ঘুনি চিংড়ি মাছের বড়া রেসিপি।
কেমন আছেন "আমার বাংলা ব্লগ"এর সকল সদস্যরা? আশা করি সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদে সবাই খুব ভালো আছেন। আমিও খুব ভালো আছি। আজ আমি একটি পোস্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছি। আশাকরি আমার পোস্টটি পড়ে আপনাদের খুব ভালো লাগবে।
চিংড়ি মাছের বড়া আমরা কম বেশি সকলেই খেয়েছি। আমার এই চিংড়ি মাছের বড়া ভীষণই পছন্দের একটি খাবার। গরম গরম ভাতের সাথে সকাল দুপুর বা রাত যে কোন সময় এই চিংড়ি মাছের বড়া আমার কাছে তো ভীষণ ভালো লাগে খেতে। চিংড়ি মাছের বড়া আমি বহুবার খেয়ে থাকলেও কখনো নিজের হাতে তৈরি করিনি। কাল বাবা বাজার থেকে এই ঘুনি চিনলে কিনে এনে বললেন যে ঘুনি চিংড়ি দিয়ে বড়া করলে ভীষণ সুস্বাদু লাগে খেতে এবং তার খেতে ইচ্ছা করছে। এই শুনে আমি যেহেতু আগে কখনো করিনি তাই একটু ইউটিউব দেখে বিভিন্ন ভিডিও দেখে নিলাম যে কে কেমন ভাবে তৈরি করছে। বিভিন্ন জনের বিভিন্ন রেসিপি দেখার পর বুঝলাম যে কিভাবে এটি তৈরি করা যেতে পারে। তবে ইউটিউবে ভিডিওতে অনেকেই অনেক বেশি মসলার ব্যবহার করেছে যাতে আমার মনে হল চিংড়ি মাছের আসল স্বাদটা নষ্ট হয়ে যাবে। তাই আমি ওসব বাদ দিয়ে সব থেকে সহজ এবং মসলা বিহীন একটি রেসিপি বেছে নিলাম। আর এভাবেই চিংড়ি মাছের ভরা প্রস্তুত করার কথা ভাবলাম। তাই চলুন আপনাদের সাথেও শেয়ার করে দিন আজকে আমার প্রথমবার চিংড়ি মাছের বড়া তৈরীর পদ্ধতি। প্রথমবার চিংড়ি মাছের বড়া তৈরি করেছি তবে ভীষণ সুস্বাদু লেগেছে সবার কাছে আর তার সাথে প্রচুর প্রশংসাও পেয়েছি। চিংড়ি মাছের বড়া বানানোর পর সবার প্রশংসা শুনে মনে হচ্ছিল না যে এটা প্রথমবার বানিয়েছি।
-:চিংড়ি মাছের বড়া তৈরির উপকরণ:-
ঘুনি চিংড়ি
বেসন
চালের গুঁড়ো
পেঁয়াজ
আদা
রসুন
কাঁচা লঙ্কা
জিরের গুঁড়ো
হলুদ
লবণ
-:ঘুনি চিংড়ির বড়া তৈরি পদ্ধতি:-
ঘুনি চিংড়ির বড়া তৈরি করার জন্য আমি প্রথমেই নিয়ে নিয়েছি ৫০০পরিমাণ মতো ঘুনি চিংড়ি। ভালো করে ধুয়ে বেছে জল ঝরিয়ে রেখেছি। এবার অন্যদিকে দুটো মাঝারি আকারের পেঁয়াজ কুচি করে নিলাম সাথে আদা পরিমাণ মত কুচি করে নিয়েছি। দশ বারোটা রসুনের কোয়া থেতো করে নিলাম। সাথে দুটো বড় আকারের লঙ্কা কুচি করে নিয়েছি।
একটা বড় বাটিতে ঘুনি চিংড়ি গুলো ঢেলে দিলাম এবার পর্যায়ক্রমে পেয়াজকুচি, আদা রসুন কুচি, কাঁচালঙ্কা কুচি, হলুদ, লবণ, জিরের গুঁড়ো, বেসন ও চালের গুঁড়ো দিয়ে দিলাম। এবার সব উপকরণ সুন্দরভাবে মাখিয়ে নিলাম, কোনো রকম জলের প্রয়োজন নেই কারণ চিংড়ি মাছের থেকেই পর্যাপ্ত জল বেরিয়ে আসে।
ভালো করে মাখা হয়ে গেলে কড়াইতে তেল নিয়ে নিলাম পরিমাণ মতো তেল গরম হতেই ঘুনি চিংড়ি মাখাটা বড়ার আকার করে হাতের মাধ্যমেই দিয়ে দিলাম তেলের মধ্যে। ভালো করে উল্টাপাল্টা ব্রাউন রং হওয়া পর্যন্ত সুন্দর করে ভেজে নিলাম। এভাবেই পুরো ঘুনি চিংড়ির মাখাটা দিয়ে সব বড়া ভেজে নিলাম।
তৈরি হয়ে গেল আমাদের সুস্বাদু ঘুনি চিংড়ি মাছের বড়া পরিবেশনের জন্য। এইভাবে ঘুনি চিংড়ির বড়া তৈরি করলে ভীষণ সুস্বাদু লাগে এবং মুখরোচক হয়ে থাকে। সন্ধ্যেবেলার টিফিনেও এভাবে ঘুনি চিংড়ির বড়া খেতে বেশ ভালো লাগবে।
ক্যামেরা পরিচিতি : Realme
ক্যামেরা মডেল : realme narzo 60 pro
ক্যামেরা লেংথ : 26 mm
আশা করি আজকের পোস্টটি আপনার খুব ভালো লেগেছে। আর ভালো লাগলে কমেন্ট করে অবশ্যই আমাকে জানাতে ভুলবেন না।









