অনুভূতিমূলক পোস্ট ||| গরমের অস্বস্তি ||| original writing by @saymaakter.
আসসালামু আলাইকুম। সবাই কেমন আছেন? আশা করছি পরিবারকে নিয়ে সুস্থ সুন্দরভাবে দিনগুলো অতিক্রম করছেন। আমি আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে ভালো আছি।
বরাবরের মতো আবারো হাজির হলাম আপনাদের মাঝে নতুন আরেকটি ব্লগ নিয়ে। আজ আমি আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে বাস্তবতার মুখো মুখি "গরমের অস্বস্তি"
অসুস্থ হচ্ছে মানুষ।
আবহাওয়া এতটা উত্তপ্ত যার কারণে ঘরে ঘরে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়ছে। প্রত্যেকটি পরিবারের মানুষ যেন সবার কাছে সবার কলিজার টুকরা। পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে সেই পরিবারের লোকজনের কেমন লাগে শুধু একমাত্র তারাই উপলব্ধি করতে পারে। কারণ আজকাল সময়ে কারোর প্রতি কারো অতটা মায়া-মমতা নেই। শুধুমাত্র যার যার পরিবার সেখানে একটু মায়ার টান রয়ে গেছে। তাইতো সেই দিক থেকেই কথাগুলো আজ বলছি। এই অস্বস্তিকর গরমে বাড়ছে মানুষের হাই পেশার ডায়াবেটিস যাদের আছে তাদেরও নানান রকমের সমস্যা।
যাদের মাইগ্রেন রয়েছে তাদের তো অনেক কঠিন অবস্থা কারণ একটু বের হলেই মাথায় ব্যথা শুরু হয় এই গরম থেকে। জীবনটাকে সুখে ও আনন্দে কাটাতে হলে জীবনের টাকার প্রয়োজন আর টাকা বা অর্থ উপার্জনের জন্য প্রত্যেকটি মানুষকেই তার কর্মস্থলে গিয়ে কাজ করতে হয়। আমি আমার নিজের দিক থেকেই বলছি। হঠাৎ সুস্থ থাকতে থাকতে কেন জানি প্রচণ্ড গরমে অসুস্থ হয়ে যাই।কারণ আমার রয়েছে মাইগ্রেনের সমস্যা।প্রত্যেকটি মানুষের কিছু না কিছু প্রয়োজনে বাইরে যেতে হয় আর এই বাইরে গেলেই নিজেকে আর কন্ট্রোলে রাখা যায় না মনে হয় গরমে মাথাটা ফেটে গেল আর বাসায় আসার পর অসুস্থ হয়ে যাই।
আমাদের পাশের ফ্ল্যাটের একজন অতিরিক্ত গরমে প্রেসার উঠে স্টক করেছে। সঙ্গে সঙ্গে তাকে হসপিটালে নিয়ে যাওয়া হলো। সৃষ্টিকর্তার কৃপায় সে বেঁচে গেল। চিন্তা করে দেখে এই লোকটির যদি কিছু হত তার ছোট ছোট তিনটি বাচ্চা ছিল তাহলে তাদের কি হতো। রাস্তায় ছাতা নিয়ে চলাফেরা করলেও গরমের তীব্রতা এত বেশি মনে হয় গা দিয়ে ঘেমে গোসল করে আসলাম মাত্র।আবার মানুষের অসুখ-বিসুখেরও তো শেষ নেই।
ছোট ছোট বাচ্চাগুলো তারাও বলতে পারে না যে গরম লাগছে। আর গরমের কারণেই তারা প্রচন্ড কান্নাকাটি করছে।অতিরিক্ত ঘেমে তাদের ঠান্ডা লাগছে এবং তাদের ঠান্ডা জনিত সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছে।আর বাড়ির গৃহিণীদের কথা কি আর বলবো। বেঁচে থাকতে হলে অবশ্যই খেতে হবে আর খাওয়ার জন্য প্রত্যেকটা গৃহিণীকে রান্নাঘরে যেতেই হয়। আর রান্নার সময় কোন ফ্যান জাতীয় জিনিস চালালে চুলা আর জ্বলবে না।
তাইতো গৃহিণীরা ঘেমে অস্থির হয়ে কত কষ্ট করে তার পরিবারের জন্য রান্না করে। এরপর কারেন্টের কোন গ্যারান্টি নেই। এতটা লোডশেডিং কোন কিছু করে শান্তি পাওয়া যায় না। যদি আবহাওয়া টা একটু ঠিক থাকতো তাহলে লোডশেডিং হলেও একটু রক্ষা পাওয়া যেত। কিছুই করার নেই একমাত্র সৃষ্টিকর্তাই পারে আমাদেরকে এই কষ্ট থেকে রক্ষা করতে। এই প্রচন্ড গরমে অস্বস্তিকর আবহাওয়ায় আপনারা বেশি বেশি পানি পান করুন নিজের প্রতি যত্নশীল হন এবং পরিবারের সবার প্রতি যত্নশীল হবেন। একমাত্র আপনার নিজের পরিবারেই আপনার আপনজন। পৃথিবীতে আর সবকিছুই মিছে মায়া কথাটি বাস্তবতা চিরন্তন সত্য।
আজ যাচ্ছি অন্য কোনদিন আবারও হাজির হব নতুন কোন ব্লগ নিয়ে সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।
আমার পরিচয়
আমি মোছাঃ সায়মা আক্তার।আমি একজন ব্লগার, উদ্যোক্তা।কবিতা লিখতে, নতুন কোনো রেসিপি তৈরি করতে এবং নতুন নতুন ডিজাইন সৃষ্টি করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।আমি উদ্যোক্তা জীবনে সব সময় গ্রামের অবহেলিত মহিলাদের নিয়ে কাজ করি।আর এই অবহেলিত মহিলাদের কাজ নিয়ে দেশের স্বনামধন্য কিছু প্রতিষ্ঠানে প্রোভাইড করি এবং দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বর্তমানে বিদেশেও রপ্তানি করছি।আর এসব কিছুর পিছনে আমার এই অবহেলিত মহিলাদের উৎসহ এবং উদ্দীপনায় সম্ভব হয়েছে।তাই সব সময় আমি অবহেলিত মানুষের পাশে থাকতে এবং অবহেলিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে খুব ভালো লাগে।এজন্যই সব সময় অবহেলিত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি এবং তাদের সহযোগিতায় নিজেকে সব সময় সম্পৃক্ত রাখি।আমি ২০২১ সালের আগস্ট মাসে স্টিমিটে যুক্ত হই।আমার বাংলা ব্লগে শুরু থেকে আছি এবং এখন পর্যন্ত আমার বাংলা ব্লগেই ব্লগিং করে যাচ্ছি।
🇧🇩আল্লাহ হাফেজ🇧🇩





Thank you for sharing on steem! I'm witness fuli, and I've given you a free upvote. If you'd like to support me, please consider voting at https://steemitwallet.com/~witnesses 🌟