রবীন্দ্র সরোবরে একাকী সময়
নমস্কার বন্ধুরা,
এপ্রিল মাসেই কলকাতার সেই পরিচিত ভ্যাপসা গরম পড়া শুরু করেছে। মার্চ মাসের খাটুনি আর অর্থবর্ষের চাপ সামলে শরীর একটু বিশ্রাম খুঁজছিল। দিনভর ল্যাপটপ আর ফাইলের স্তূপে মুখ গুঁজে থাকতে কার ভালো লাগে? তাই ভাবলাম, আজ ঘণ্টা খানেকের জন্য হেঁটে আসা জরুরি। কলকাতার কংক্রিটের জঙ্গল থেকে দূরে গাছের তলাতেই শান্তি পাবো, সেই আশায় পা বাড়ালাম রবীন্দ্র সরোবরের দিকে। সন্ধ্যা নামার অনেকটা আগেই সরোবর চত্বরে পৌঁছলাম। লোহার গ্রিল পেরিয়ে ভেতরে ঢুকেই হালকা শীতল হাওয়া শরীর ছুঁয়ে গেল। ভেতরে পা রাখতেই গাছের নিবিড় ছায়ায় হারিয়ে গেলাম।
সরোবরের ভেতরে ছায়ার মাঝে চোখে পড়ল অন্য চিরাচরিত দৃশ্য। সরোবরের প্রতিটা বেঞ্চ দখল করে রেখেছে কপোত-কপোতীরা, সেখানে বুড়ো থেকে জোয়ান সব ধরনের জুটি বসে। রবীন্দ্র সরোবরে প্রেমের এক নিভৃত আশ্রয়। জোড়ায় জোড়ায় গভীর আড্ডা আর খুনসুটি চলছে, বসন্তের আমেজটা চলে গেলেও সরোবরে যেন সারা বছরই থাকে। আমি যদিও একটু নির্জনতা খুঁজতে।ও এসেছি। বসার জায়গা নেই, তাই হাঁটাকেই বেছে নিলাম। বরাবরই হাঁটতে ভালোবাসি, তাই পুরো পার্কটা একবার চক্কর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। চারপাশের বিশাল বিশাল পুরোনো গাছ, তাদের মাঝে হাঁটতে হাঁটতে অজস্র পাখির কলতান কানে আসে। কলকাতার ব্যস্ততা আর হর্নের আওয়াজ দূরে সরিয়ে পাখিদের কলতান মন হালকা করে দেয়।
ধীরে ধীরে সূর্য দেব অস্ত যাচ্ছিলেন, তখন সোনালি রোদ সরোবরের জলে এসে পড়ছিল। পাড় ধার হাঁটতে হাঁটতে অন্যপাশে চলে গেলাম, আবার উল্টো পথে ফেরত আসলাম। মানুষের চেঁচামেচি বাদ দিয়ে বাকি সবই ভালো, কংক্রিটের জঙ্গলের এক অদ্ভুত প্রকৃতির সান্নিধ্য।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS








