অনেক দিন পরে নিজেদের জমি পর্যবেক্ষণ করার মুহূর্ত

in আমার বাংলা ব্লগlast year

আজ--০৫ মাঘ | ১৪৩১ বঙ্গাব্দ |রবিবার | শীতকাল|



আসসালামু ওয়ালাইকুম,আমি জীবন মাহমুদ, আমার ইউজার নাম @jibon47। বাংলাদেশ থেকে। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমি আপনাদের দোয়ায় ভালোই আছি মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি [আমার বাংলা ব্লগ] ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, সবাইকে আমার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন।


আজ আমি আপনাদের মাঝে নিজেদের বেগুন এবং লাউ এর জমিতে গিয়ে কাটানো সুন্দর মুহূর্ত এবং পর্যবেক্ষণের গল্প শেয়ার করব, আশা করছি আমার এই পোস্ট আপনাদের সবার ভালো লাগবে।



  • প্রিয় কমিউনিটি,আমার বাংলা ব্লগ
  • অনেক দিন পরে নিজেদের জমি পর্যবেক্ষণ করার মুহূর্ত।
  • আজ--০৫মাঘ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  • রবিবার


তো চলুন শুরু করা যাক...!


শুভ বিকেল সবাইকে......!!


Picsart_25-01-18_12-08-55-511.jpg

কভার ফটো তৈরিতে--@jibon47



আপনারা সকলেই জানেন যে আমি কয়েকদিন আগে বাসায় গিয়েছিলাম আর বাসায় গেলে আমি সবসময়ই নিজেদের মাঠের জমিগুলো দেখতে যাই। আগে যখন বাসায় থাকতাম তখন মাঝে মাঝেই নিজেদের জমিতে যাওয়া হত বিশেষ করে যখন কোন ফসল উৎপাদনের জন্য জমি প্রস্তুত করা হতো তখন মাঝেমাঝেই আমি সেই জমিতে গিয়ে দেখে আসতাম আবার মাঝে মাঝে কাজ করতাম। বেশ ভালই লাগতো অনেক সুন্দর সুন্দর মুহূর্ত অতিবাহিত করতাম সেই সাথে কোন ফসল চাষ করার জন্য জমি কেমন ভাবে প্রস্তুত করতে হবে সেই ব্যাপারটা সম্পর্কে অনেক সুন্দর ধারণা নিতাম বাবার থেকে। সত্যি বলতে কৃষি কাজ সম্পর্কে ভালো মতোই একটা ধারণা হয়ে গিয়েছিল এখনো মোটামুটি ভাবে কৃষি কাজ সম্পর্কে ভালোই ধারণা রয়েছে যদিও বেশ কয়েক বছর মাঠে খুব একটা বেশি যাওয়া হয়ে ওঠে না, যেহেতু এখন বাসায় থাকি না যার কারণে মাঠে যাওয়া হয় না তবে যখন বাসায় থাকতাম মাঝে মাঝেই মাঠে যেতাম বেশ ভালই লাগতো। সত্যি বলতে বাসায় যখন থাকতাম তখন মাঠে খুব একটা বেশি যেতেই মন চাইতো না তবে মাঝে মাঝে ইচ্ছে করেই মাঠে যেতাম। বিশেষ করে বিকেল বেলা ভাই ব্রাদারের সঙ্গে মাঠ ভ্রমণ করতে আমরা বের হতাম আর সেটা শীতের সময় হলে তো আর কোন কথাই নেই।

গত বছরে মোটামুটি ভাবে মাঠ ভ্রমণ করতে পেরেছিলাম ভালোভাবেই তবে গত বছরের প্রথম থেকেই আর ওরকম ভাবে মাঠে যাওয়া হয়নি কারণ ঢাকাতে পার্মানেন্ট ভাবে শিফট হওয়ার পরে আর ওইরকম ভাবে মাঠ ভ্রমণ করা হয়নি। বেশ কয়েকদিন আগে এই বাসায় গিয়েছিলাম বাসায় যাওয়ার আগে থেকেই শুনেছিলাম যে আমার আব্বু নাকি এবার বেগুন এবং লাউয়ের চাষ করেছে যদিও এর আগে কখনোই এরকম চাষ করা হয়নি। শুধুমাত্র নিজেদের খাবারের জন্যই জমির আইল এর পাশে বেগুন অথবা মরিচ অথবা অন্যান্য যে কোন সবজি চাষ করা হতো শুধুমাত্র নিজেদের খাওয়ার জন্য কিন্তু এ বছর নাকি বেশ খানিকটা জমি জুড়েই আব্বু বেগুন চাষ করেছিল। ঢাকায় থাকাকালীন সময়ে এটা শুনেছিলাম আর বাসা থেকে সবাই বলতো বেগুনের জমি দেখব বলে কবে বাসায় যাব একথাই শুধু বারবার জিজ্ঞেস করত। অনেকদিন ধরেই বাসায় যেতে চাচ্ছিলাম কিন্তু সময় হয়ে উঠছিল না হঠাৎ করেই বাসায় চলে গিয়েছিলাম কয়েকদিন আগে। বাসায় যাওয়ার পরেই আমি পরের দিন সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে সকালের নাস্তা করে আমি আর আমার আব্বু চলে যাই নিজেদের বেগুন এবং লাউয়ের জমিতে।

সত্যি বলতে বেগুন এবং লাউ এর জমিতে গিয়ে আমি রীতিমতো অবাক হয়ে গিয়েছিলাম কারণ এখন যেই জমিতে বেগুন এবং লাউ চাষ করা হচ্ছে এই জমিতে আগে কলা চাষ করা হতো। বেশ কয়েকবার কলাতে খুব একটা বেশি ভালো ফলন না পাওয়ায় কলার গাছ কেটে বেগুন এর চাষ করা হয়েছে যদিও সম্পূর্ণ জমিতে বেগুন চাষ করা হয় নি কিছুটা জমি ওভাবেই রেখে দিয়েছে কারণ সেখানে পেঁয়াজ এবং রসুন লাগাবে বলে। তবে যতটুকু জায়গায় বেগুন চাষ করেছে তাতে মনে হচ্ছিল নিজেদের খাবার খেয়ে এগুলো বাজারে ভালোই বিক্রি হচ্ছে। হঠাৎ করেই বাবার এরকম বেগুন চাষের পরিকল্পনা দেখে ভীষণ ভালো লাগছিল তবে বেগুন এর জমিতে গিয়ে নিজের কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছিল। ছোটবেলা থেকে যে এই জমিতে অন্যান্য ফসল দেখেছি সেই একই জমিতে এবার বেগুন এবং লাউ চাষ দেখে অনেক বেশি অবাক লাগছিল।

IMG20241224115038.jpg

IMG20241224115152.jpg

IMG20241224115234.jpg

IMG20241224115156.jpg

IMG20241224115238.jpg

IMG20241224115256.jpg

আব্বু আর আমি অনেকদিন পরে এভাবে একসাথে মাঠে গেলাম যখন একসাথে মাঠে যাচ্ছিলাম তখন আমি আব্বুর কাছে সেই পুরনো দিনের গল্প বলছিলাম। পুরনো দিনের গল্প এটাই বলছিলাম যে আমরা একসাথে আগে কত মাঠে গিয়েছি কিন্তু এখন আর একসঙ্গে মাঠে যাওয়া হয় না আব্বু এই ব্যাপারটা নিয়ে অনেকটা সময় কথা বলেছিল বলছিল যে আগে তোর সঙ্গে মাঠে যেতাম তুই মাঠে যেতে চাইতি না অনেকটা জোর করেই মাঠে নিয়ে যেতাম এখন মাঝে মাঝে যখন একা একা মাঠে আসি তখন নাকি আমার কথা তার মনে পড়ে। সত্যি বলতে পুরনো দিনের সেই কথাগুলো দুজন নিজেদের মতো করে শেয়ার করছিলাম কারণ সেখানে অন্য কোন মানুষ ছিল না শুধুমাত্র আমি আর আমার আব্বু ছিলাম। দুজনের মনের ভেতর কার সব কথাগুলো আমরা বেগুন এর জমির আইল এর উপরে বসে বসে গল্প করছিলাম। এর পরে আব্বু বলে বেগুন গাছের মাঝে যেতে অর্থাৎ যেখানে বেগুন গাছ লাগানো হয়েছে তার মাছ জমিতে যেতে মাঝের যাওয়ার ফলে আমি একদমই ডুবে গিয়েছিলাম কারণ বেগুন গাছগুলো এতটা বেশি বড় হয়ে গিয়েছিল যে সেখানে গেলে আপনা আপনি হারিয়ে যেতে হয়।

এত বড় বেগুন গাছ আমি আগে কখনোই দেখেনি তবে বেগুনের ফলন বেশ ভালই হয়েছে প্রতিটা গাছের সঙ্গে অনেক বেগুন ধরে রয়েছে যদিও আব্বুর কাছ থেকে জানতে পারলাম যেদিন আমরা সেখানে গিয়েছিলাম তার একদিন আগেই নাকি বেগুন তুলে বাজারে বিক্রি করা হয়েছে আবার দুদিন পরে বেগুন তোলা যাবে। এরপরে আমরা দুজন বেগুন এর জমির মাঝে গিয়ে অনেকটা ফটোশুট করেছিলাম আব্বুর অনেক ছবি তুলে দিয়েছিলাম। পাশেই ছোট্ট আর একটা জমিতে সেখানে পালং শাক এবং লাল শাক চাষ করা হয়েছে যদিও এটা শুধুমাত্র নিজেদের খাওয়ার জন্যই চাষ করা হয়েছে এটা আর বাজারে বিক্রি করা যাবে না কারণ বেশি একটা চাষ করা হয়নি সামান্য একটু জমিতে পালং শাক এবং লাল শাক চাষ করা হয়েছে। সেখানে গিয়েছিলাম তবে সেখানকার সবজিতে খুব একটা বেশি মাটির রস ছিল না যার কারণে পালং শাকগুলো এখন পর্যন্ত বড় হয়নি আর যেহেতু শীতকাল শীতকালে ফসল গুলো বড় হতে অনেক বেশি সময় নেই। যাইহোক সেদিন নিজেদের বেগুন এর জমি পরিদর্শন করতে গিয়ে বেশ সুন্দর সময় অতিবাহিত করেছিলাম।

IMG20241224115452.jpg

IMG20241224115732.jpg

IMG20241224115805.jpg

IMG20241224115918.jpg

IMG20241224115809.jpg

অনেকটা সময় আমরা নিজেদের বেগুন এবং লাউয়েরর জমিতে কাটিয়েছিলাম কাটানোর পরে আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম যে আমাদের আরও যে জমিগুলো আছে সেগুলো অনেকটা দূরে সেগুলোও দেখতে যাবে। যদিও সেই জমিগুলো দেখতে হলে আমাদেরকে অনেকটা পথ হেঁটে যেতে হবে তবে যেহেতু অনেকদিন হলো সেই সকল জমি দেখা হয় না কোথায় কি চাষ করছে সেটা দেখার জন্য আমি আর আমার আব্বু দুজন মিলে আবার হাটা শুরু করি অন্যান্য জমিগুলো দেখার জন্য। অন্যান্য জমিগুলো দেখার জন্য আমাদের একটা নদী পাড়ি দিতে হবে আমরা নৌকাতে করে সেই নদী পার হয়ে অন্যান্য জমিগুলোতেও গিয়েছিলাম পরবর্তীতে আবার অন্য কোন একটা পোস্টে আপনাদের মাঝে জমি পরিদর্শনের গল্প তুলে ধরার চেষ্টা করব। আজ আর নয় এখানেই শেষ করছি সকলেই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন এবং আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটি পরিবারের সঙ্গেই থাকুন। ধন্যবাদ সকলকে....!!



সমাপ্ত


আমার পোষ্ট দেখার জন্য আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। আশা করছি আপনাদের কাছে আমার এই পোস্ট খুবই ভালো লেগেছে। আমার এই পোস্ট পরে সুন্দর মন্তব্যের মাধ্যমে আমাকে অনুপ্রাণিত করবেন বলে আশা রাখি। আপনার সুন্দর মন্তব্যই আমার কাজ করার অনুপ্রেরণা

বিবরণ
বিভাগজেনারেল রাইটিং
বিষয়অনেক দিন পরে নিজেদের জমি পর্যবেক্ষণ করার মুহূর্ত।
পোস্ট এর কারিগর@jibon47
অবস্থান[সংযুক্তি]source


এটাই আমি..!!

IMG_5290-01.jpeg

আমি জীবন মাহমুদ, আমার ইউজার নেম @jibon47। আমি মাতৃভাষা এবং মাতৃভূমিকে অনেক বেশি ভালোবাসি। আব্বু আম্মু আর ছোট বোনকে নিয়েই আমার পরিবার। এই তিনজন মানুষকে কেন্দ্র করেই আমার পৃথিবী।একসাথে সবাইকে খুশি করা তো সম্ভব নয়, তারপরও আমি চেষ্টা করি পরিবারের সবাইকে খুশি রাখার। আমি হৃদয় থেকে ভালবাসি সৃষ্টিকর্তা ও তার সকল সৃষ্টিকে।আমি বর্তমানে সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটিতে মেকানিক্যাল ডিপার্টমেন্ট থেকে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং লেখাপড়া করছি। আমি গান গাইতে, কবিতা লিখতে, এবং ভাই ব্রাদারের সঙ্গে ঘোরাঘুরি করতে অনেক বেশি ভালোবাসি। সত্যি বলতে আমি প্রচন্ড রকমের অভিমানী, হতে পারে এটা আমার একটা বদ অভ্যাস। "আমার বাংলা ব্লগ" আমার গর্ব,"আমার বাংলা ব্লগ" আমার ভালোবাসা। আমার নিজের ভেতরে লুকায়িত সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করার লক্ষ্যে "আমার বাংলা ব্লগে" আমার আগমন। এই স্বল্প মানব জীবনের প্রতিটা ক্ষণ আমার কাছে উপভোগ্য। আমি মনে করি, পরিশ্রম সফলতার চাবিকাঠি।



সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ
@jibon47



VOTE @bangla.witness as witness


witness_vote.png

OR

SET @rme as your proxy

witness_proxy_vote.png

Sort:  
 last year 
Screenshot_2025-01-19-16-01-24-41_0b2fce7a16bf2b728d6ffa28c8d60efb.jpgScreenshot_2025-01-19-16-04-15-05_40deb401b9ffe8e1df2f1cc5ba480b12.jpgScreenshot_2025-01-19-16-05-58-40_40deb401b9ffe8e1df2f1cc5ba480b12.jpg
 last year 

আপনার আব্বু তো অনেক শাকসবজি উৎপাদন করেছে ভাই। শাকসবজি দেখে অনেক ভালো লাগলো। একদম ফসলের মাঠ থেকে টাটকা শাক সবজির ফটো ধারণ করেছেন। আমি গ্রামের বাড়িতে আসলে আগেই এলাকার ফসলের মাঠগুলো দেখতে চলে যায়। সবুজ প্রকৃতি আমার খুব ভালো লাগে। আগের মতো তো আর সম্ভব হয়না। তবে গ্রামে গেলেই সুযোগ পাই। এখানেও শাকসবজি এর মাঠ রয়েছে তবে তেমন বেশি একটা যাওয়া হয় না। অনেক অনেক ভালো লাগলো ভাইয়া আপনারা আব্বুর উৎপাদিত সবজি দেখে।

 last year 

সত্যি ভাইয়া আপনার ফটোগ্রাফি গুলোর মধ্যে বেগুন গাছ গুলো দেখে আমিও একটু অবাক হয়ে গেলাম। আসলে অনেক বড় গাছ। আপনার আজকের লাউ ও বেগুন জমির ফটোগ্রাফি গুলো দেখে খুবই ভালো লাগলো। লাউ এবং বেগুনের ফলন বেশ ভালোই হয়েছে।পরবর্তীতে আরেকটা জমির পরিদর্শনেরও পর্ব আমাদের মাঝে শেয়ার করবেন। সেই সবজি গুলো দেখার অপেক্ষায় রইলাম।

 last year 

আপনার দেখছি খুবই সুন্দর সুন্দর সবজি ক্ষেত রয়েছে। আসলে এবছর সকলেরই সবজির ফলন খুবই সুন্দর হয়েছে। আপনার ক্ষেতের সবজি গুলো দেখে মনে হচ্ছে বেশ ভালোই ফলন হয়েছে। বিশেষ করে আপনার ক্ষেতের ধনিয়া শাক গুলো একটু বেশি সুন্দর হয়েছে ভাইয়া।

 last year 

বাহ খুব সুন্দর একটি মুহূর্ত শেয়ার করলেন আপনি। বাসায় গেলে আপনি জমি পর্যবেক্ষণ করেন শুনে ভালো লাগলো। আপনাদের ক্ষেতের জিনিস গুলো দেখতে খুবই সুন্দর হয়েছে। অনেক ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।

 last year 

নিজেদের জমি পর্যবেক্ষণ করতে গিয়েছেন এবং আপনার আব্বুর সাথে খুব সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছেন। আপনার আব্বু অনেকটা জায়গা জুড়ে বিভিন্ন রকম সবজির গাছ লাগিয়েছে। গাছে লাউ, বেগুন এগুলো দেখে খুবই ভালো লাগলো। সুন্দর মুহূর্ত গুলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

 last year 

চাষবাস সম্বন্ধে তেমন কোন আইডিয়া আমাদের শহরে মানুষদের মধ্যে নেই। তাই এই ধরনের পোস্ট দেখলে পড়তে খুব ভালো লাগে। আপনি আপনার বেগুন এবং লাউয়ের জমিতে গেছেন দেখে খুব ভালো লাগলো। এত সুন্দর জমি থাকলে সেইখানে সময় কাটাতে খুব ভালো লাগে। আর তার সঙ্গে ফলন তো হয়ই। সব মিলিয়ে সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সঙ্গে শেয়ার করলেন।

 last year 

স্মৃতি বিজড়িত একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন ভাই। যে স্মৃতি কেবলমাত্র আপনি আর আপনার বাবার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। আপনার বাবা আর আপনি একসাথে জমিতে যাওয়ার যে ব্যাপারটি উপস্থাপন করেছেন পড়তেই তো আমার কাছে ভালো লাগছিল। তাহলে তো আপনাদের বাবা ছেলের কাছে সেই মুহূর্ত শ্রেষ্ঠ মুহূর্ত ছিল অবশ্যই। যাই হোক ফসলের জমিতে যাওয়ার সুন্দর কিছু অনুভূতি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। ফটোগ্রাফি গুলাও চমৎকার ছিল কিন্তু।

 last year 

জমি পর্যবেক্ষণের অনুভূতি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন পড়ে খুব ভালো লাগলো। জমিতে দেখছি ফলন বেশ ভালো হয়েছে। বেগুনের গাছগুলো বেশ বড় হয়েছে এবং তাতে অনেক বেগুনও হয়েছে। জমিতে এরকম ফসল দেখতে পেলে অনেক ভালো লাগে। বাবার সাথে জমি পর্যবেক্ষণের মুহূর্ত পড়ে খুব ভালো লাগলো।