।
এই সড়কটাই আমার কাছে বেশী আকর্ষণীয় মনে হয়েছে। দুই পাশে সবুজ গাছের সারি, দারুণ সতেজ ও সবুজ একটা দৃশ্য। মুগ্ধতা নিয়ে যতটা সামনের দিকে যাবেন, ঠিক ততোটাই ভালো লাগার অনুভূতি জাগ্রত হতে থাকবে আপনার হৃদয়ের মাঝে। যতটা সামনের দিকে যাবেন, গাছের সারিগুলো ততো বেশী ঘন হতে শুরু হবে। অর্থাৎ ভেতরের দিকগুলো অনেকটা বনের মতো, বেশী সংখ্যায় গাছ থাকলে আমরা যেটা বুঝি। লাল মাটি হওয়ার কারণে হয়তো গাছগুলোর এমন সুন্দর উপস্থিতি।
আগের পর্বে বলেছিলাম বেশ বড় জায়গাজুড়ে রয়েছে এই মিনিচিড়িয়াখানা, অধিকাংশ জায়গা এখনো উন্মুক্ত কিংবা ফাঁকা রয়েছে। সুতরাং পরিবার নিয়ে গেলে একটু নিরিবিলি বসা কিংবা সুন্দরভাবে প্রকৃতি উপভোগ করার দারুণ একটা সুযোগ আপনি পাবেন, সেখানে কোন সন্দেহ নেই। আমি নিজেও সেটা দারুণভাবে টের পেয়েছি।
অনেকেই যেমন মুগ্ধতা বাড়ানোর জন্য দ্রুত হেঁটে ভেতরের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছেন ঠিক অনেকেই আবার আসে পাশে বসে প্রিয় মানুষটির সাথে সুন্দর কিছু সময় ব্যয় করার চেষ্টা করছেন। সত্যি বলতে প্রকৃতির সান্নিধ্যে গিয়ে যদি একটু সতেজ ও চঞ্চল হতে না পারি, তাহলে হয়তো প্রকৃতির সান্নিধ্যে যাওয়াটাই বৃথা। সবুজ গাছের সুন্দর দৃশ্যগুলো পরের পর্বে শেয়ার করার চেষ্টা করবো, ইনশাআল্লাহ।
তারিখঃ মার্চ ২৬, ২০২৬ইং।
লোকেশনঃ সাভার, ঢাকা।
ক্যামেরাঃ রেডমি-১৩, স্মার্টফোন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
@hafizullah
আমি মোঃ হাফিজ উল্লাহ, চাকুরীজীবী। বাংলাদেশী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন করি। ব্যক্তি স্বাধীনতাকে সমর্থন করি, তবে সর্বদা নিজেকে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করি। পড়তে, শুনতে এবং লিখতে ভালোবাসি। নিজের মত প্রকাশের এবং অন্যের মতামতকে মূল্যায়নের চেষ্টা করি। ব্যক্তি হিসেবে অলস এবং ভ্রমন প্রিয়।

|| আমার বাংলা ব্লগ-শুরু করো বাংলা দিয়ে ||




>>>>>|| এখানে ক্লিক করো ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<

Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness

OR








