হাই ভোল্টেজ ম্যাচ!

in আমার বাংলা ব্লগyesterday
হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি।

1000069880.png

Image Created by OpenAI

আজকে আপনাদের সাথে খেলাধুলা বিষয়ে একটি পোস্ট শেয়ার করে নেবো। গতকাল ইন্ডিয়া আর নিউজিল্যান্ড এর মধ্যে একদিনের আন্তর্জাতিক সিরিজ শেষ হয়েছে। সিরিজের লাস্ট ম্যাচটা খুবই কঠিন একটা ম্যাচ হয়েছে। আর এটা হওয়ারই কথা ছিল, কারণ আগের দুটো ম্যাচে পয়েন্ট সমানে সমানে হয়ে গেছে আর এখন সিরিজ জিততে গেলে উভয় টিমকে কাপের দিকে লক্ষ্য রেখে এগিয়ে যেতে হবে। খেলাটা খুবই হাই ভোল্টেজ এর ছিল। এই খেলাটা হয়েছে ইন্দোর এর পিচে। এই পিচে তুলনামূলক ভালোই রানের পিচ, তবে উইকেট এর দিকেও একটু ফাস্ট আছে। একপ্রকার বলা যায় সমানে সমানে আছে ।

ইন্ডিয়া টস জিতেছিল আর তাদের সিদ্ধান্ত বরাবর যা হয়, তাই হয়েছে। আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো। এটা ছাড়া তাদের আগে ব্যাটিং করলে বিপদ। যাইহোক, নিউজিল্যান্ড আগে ব্যাটিং করতে এসেছিল। তবে ইন্ডিয়া শুরুটা ভালো করেছিলো। হর্ষিত আর অর্শদ্বীপকে দিয়ে ওপেনিং শুরু করে দিয়েছিলো। ভালোই বল করেছিলো, কারণ ৫-৬ ওভারের মধ্যেই ২ উইকেট পড়ে গিয়েছিল। লেন্থ ভালো ছিল। তবে নিউজিল্যান্ড এর একটা বিষয় দেখলাম, এদের ওপেন এর থেকে মিডল অর্ডার এর ব্যাটসম্যান অনেক স্ট্রং। পরপর ৩ জন পড়ে যাওয়ার পরে মনে হচ্ছিলো যেনো, নিউজিল্যান্ড আটকে যাবে কম রানের মধ্যে।

কিন্তু মিচেল আর ফিলিপস যেনো বিষয়টিকে কোনো কিছুর প্রভাব পড়তে দেয়নি অর্থাৎ আগের ৩ টে উইকেট পড়ে গিয়ে যে একটা প্রভাব পড়েছিলো, সেটা যেনো মুহূর্তের মধ্যে রিকভার হয়ে গেলো। দারুণ ব্যাটিং করছিলো, সাথে দারুণ পার্টনারশিপ গড়ে যাচ্ছিলো একের পর এক। শুধুমাত্র এই দুইজন এর সেঞ্চুরির কারণে এই ম্যাচ এতো বড়ো হয়ে গেলো। লাস্ট এর দিকে এসে বোলিং সব কেমন যেনো কাজই করছিলো না। প্রত্যেকটা ওভারে, বিশেষ করে লাস্ট ১০ ওভারে যেনো ইচ্ছেমতো মেরে দিয়েছে। যাইহোক, হিসেবে রান একটু বেশিই হয়ে গেছিল। ওরাও জানতো এইরকম রান না করলে ইন্ডিয়ার সাথে পারা যাবে না, কারণ ইন্ডিয়া চেজ খেলে খুব ভালো।

ইন্ডিয়া ওপেন এর দিকে এই ম্যাচে অনেক খারাপ পরিস্থিতি ছিল। দুজনেই রান না করে আউট হয়ে গেছে। এই ম্যাচে জরুরি ছিল বেশিই, কিন্তু সেখানেই সমস্যা করে ফেলেছিল। আর নিউজিল্যান্ড হলো ফিল্ডিং এর দিকে এক নম্বর। তারা মোটামুটি চেষ্টা করবেই বাউন্ডারি আটকানোর। কোহলি আসার পরে রান একটু অ্যাডজাস্ট হয়, কারণ একমাত্র এই ভরসা ছিল। বাকি শ্রেয়াস, রাহুল সবাই কোনো রান না করেই আউট হয়ে গেছে। সব মিলিয়ে বিষয়টা এলোমেলো হয়ে গেছিল যেনো। তারপরেও ম্যাচের আসা একমাত্র কোহলির উপরে বেঁচে ছিল। কিন্তু একা একা কতদূর করবে আর, একটু সাপোর্ট এর লোকজন যদি না থাকে। যদিও হর্ষিত একটু খেলে যাচ্ছিল বলে কিছুটা সাপোর্ট পেয়েছিলো, কিন্তু শেষে ক্যাচ তুলে সব আসা শেষ করে দিলো। যাইহোক ম্যাচটা দারুণ উত্তেজনাপূর্ণ ছিল।


শুভেচ্ছান্তে, @winkles


Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power

250 SP500 SP1000 SP2000 SP5000 SP

Heroism_3rd.png