প্রাচীন মন্দিরের গোপন কক্ষ ( পর্ব ৪ )
Image Created by OpenAI
আজকে আপনাদের সাথে 'প্রাচীন মন্দিরের গোপন কক্ষ' গল্পের চতুর্থ পর্ব শেয়ার করে নেবো। এরপর তারা সেখানে দেখলো, দেয়ালের অনেক অংশ ভেঙে পড়েছে। শত শত বছরের শ্যাওলা আর লতা-পাতা তার গায়ে জড়িয়ে আছে।চারপাশে এমন নীরবতা যেন সময় থেমে গেছে।একটা কাকও ডাকছে না, একটা পাখিও উড়ছে না, শুধু বাতাসের শব্দ। অরিন্দম মানচিত্র বের করল এবং দেখলো- মন্দিরের চারটি প্রধান স্তম্ভ এখনও দাঁড়িয়ে আছে। সে বাক্যটা মনে করল- চতুর্থ স্তম্ভের ছায়া যখন দেবমূর্তির চরণ স্পর্শ করবে। এরপর মেঘলা বলল- সম্ভবত এটা কোনো সময়ের সংকেত। তারা গর্ভগৃহের দিকে এগোল, সেখানে এখনও কালভৈরবের ভগ্ন মূর্তি দাঁড়িয়ে আছে।
মূর্তির চোখ দুটি যেন অন্ধকারের মধ্যেও জ্বলজ্বল করছে। রাহুল ছবি তুলতে গিয়ে হঠাৎ থেমে গেল।সেখানে রাহুল কাঁপা গলায় বলল- এক মিনিট! কী হয়েছে? আমি ক্যামেরায় কিছু দেখেছি। সে বললো- কী দেখতে পাচ্ছ? সে ক্যামেরার স্ক্রিন দেখাল। কয়েক সেকেন্ড আগের ছবিতে তাদের পেছনে দাঁড়িয়ে ছিল একজন মানুষ। সাদা পোশাক পরা, মুখ স্পষ্ট নয়। কিন্তু তারা ছবি তোলার সময় সেখানে কেউ ছিল না। তিনজনের মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেল, রাহুল দ্রুত পেছনে তাকাল। কিন্তু সেখানে কেউ নেই, চারপাশ ফাঁকা।মেঘলা নিজেকে সামলে বলল- হয়তো আলো-ছায়ার খেলা। কিন্তু তার গলাতেও আত্মবিশ্বাস ছিল না। ঠিক তখনই গর্ভগৃহের ভেতর থেকে ভেসে এল এক অদ্ভুত শব্দ। মনে হলো যেন কোথাও ভারী পাথর ঘষে সরানো হচ্ছে।.....
