লাইফস্টাইল পোস্ট, বিয়ের দাওয়াতে একদিন
আমি @rahimakhatun
from Bangladesh
১০ই জানুয়ারি ২০২৫
বিয়ের আগে তেমন কোন প্যারা ছিলো না খালি নিজেকে নিয়ে চিন্তা করতাম কিভাবে সাজবো,কিন্তু এখন তো ছেলেকে নিয়ে চিন্তা তারপর মেয়ে কে নিজে চিন্তা। ছেলের আগে ছুটি নিতে হয় মাদ্রাসা থেকে,তাও আবার কয়েক ঘন্টার জন্য,তারপর এনে গোসল করানো তারপর রেডি করা।দেখা যায় মাদ্রাসা থেকে আসলে ভালো করে গোসল না করালে হয় না,ছোট মানুষ এখন ও তেমন বুঝে আসে নাই। তারপর মেয়েকে নিয়ে ওকে বাসা থেকে না খাওয়ালে ঐখানে যেয়ে ঝামেলা করা থেকে কেউ রক্ষা করতে পারবে না।
তার তো আবার পেমপাস নিয়ে ঘোরা লাগে,যাই হোক ভেবেছিলাম আগে আগে যাবো যেহেতু আমরা জায়গা চিনি না,কিন্তু সবাই মিলে একসাথে মিলিত হতে হতে দেরি হয়ে গেলো।তারপর আর কি সবাই মিলে দুইটা অটো নিলাম।যেতোই আছি আর যেতেই আসি,তারপর নামলাম তারপর রাস্তা পার হয়ে আবার অটোতে উঠালাম এখন তো মহা মুশকিল কারন অটোওয়ালা তো চিনে না।
আমরা বিয়ে বাড়ি পার হয়ে অনেক সামনে চলে গেলাম আবার ঘুরিয়ে জায়গা মত আসলাম।আসতে আসতে প্রায় তিনটা বেজে গেলো,সবাই আগে খেতে গেলাম সেই চারতলায় খাবার,কি আর করার খাবার বেশ ভালোই হয়েছে।
তারপর আর কি খাওয়া শেষ করে আমরা নিচে নেমে গেলাম। কারন বউ না দেখলে কেমন হয়।আজকাল গ্রামের মেয়েরা বেশ ভালো করেই সাজে।বউকে বেশ ভালোই লাগছিলো সাজে।কিন্তু রুমে বেশ আলোর স্বল্পতা ছিলো তাই ছবি খুব বেশি ভালো উঠেনি।বেশ জায়গা বেশ গ্রামের মত।গ্রামের মত বিভিন্ন কিছুর ফসলি জমি।এই যেমন ফুলকপি সরিষা।একেবারে গ্রামের রাস্তার মত।হাইওয়ে রোড থেকে অনেক নিচে জমিগুলো। আমরা সবাই মিলে গ্রাম গ্রাম ফিল পেয়েছি।
খাওয়া দাওয়া শেষ করে বউ এর কিছুক্ষন বসে সবার সাথে কথা বলে বলে সবাই মিলে অটো না পাওয়ার কারনে হেটেই রওনা হলাম। সবাই কথা বলতে বলতে হাটতে গাড়ির রাস্তায় চলে আসলাম।আসলে সবাই মিলে কোথাও যাওয়ার মজাই আলাদা।তাছাড়া ছোট বাচ্চা কে সবাই মিলে কোলে রাখে।আমার মেয়েকে আমার আর কোলে নেওয়া লাগেনি সবাই মিলে কাড়াকাড়ি ওকে নেওয়ার জন্য।
যাই হোক ,আজ এই অব্দি আবার আসবো অন্য কোনো ব্লগ নিয়ে ,সেই অব্দি ভালো থাকবেন ,সুস্থ থাকবেন এই প্রত্যাশায় শেষ করছি।দেখা যাক কি হয় সামনে
এতক্ষন সাথেই থাকার জন্য ধন্যবাদ

