প্রাচীন মন্দিরের গোপন কক্ষ ( পর্ব ১২ )
Image Created by OpenAI
আজকে আপনাদের সাথে 'প্রাচীন মন্দিরের গোপন কক্ষ' গল্পের দ্বাদশ পর্ব শেয়ার করে নেবো। তো এরপরে আলো ফিরে আসতেই দেখলো কক্ষ খালি, কেউ নেই। না সেই প্রহরী, না ছায়ামূর্তি গুলো। যেন কিছুই ঘটেনি। কিন্তু তাদের মুখের ভয় প্রমাণ করছিল, সবকিছু বাস্তব ছিল। মেঘলা ধীরে ধীরে বলল- আমরা কি কোনো আত্মিক জায়গায় এসে পড়েছি? অরিন্দম উত্তর দিল না, তার চোখ তখন সেই বিশাল দরজার দিকে। দরজাটা এখনও খোলা। অন্ধকার পথটি ভেতরে চলে গেছে আর আশ্চর্যের বিষয়, মাটিতে নতুন কিছু দেখা যাচ্ছে।অনেকগুলো পদচিহ্ন, যেন কেউ কিছুক্ষণ আগেই ওই পথ দিয়ে ভেতরে গেছে। এরপর রাহুল বলল- আমার মনে হয় আমাদের এখানেই থামা উচিত।অরিন্দম মাথা নাড়ল আর বললো- না।
এরপর সে বললো- —না মানে? আমার দাদুর নাম এই কক্ষে কেন লেখা আছে, সেটা না জেনে আমি ফিরব না। মেঘলা বলল- আমিও যেতে চাই। রাহুল অসহায়ভাবে দীর্ঘশ্বাস ফেলল আর বললো-তোমরা দুজনই পাগল। তবু সে তাদের ছেড়ে গেল না। তিনজন আবার পথ ধরল আর দরজার ভেতরের করিডোরটি আগের সুড়ঙ্গের চেয়ে অনেক বড়। দুই পাশে সারি সারি পাথরের স্তম্ভ, প্রতিটি স্তম্ভে খোদাই করা রয়েছে অদ্ভুত দৃশ্য।টর্চের আলো ফেলে তারা দেখতে পেল- কোথাও কিছু মানুষ একটি বিশাল দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। কোথাও একদল পুরোহিত আগুন জ্বালিয়ে মন্ত্র পড়ছে। কোথাও আবার দেখা যাচ্ছে কালো ছায়ার মতো কিছু একটা মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে।.....
