ট্রাভেল পোস্ট- "হঠাৎ যশোর যাওয়ার পথে " II written by @maksudakawsarII
আসসালামু আলাইকুম
কেমন আছেন সবাই ? আশা করি আপনারা সবাই বেশ ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি। আজ আমি নতুন এটি ব্লগ নিয়ে হাজির হলাম। আজকে আমার ব্লগের বিষয় হলো ভ্রমণ। আসলে ভ্রমণ গুলোকে আমি ব্লগের মাধ্যমে শেয়ার করতে পারলে ভীষণ ভালো লাগে। তাই আমি চেষ্টা করি সপ্তাহে কমপক্ষে ভ্রমণের একটি পোস্ট আপনাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। ভ্রমণের পোস্টগুলো শেয়ার করতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। আমি আশা করি আপনাদের সবার আজকের পোস্টে অনেক বেশি ভালো লাগবে। নিচে আমার ভ্রমণের পোস্টটি আপনাদের মাঝে শেয়ার করা হলো। কেমন হয়েছে তা অবশ্যই জানাবেন।



দায়িত্ব এমন একটা জিনিস যা কিনা সঠিকভাবে পালন না করতে পারলে স্বস্তি পাওয়া যায় না। যে মানুষটি প্রতিনিধিত্বের দায়িত্বভার পালন করে চলে তাকে আর এক জায়গায় বসিয়ে রাখা যায় না। কিংবা দমিয়ে ও রাখা যায় না। যে করেই হোক তার দায়িত্বটি পালন করতে হবে। এটাই যেন একজন দায়িত্ববান মানুষের সারাক্ষণ মাথায় ঘুরতে থাকে। তেমনি কিছু দায়িত্ব পালন করার জন্য আমাকে হঠাৎ করে যেতে হল যশোরে। মানে আমার নানা বাড়ি। আর সেই জন্য গতকাল রাত এগারোটা ত্রিশ মিনিটের টিকেট কাটা হয়।


আমরা রাত ১১ টার আগেই কমলাপুর স্টেশন এ পৌঁছে যাই। আমি আর ছোট ভাই গিয়েছিলাম। আমরা যখন স্টেশনে যেয়ে পৌঁছাই তখন দেখি আমাদের নির্দিষ্ট বেনাপোল এক্সপ্রেস টি স্টেশনে দাঁড়িয়ে আছি। আমরা তড়িঘড়ি করে গাড়িতে উঠে পড়ি। গাড়িতে উঠে জানতে পারি যে আমার এবং আমার ভাইয়ের টিকেট দুটি আলাদা সিটে। আমার যেখানে সিট সেখানে আমার সাথে একজন অন্য পুরুষ লোক বসবে। খুব মেজাজটা গরম হয়ে গেল। ভাইকে কতক্ষণ বকাঝকা করে ভদ্রলোককে অনুরোধ করলাম। যাতে করে দিলি পাশের খালি চিঠিতে বসেন। নারে ভাই উনি যাবে না। আমার পক্ষে উনার সাথে একত্রে বসে সম্ভব নয়। কি করবো কিছুই বুঝতে পারছিলাম না।


বেশ কিছুক্ষণ অনুরোধ করার পর ভদ্রলোক অন্য সিটে যেতে রাজি হল। এরপর আমি এবং আমার ভাই বেশ্যার সঙ্গে আমাদের সিটে বসে রাতের প্রকৃতি উপভোগ করতে করতে ট্রেনের সাথে ছুটে যাচ্ছিলাম যশোরের দিকে। কিন্তু ট্রেনে ওঠার আগে আমরা একটু সন্ধিহান ছিলাম ট্রেনটি পাব কিনা। কারণ আমাদের টিকিটটি কেনা ছিল অনলাইনে। যদি আগে আগে ছেড়ে দিত তাহলে হয়তো আর ট্রেনে ওঠাও হত না। তবে এবার ট্রেনে ওঠার পর অনেক নতুন অভিজ্ঞতা হলো। ট্রেনের ভেতরের অনেক কিছুই বেশ আধুনিক করা হয়েছে। সেই সাথে যাত্রীদের খুব সচ্ছলে আসা যাওয়ার জন্য বেস্ট নিয়ম কানুন করা হয়েছে। আমার কাছে ট্রেনের এবার ভ্রমণটি বেশ ভালো লেগেছে।

কেমন লাগলো আমার আজকের পোস্টটি আপনাদের কাছে। এই ভুবন পোষ্টের আরো কিছু পর্ব আগামীতে আপনাদের মাঝে ধীরে ধীরে শেয়ার করব। আশা করি আপনাদের মন্তব্য দিয়ে ধন্য করবেন।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | ভ্রমণ |
|---|---|
| ক্যামেরা | Vivo y18 |
| পোস্ট তৈরি | @maksudakawsar |
| লোকেশন | কমলাপুর, বাংলাদেশ |
আমার পরিচিতি
আমি মাকসুদা আক্তার। স্টিমিট প্লাটফর্মে আমি @maksudakawsar হিসাবে পরিচিত। ঢাকা হতে আমি আমার বাংলা ব্লগের সাথে যুক্ত আছি। আমি একজন গৃহিনী এবং চাকরিজীবী। তারপরও আমি ভালোবাসি আমার মাতৃভাষা বাংলায় নিজের মনের কথা গুলো আমার বাংলা ব্লগের প্লাটফর্মে শেয়ার করতে। আমি ভালোবাসি গান শুনতে এবং গাইতে। আমি অবসর সময়ে ভ্রমন করতে এবং সেই সাথে সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি নিজের ক্যামেরায় বন্দী করতে ও ভালোবাসি। মাঝে মাঝে নিজের মনের আবেগ দিয়ে দু চার লাইন কবিতা লিখতে কিন্তু আমার বেশ ভালোই লাগে। সর্বোপরি আমি ভালোবাসি আমার প্রাণপ্রিয় মাকে।
.gif)
VOTE @bangla.witness as witness
OR
SET @rme as your proxy



@tipu curate
Upvoted 👌 (Mana: 4/8) Get profit votes with @tipU :)
https://x.com/maksudakawsar/status/1913689848785023235
https://x.com/maksudakawsar/status/1913690053894873476
https://x.com/maksudakawsar/status/1913690162833555661
https://x.com/maksudakawsar/status/1913690262179881367
https://x.com/maksudakawsar/status/1913690363929432480