ঘাড়ের কষ্টে পিজিওথেরাপির প্রথম থেরাপি
নমস্কার বন্ধুরা,
গত প্রায় এক মাস ধরে ঘাড়ের ব্যথার সাথে যুদ্ধ করছি। মাস দেড়েক আগে মাথা মুছতে গিয়ে লাগে তারপর থেকে সমস্যা। দিন যত গড়িয়েছে, কষ্টটা যেন আরো জাঁকিয়ে বসেছে। পরিস্থিতি এমন যে, এই যন্ত্রণা আমার যাপনের প্রতিটি মুহূর্তকে বিষিয়ে দিয়েছে। যন্ত্রণার কারণে রাতে ঘুমটা একদম পাতলা হয়ে আসে। একটু পাশ ফিরতে গেলেই ঘাড় থেকে একটা তীক্ষ্ণ ব্যথার স্রোত শিরদাঁড়া বেয়ে নেমে যায়। সারারাত শুধু সঠিক একটা পজিশন খোঁজার চেষ্টায় কেটে যায়, যেখানে কয়েক মিনিটের জন্য স্বস্তি পাই। দিনের বেলাতে নিস্তার নেই। সোজা হয়ে কিছুক্ষণ বসে কাজ করা বা ল্যাপটপের সামনে বসা এখন বিলাসিতা। শিরদাঁড়া বরাবর সেই একঘেয়ে ব্যথাটা সারাক্ষণ জানান দেয়।
কলকাতা ফিরে আসার পর গত কয়েক দিনে মাত্র দুবার ঘরের বাইরে বেরিয়েছি, তাও চরম দায়বদ্ধতার জন্য। বাকিটা সময় চার দেওয়ালে বন্দি। আমার স্বভাবজাত দৌড়ঝাঁপ এখন পুরোপুরি থমকে গেছে। কাজকর্ম প্রায় লাটে উঠেছে বললেই চলে। এই দুঃসময়ে এক বন্ধু সহায়তা না থাকলে পরিস্থিতি আরও শোচনীয় হতো। সে-ই এখন আমার পেশাদারী জগতের হাল ধরে রেখেছে, নাহলে হয়তো মানসিক চাপে আরও অসুস্থ হয়ে পড়তাম। এখন আমার দিনলিপি বলতে শুধুই বিছানায় সটান শুয়ে থাকা আর ছাদের দিকে তাকিয়ে যন্ত্রণার উপশমের অপেক্ষা করা। ডাক্তার দেখিয়ে ওষুধ খাচ্ছি কিন্তু তবুও কষ্ট কমছে না। অবশেষে আজ বিকেলে ফের ডাক্তারের কাছে গেলাম, উনিই পিজিওথেরাপি করার পরামর্শ দিলেন।
প্রথম থেরাপির সেশনে গেলাম, পিজিওথেরাপিস্ট দেখে জানালেন যে ঘাড়ের পাশের পেশীগুলো ফুলে আছে। দীর্ঘদিনের অবহেলা আর ভুল পোশ্চারের কারণেই অবস্থা। এরপর শুরু হলো প্রায় ৪০ মিনিটের এক দীর্ঘ প্রক্রিয়া। আল্ট্রাসাউন্ড থেরাপির সেই মৃদু কম্পন এবং ঠান্ডা জেল। চলতে থাকলো এবং ব্যথা লাঘব হলো। থেরাপি শেষ হওয়ার পর দীর্ঘদিনের ভারী ভাবটা যেন কিছুটা হালকা মনে হলো। তবে পিজিওথেরাপিস্ট জানিয়েছেন, এক দিনেই সবটা ঠিক হওয়ার নয়। অন্তত আরো ৯টি থেরাপি সেশন নিতে হবে। যন্ত্রণার এই দীর্ঘ পথ চলায় প্রথমবার যেন অল্প আশার আলো দেখতে পেলাম।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS



