|| লাইফ স্টাইল : অনেকদিন পর পিজ্জা খেতে ||
নমস্কার বন্ধুরা
আজ আমি আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি আবারো নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। যদিও আমাদের কমিউনিটি খুব ফাঁকা আজ বর্তমান পরিস্থিতির জন্য। খুব দ্রুত এই পরিস্থিতি সামলে উঠুক, আবারও সব আগের মত হয়ে যাক, সবাই সবার সাথে যাতে দ্রুত যোগাযোগ করতে পারি, এই কামনা করি। বর্তমান পরিস্থিতিতে আসলে খুবই খারাপ লাগছে যে কোনো কাজ করতে, শুধু মনে হচ্ছে ওপার বাংলায় কি হচ্ছে না হচ্ছে! তবুও যেহেতু আমি সপ্তাহের মধ্যে শনিবার আর রবিবার ছাড়া একদম সময় বার করতে পারি না, তাই এই দুইদিনেই আমাকে সমস্ত ধরনের পোস্ট রেডি করতে হয়। কোনো কোনো সপ্তাহে আবার ঠিকমতো পোস্ট করতে পারি না। তবুও যেটুকু পারি চেষ্টা করি ইনাক্টিভ লিস্ট থেকে আবারও এক্টিভ লিস্টে আসার জন্য। যাই হোক, শুরু করি আজকের পোস্টটি।
গত রবিবার যেহেতু আমার আর আমার এক বান্ধবীর আর তার এক বন্ধুর ছুটির দিন ছিল আর এদিকে আমাদের স্পোকেন ইংলিশ শেষ হয়েছে ১৫ দিন মতো আগে আর এদিকে সার্টিফিকেট দেওয়ার দিন ছিল তাই একসাথে বেরিয়ে পড়লাম তিনজন। আমাদের বাড়ি থেকে যদিও তার দূরত্ব অনেকটাই তাই সকাল সকাল বের হয়েছিলাম তিনজন। কিন্তু গরমে আর রৌদ্রে বেশ ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। যাইহোক, দুপুর ২ টোর মধ্যে আমরা আমাদের কাজ কমপ্লিট করে ফেলেছিলাম। তারপর আমার যেহেতু প্রয়োজনীয় দুটো জিনিস কেনার ছিল, তাই একটা দোকানে গেছিলাম আমি আর আমার বান্ধবী। এদিকে বন্ধুর টিউশন পড়ানো থাকায় সে আগেই চলে এসেছিল। যেহুতু অনেক সকালে বাড়ি থেকে বেরোতে হয় এখন আর রাতে ফিরতে হয় তাই খাবার নিয়ে যাওয়াটা খুবই দরকার। আবার সেটা একটু ভালো থাকাটাও কথা এই গরমে। তাই একটা হটপট টাইপের টিফিন বক্স কিনেছিলাম যেটা আমার অনেকদিনের শখ ছিল। সেটা পরবর্তীতে শেয়ার করবো।
এরপর একটা জুতো কেনারও প্রয়োজন পড়েছিল, জুতোটা যেহেতু বেশ পুরনো হয়ে গিয়েছিল। তবে জুতো দেখে ঠিক পছন্দ করে উঠতে না পারায় সেটা আর কে না হয় নি। তখন যেহেতু প্রায় বেলা ৩:৩০ টে বেজে গিয়েছিল। আর আমাদের ট্রেন ধরে বাড়ি ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যে হয়ে যেত তাই আমরা সামনেই domino's দেখতে পেয়ে সেখানেই ঢুকে পড়লাম। যদিও আমার ইচ্ছে ছিল বিরিয়ানি খাওয়ার। কারণ সেটা আমার অত্যন্ত প্রিয় খাবার। কিন্তু এদিকে বান্ধবীর পিজ্জা খেতে ইচ্ছে করছিল। তাই তার কথাতেই রাজি হয়ে গেলাম। আর সেটা যেহেতু সেই মুহূর্তে আমাদের চোখের সামনেই ছিল , তাই বেশি না ভেবে ঢুকে পড়েছিলাম সেখানে।
গিয়ে সেখানকার স্টাফদের সাথে কথা বলে দুজনের জন্য দুটো পিজ্জা অর্ডার করেছিলাম। যদিও আমরা দুজন দুজনের থেকে শেয়ার করে খেয়েছিলাম। শেয়ার করে খাওয়ার মজাটাই আলাদা। সব রকম খাবারের স্বাদ পাওয়া যায় একটু একটু করে। আমরা অর্ডার করেছিলাম পেপার বারবিকিউ অনিয়ন পিজ্জা উইথ এক্সট্রা চিজ আর চিকেন সসেজ পিজ্জা। চিকেন সসেজ পিজ্জা আমার সবসময় অত্যন্ত প্রিয়। কারণ এতে তিন রকমের ফ্লেভারের মাংস দেওয়া থাকে। আর যেহেতু অনেকদিন পর পিজ্জা খাচ্ছিলাম , তাই আমি এটাই নিয়েছিলাম। তবে দুটো পিজ্জা খেতে অসাধারণ ছিল। যার মানে খাওয়াটা সার্থক হয়েছিল। কোনো খাবারের স্বাদ যদি ভালো হয় , তাহলে সেটা খাওয়া সার্থক বলে মনে হয় । সত্যি পিজ্জা দুটো দেখে আমার এখনো লোভ হচ্ছে।
এই হলো আমার বান্ধবী যার সাথে সেদিন গেছিলাম। যেহেতু আমাদের বাড়ি এক জায়গাতেই তাই আমাদের কোনো অসুবিধা হয় না বাড়ি ফেরা নিয়ে। সেদিন যাওয়ার পথে আমাদের সাথে যে বন্ধু ছিল তাকে দিয়ে এই ফটোগুলো তুলিয়েছিলাম । স্মৃতি হয়ে থাকে এইগুলো একটা বয়সের পর, বিভিন্ন ব্যস্ততার মধ্যেও। যাইহোক,দিনটা বেশ ভালোই কেটেছিল সেদিন।
| পোস্ট বিবরণ | লাইফ স্টাইল |
|---|---|
| ডিভাইস | poco m6 pro |
| ফটোগ্রাফার | @pujaghosh |








https://x.com/GhoshPuja2002/status/1814673241145028954?t=U2Z_pzL90QlB-au7bdI7tA&s=19
বন্ধুদের সাথে বেরনোর একেবারেই আলাদা আনন্দ আছে৷ অনেক কিছু রাস্তায় ঘটানো যায়।
আপনাদের দেখে আমার কলেজের দিনগুলো মনে পড়ছে। তখন অবশ্য হাতে এতো টাকা থাকত না যে পিৎজা কিনে খাবো৷ অবশ্য এসবের চলও ছিল না।
শেয়ার করে খাওয়ার সত্যিই আলাদা মজা আছে। সহমত প্রকাশ করলাম। ভালো থাকবেন এভাবেই৷
আমার আসলে হাতে খুব বেশি একটা টাকা থাকে তা বলবো না। আর থাকলেও সেটা পড়াশোনার কাজেই লাগাচ্ছি আপাতত। তবে আমার বাড়ি থেকে এই জায়গার দূরত্ব প্রায় দুই ঘন্টা। তাই দুপুরে খিদে মেটাতে পিজ্জা খেয়েছিলাম সেদিন। পোস্টটি আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম দিদি। ধন্যবাদ আপনাকে।
বর্তমান পরিস্থিতি আসলেই খুব খারাপ।যাইহোক দিদি,তোমার কবিতা আবৃত্তি কিন্তু খুব মিস করি আমরা।আর তুমি বন্ধুদের সঙ্গে দারুণ সময় উপভোগ করেছো দেখছি।সঙ্গে বেশ কেনাকাটাও করেছো, যাইহোক আগে পড়াশোনা দিদি।মন খারাপ করো না দিদি,আশা করি তুমি পুনরায় এখানে আবার এক্টিভ লিস্টে আসতে পারবে।আর হ্যাঁ, পিজ্জাটি কিন্তু বেশ লোভনীয় লাগছে।
আসলেই পিজ্জাটা খেতে খুব সুন্দর ছিল বোন। ধন্যবাদ তোমাকে সুন্দর একটি মন্তব্য করে উৎসাহ দেওয়ার জন্য।