বিভিন্ন ড্রিংকসের ফটোগ্রাফি

in আমার বাংলা ব্লগ2 years ago

আসসালামু আলাইকুম


আমার প্রিয় বাংলা ব্লগের বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন ?আশা করছি সবাই সুস্থ আছেন, ভালো আছেন।আমিও আল্লাহর রহমতে মোটামুটি ভাল আছি।




বন্ধুরা আজ আবারো আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি নতুন একটি পোস্ট নিয়ে । আজ আমি মূলত একটি ভিন্ন ধরনের পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি ।আজ আমি মূলত কিছু ড্রিংকস এর ফটোগ্রাফি নিয়ে হাজির হয়েছি ।সাধারণত সব সময় ফুড ফটোগ্রাফি শেয়ার করা হয় । কিন্তু কখনো আলাদাভাবে ড্রিংকসের ফটোগ্রাফি শেয়ার করা হয় নি। তাই আজ চিন্তা করলাম আপনাদের মাঝে কিছু ড্রিংকসের ফটোগ্রাফি শেয়ার করি। ড্রিংকস খেতে আমরা সবাই ভীষণ পছন্দ করি। আর এই গরমে বিভিন্ন রকমের ড্রিংস খেতে অন্যরকম মজার ।আজ আমি মূলত যে ড্রিঙ্কস গুলো আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব সেগুলো বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট থেকে খেয়েছিলাম ।এই গরমে ঠান্ডা এক গ্লাস জুস যেমন শরীরের সকল ক্লান্তি দূর করে দেয় সেই সাথে মনটাকেও একদম সতেজ করে দেয়। এক গ্লাস ঠান্ডা জুস খেলে মনে হয় শরীরে অন্যরকম শক্তি পাওয়া যায়। তবে ইদানিং বিভিন্ন ধরনের জুস পাওয়া যায়, যা আগে একটা সময় দেখা যেত না । এখন যা চাওয়া যায় তারই জুস পাওয়া যায় । সেরকমই কিছু জুস আজ আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব । আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে।

বিভিন্ন ড্রিংকসের ফটোগ্রাফি


IMG20240509152125.jpg

প্রথমেই যেই ফটোগ্রাফিটি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এটি হচ্ছে মিন্ট লেমোনেড। এটি খুবই নরমাল একটি জুস ।তবে খেতে খুবই মজার ।বেশ কিছুদিন আগে একটি জুস বারে গিয়েছিলাম ।সেখান থেকে মূলত এটি খাওয়া হয়েছিল ।গরমের ভেতর এ ধরনের জুস খেলে সত্যি ভীষণ তৃপ্তি পাওয়া যায়। দারুন স্বাদের এই জুস টির চাহিদা অনেক। বেশি গরমের ভেতর সবাই এই জুস টি অনেক বেশি পরিমাণে পছন্দ করে।


IMG20240509152540.jpg

এটি হচ্ছে মাল্টার জুস । দীর্ঘদিন আগে একটি জুস বার থেকে এই মালটার জুস টি খেয়েছিলাম । খেতে অসম্ভব মজার ছিল। এভাবে কখনো মাল্টার জুস খাওয়া হয়নি। বাসায় তৈরি করে খাওয়া হয়েছিল। তবে দোকানের টা খেতে অনেক বেশি মজার লেগেছিল। দেখতেও যেমন চমৎকার খেতেও তেমনি সুস্বাদু। প্রচন্ড গরমের ভেতর এরকম এক গ্লাস ঠান্ডা মাল্টার জুস পেলে সত্যিই শরীর মন জুড়িয়ে যায়।


IMG20240514212759.jpg

এটি হচ্ছে চকলেট মিল্কশেক । বেশ কিছুদিন আগে একটি রেস্টুরেন্ট থেকে এই মিল্ক শেক খেয়েছিলাম ।এমনিতে মিল্কশেক আমার খুব একটা খাওয়া হয় নি ।তবে এই রেস্টুরেন্ট থেকে চকলেট মিল্কশেক খাওয়ার ইচ্ছা হয়েছিল তাই অর্ডার করেছিলাম ।এমনিতে আমার ধারণা ছিল চকলেট মিল্কশেক খেতে খুব একটা ভালো হবে না। কিন্তু খাবার পর দেখি এটি খেতে খুবই চমৎকার। একবার খেয়ে এটি খাবার আগ্রহ আরো অনেক বেড়ে গিয়েছে।


IMG20240623220717.jpg

এটি হচ্ছে লাচ্ছি। বেশ কিছুদিন আগে পরিবারের সবাই মিলে একটি রেস্টুরেন্টে গিয়েছিলাম। তখন আমরা এই লাচ্ছি টি অর্ডার করেছিলাম। এই লাচ্ছি টির পরিবেশন একটু ভিন্ন ধরনের ছিল। এমনিতে ড্রিংকস গ্লাসে করে পরিবেশন করে। এখানে দেখলাম বোতলে করে পরিবেশন করেছে। দেখতে বেশ অন্যরকম লাগছিল। খেতে কিন্তু বেশ মজার ছিল ।প্রচন্ড গরমে এরকম এক গ্লাস ঠান্ডা লাচ্ছি আমার কাছে কিন্তু বেশ ভালো লাগে। আমি গরমের ভেতর বাইরে কোথাও গেলে এক গ্লাস ঠান্ডা লাচ্ছি খাওয়ার চেষ্টা করি।


IMG20240608220615.jpg

এটি হচ্ছে সফট ড্রিংকস ।বেশ কিছুদিন আগে বোনের সঙ্গে ঢাকায় একটি রেস্টুরেন্টে গিয়েছিলাম সেখান থেকে এই ড্রিংকস টি খেয়েছিলাম। এ ধরনের ড্রিংকস সবসময়ই ভালো লাগে। আর রেস্টুরেন্টের খাবার গুলো খাবার পর এই ড্রিংকস গুলো না খেলে মনে হয় যেন পুরো খাবার টাই অসম্পূর্ণ থেকে গিয়েছে। শেষে এই ড্রিঙ্কস টি অন্যরকম তৃপ্তি এনে দেয়।


IMG20240514212021.jpg

এটিও আরও একটি মিন্ট লেমোনেড। এটিও একটি রেস্টুরেন্ট থেকে খেয়েছিলাম। এখানে মূলত বিভিন্ন ধরনের খাবার ছিল। তার সঙ্গে এই ড্রিংকস টি অর্ডার করেছিলাম। কেননা এই ড্রিংকস টির মধ্যে একটা আলাদা স্বাদ পাওয়া যায়। আর গরমের ভেতর তো এটি খেতে আমার মনে হয় সবাই ভীষণ পছন্দ করে।


IMG20240510202138.jpg

এটিও একটি লাচ্ছির ফটোগ্রাফি। বেশ কিছুদিন আগে একটি রেস্টুরেন্টে গিয়েছিলাম সেখানে মূলত এই লাচ্ছি টি অর্ডার করেছিলাম। এদের লাচ্ছি টি খেতে বেশ ভালোই ছিল। লাচ্ছি খেতে আমি ভীষণ পছন্দ করি । আর বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট গুলোতে গেলে লাচ্ছি খেয়ে টেস্ট করি কোন রেস্টুরেন্টের লাচ্ছি কেমন । তবে এদের লাচ্ছি টা মোটামুটি ভালোই ছিল। আশা করছি আপনাদের কাছে আমার আজকের ড্রিংসের ফটোগ্রাফি গুলো ভালো লেগেছে।

আজকের মতো এখানেই শেষ করছি ।আগামীতে আবার দেখা হবে নতুন কোন লেখা নিয়ে ।সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন ।আমার ব্লগ টি পড়ার জন্য সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

ফটোগ্রাফার:@wahidasuma
ডিভাইস:OPPO Reno8 T

🔚ধন্যবাদ🔚

@wahidasuma

আমি ওয়াহিদা আফরোজ সুমা।আমি একজন হাউজ ওয়াইফ। সমাজবিজ্ঞানে অনার্স মাস্টার্স করেছি।ঘুরে বেড়াতে , ঘুমাতে এবং গান শুনতে আমি ভীষন পছন্দ করি।বাগান করা আমার শখ।এছাড়াও আর্ট , বিভিন্ন রেসিপি ট্রাই করতেও ভালো লাগে। আমি 🇧🇩বাংলাদেশি🇧🇩।বাংলা আমার মাতৃভাষা।আমি বাংলায় কথা বলতে ও লিখতে ভালোবাসি।ধন্যবাদ আমার বাংলা ব্লগকে এই সুযোগটি করে দেওয়ার জন্য।

VOTE@bangla.witness as witness witness_proxy_vote.png

OR

SET @rme as your proxy

witness_vote.png

logo.gif

Sort:  
 2 years ago 

বেশ ভালো লাগলো একসাথে এতগুলো জুসের ফটোগ্রাফি দেখতে পেয়ে। সত্যি গরমের দিনে ড্রিঙ্কস গুলো অসাধারণ হয়। খেতে যেমন ভালো লাগে শরীরটাও তেমন ঠান্ডা হয়ে যায়। আর একসাথে এতগুলো সফট ড্রিংকসের ফটোগ্রাফি আপনি কালেকশন করে রাখলেন ভালো লাগলো দেখে। প্রতিটি ড্রিংকসের ফটোগ্রাফি অসাধারণ ছিল।

 2 years ago 

হ্যাঁ আপু মোবাইল ঘাটতে ঘাটতে ড্রিংকসের ফটোগ্রাফি গুলো পেয়ে গেলাম। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.

 2 years ago 

এই গরম দুপুরে মজাদার মজাদার সব ড্রিংসের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে পিপাসা বেড়ে গেল।এগুলো আমার সব পছন্দের ড্রিংকস।বিশেষ করে লাচ্চি দেখে আমার এক্ষুনি খেতে ইচ্ছা করছে।যাইহোক মজাদার মজাদার সব ড্রিংসের ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপু।

 2 years ago 

হ্যাঁ ভাইয়া এই গরমে এই ধরনের ড্রিংকস গুলো খেতে সত্যিই ভীষণ ভালো লাগে ।অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।

 2 years ago 

এই তীব্র গরমে এই জাতীয় ছবি আপলোড দেয়ার মধ্যে আমি এক ধরণের ষড়যন্ত্রের আভাস পাচ্ছি। ছবিগুলো দেখেই পিপাসা লেগে গেছে! কী একটা অবস্থা!

 2 years ago 

আমার ফটোগ্রাফি দেখে আপনার পিপাসা পেয়েছে জেনে সত্যিই ভীষণ ভালো লাগলো। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।

 2 years ago 

আমি ভাবছিলাম দাওয়াত-টাওয়াত পামু। 😅

 2 years ago 

বোতলের লাচ্ছি দেখে আমি তো দুধ বা মাটা জাতীয় কিছু ভেবেছিলাম। পরে বুঝলাম বোতল দিয়ে লাচ্ছি পরিবেশন করা তাদের একটি নিউ স্টাইল। গ্লাস দিয়েই লাচ্ছি খেতে হবে এমন কোন নিয়ম নাই। যায়হোক সব গুলো ড্রিংকসের ছবিই দারুন ছিল। ধন্যবাদ।

 2 years ago 

হ্যাঁ ভাইয়া বোতলে লাচ্ছিটা দেখে প্রথম দেখাতে দুধের বোতলই মনে হচ্ছিল। যাই হোক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।

 2 years ago 

এই গরমে বেশ লোভনীয় কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন আপু।দেখেই মনে হচ্ছে এক গ্লাস হাতে তুলে নেই। মিল্কশেক ও লাচ্চি খেতে আমার ভীষণ ভালো লাগে।লোভ সামলানো বড়ই মুশকিল হচ্ছে আপু। যাই হোক ফটোগ্রাফি গুলো কিন্তু বেশ দারুন লাগছে।ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।

 2 years ago 

আপু ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আপনার লোভ লেগেছে জেনে সত্যিই ভীষণ ভালো লাগলো ।অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।

 2 years ago 

ঠিক বলেছেন আপু খাবারের ফটোগ্রাফি তো শেয়ার করা হয় এরকম জুসের ফটোগ্রাফি খুব একটা দেখা যায় না। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে গিয়ে মজার মজার জুস খেয়েছেন। সবগুলো জুস বেশ মজাদার ছিল মনে হচ্ছে। কিন্তু লাচ্ছি দেখে সেদিনের কথা মনে পড়ে গেলো। ভালোই মজাদার ছিল লাচ্ছি।

 2 years ago 

হ্যাঁ পর সেদিনের লাচ্ছিটা খেতে বেশ ভালোই ছিল ।অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য ।ভালো থাকবেন।

 2 years ago (edited)

এই গরমের দিনে শরীরকে ঠান্ডা রাখার জন্য এই জিনিসগুলো আসলেই অনেক কাজে আসে। আর একই সাথে যদি এত লোভনীয় কিছু ড্রিংস এর ফটোগ্রাফি চোখের সামনে চলে আসে তাহলে তো খেতে ইচ্ছা করবেই। এগুলো দেখেই যেন ইচ্ছা করছে এখনই এক ঢোক খেয়ে ফেলি।

 2 years ago 

ভাইয়া আমার ফটোগ্রাফি গুলো দেখেই আপনার খেতে ইচ্ছে করছে জেনে সত্যিই ভীষণ ভালো লাগলো। আসলে ড্রিঙ্কসগুলো কিন্তু মজার ছিল ।অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।

 2 years ago 

এই গরমে বিভিন্ন ড্রিংকস আমাদের শরীর কে সতেজ করে তোলে। আমাদের উচিত বাড়িতে নানা রকমের ড্রিংকস তৈরি করে পান করা।আপনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে নানা টেস্টের জুস খেয়েছেন।আজ সেটাই ফটোগ্রাফি তে শেয়ার করেছেন। একসাথে এতো রকমের জুস দেখে খুবই ভালো লাগলো আপু।অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই আপনাকে আমাদের মাঝে শেয়ার করে নেয়ার জন্য।

 2 years ago 

হ্যাঁ আপু বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে এই জুসগুলো খেয়েছিলাম এবং খেতে বেশ ভালো ছিল ।ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।