পদ্মা নদীর চরে এক মনকাড়া খামারবাড়ি পর্ব-৬
আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন আশা করি ভাল আছেন আলহামদুলিল্লাহ আমিও অনেক ভালো আছি। আমার গল্পের আজকে আমি আবার ষষ্ঠ পর্ব নিয়ে হাজির হয়েছি। ইতিমধ্যে আমি আপনাদের মাঝে প্রথম থেকে পঞ্চম পর্ব পর্যন্ত শেয়ার করেছি। আশা করি আগের প্রতিটা পর্বই আপনাদের কাছে খুবই ভালো লেগেছে এবং এটাও আশা করি এই পর্বটিও আপনার কাছে খুবই ভালো লাগবে। আমি সব সময় চেষ্টা করি প্রতিটা গল্প খুবই সুন্দর ভাবে উপস্থাপনা করার আপনাদের মাঝে। তাহলে কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করা যাক আমার আজকের ষষ্ঠ পর্বের গল্প।
এই খামারবাড়ি আমাকে আবার নতুন করে গ্রামীণ জীবনের কথা মনে করিয়ে দিল। শহরের কোলাহল ব্যস্ততা আর কৃত্রিমতার বাইরে এমন একটা জায়গা সত্যিই প্রশান্তির। এখানে জীবনটা ধীর গতিতে চলে কিন্তু সেই ধীর গতির মধ্যেই আছে গভীর তৃপ্তি। খামার থেকে বের হওয়ার সময় সূর্যটা প্রায় ডুবে যাচ্ছিল। আকাশে লালচে কমলা আলো ছড়িয়ে পড়েছে। ভেড়ার দল তখনো চরাচরে ঘুরে বেড়াচ্ছে দূরে আখ ক্ষেতের উপর দিয়ে হালকা বাতাস বয়ে যাচ্ছে। মনে হচ্ছিল এই দৃশ্যটা অনেকদিন মনে গেঁথে থাকবে।
পদ্মা নদীর চরের মধ্যে এমন একটি খামারবাড়ি শুধু একটি প্রকল্প নয় বরং পরিশ্রম ধৈর্য আর ভালোবাসার ফল। এই ধরনের উদ্যোগ আমাদের গ্রামীণ অর্থনীতি কৃষি আর প্রাণিসম্পদের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা নিজের চোখে না দেখলে বোঝা যায় না। সেদিনের সেই হঠাৎ পরিদর্শন আমার কাছে শুধু একটি ভ্রমণ ছিল না ছিল শেখার সুযোগ। প্রকৃতির সাথে মিলেমিশে কীভাবে সুন্দরভাবে জীবন গড়ে তোলা যায় সেই শিক্ষাই যেন এই খামারবাড়ি আমাকে দিয়ে গেল। এটাই ছিল আমার আজকের ষষ্ঠ পর্বের গল্প আশা করি পুরো গল্পটি আপনাদের কাছে খুবই ভালো লেগেছে। পরবর্তীতে আমি আবার হাজির হব আপনাদের মাঝে সপ্তম পর্ব নিয়ে। তাহলে বেশি কথা না বাড়িয়ে আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন সেই কামনাই রইল।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |









