প্রাচীন মন্দিরের গোপন কক্ষ ( পর্ব ৬ )
Image Created by OpenAI
আজকে আপনাদের সাথে 'প্রাচীন মন্দিরের গোপন কক্ষ' গল্পের ষষ্ঠ পর্ব শেয়ার করে নেবো। এরপর মুহূর্তের জন্য মনে হচ্ছিল যেন পৃথিবীর সমস্ত সাহস তাদের শরীর ছেড়ে বেরিয়ে গেছে।রাহুল কাঁপা গলায় বলল- আমি বলছি কী, আজকের মতো ফিরে যাই, ব্যাপারটা স্বাভাবিক মনে হচ্ছে না। মেঘলা তখন কোনো উত্তর দিল না।সে গভীর মনোযোগ দিয়ে অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে ছিল। অরিন্দমও কিছুক্ষণ চুপ করে রইল, তারপর ধীরে ধীরে টর্চের আলো আবার সিঁড়ির দিকে ফেলল। আলো পড়তেই তারা অবাক হয়ে গেল। কয়েক সেকেন্ড আগেও যে দুটি চোখ জ্বলছিল, সেগুলো কোথাও নেই, শুধু পাথরের সিঁড়ি আর অন্তহীন অন্ধকার। রাহুল ফিসফিস করে বলল- তোমরা দেখেছিলে তো? সে বললো- হ্যাঁ।
তারপর সে জিজ্ঞাসা করলো- তাহলে চোখ দুটো গেল কোথায়? কেউ উত্তর দিতে পারল না। মেঘলা সাহস করে সামনে এগিয়ে গেল এবং সে সিঁড়ির মুখের কাছে বসে মাটি পরীক্ষা করতে লাগল।কিছুক্ষণ পর বলল- দেখো! অরিন্দম আর রাহুল কাছে এগিয়ে এল। মেঘলা আঙুল দিয়ে দেখাল।ধুলোর উপর স্পষ্ট কিছু পায়ের ছাপ রয়েছে। কিন্তু সেগুলো মানুষের নয়। প্রতিটি ছাপে মাত্র তিনটি আঙুলের মতো দাগ এবং আশ্চর্যের বিষয়, ছাপগুলো সিঁড়ি বেয়ে উপরে আসেনি। বরং নিচের দিকে নেমে গেছে। যেন কোনো কিছু সেখান থেকে আরও গভীরে চলে গেছে। রাহুলের মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেল। এরপর সে বললো- আমি এসব মোটেও পছন্দ করছি না। অরিন্দম গভীর নিঃশ্বাস নিল।তার মনে হচ্ছিল, এতদিনের রহস্যের দরজা আজ খুলতে চলেছে।.....
