প্রতিবেশীর ইফতার পার্টিতে কিছুক্ষণ
আসসালামুআলাইকুম,
বন্ধুরা সকলে কেমন আছেন? আশা করি ভালোই আছেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
দেখতে দেখতেই রোজা প্রায় শেষের পথে।আর মাত্র চার থেকে পাঁচটি রোজা রয়েছে।দুই তিন দিন আগে আমার প্রতিবেশীর বাসায় ছোট্ট একটি ইফতার পার্টির আয়োজন করা হয়েছিল।যদিও আমাদের বাসার চারিপাশে বাংলাদেশী নেই বললেই চলে,তবে দুই তিনটি মুসলিম ফ্যামিলি রয়েছে।আর একটি মাত্র বাঙালি ফ্যামিলি রয়েছে।তবে আমাদের বাসা থেকে একটু দূরে চারিপাশে বাংলাদেশীরা বেশ ভালই ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।তাদের সাথে মোটামুটি বেশ ভালই সম্পর্ক রয়েছে।যাইহোক আমাদের প্রতিবেশীর বাসায় সকলে মিলে বেশ ভালই এনজয় করেছিলাম।ভাসুরের ফ্যামিলিকেও ইনভাইট করা হয়েছিল, এ ছাড়া আরও বেশ কিছু বাঙালিও ছিল সেই পার্টিতে।সকলে মিলে মোটামুটি ২০-২৫ জনের মত হবে।
আসলে পার্টি করার উদ্দেশ্য ছিল প্রতিবেশীর ছেলের বউয়ের বাড়ি থেকে ইফতার এসেছিল।আর সিলেটের ঐতিহ্য রোজার সময় মেয়ের বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়িতে ইফতার পাঠানো।আর এই ঐতিহ্যটা লন্ডনেও সিলেটিরা ধরে রেখেছে।তবে আমার কাছে এই ট্রেডিশন মোটেও ভালো লাগে না। লন্ডনে হয়তো মোটামুটি ঠিক আছে, সকলে কিছু না কিছু আয়োজন করতে পারবে। কিন্তু বাংলাদেশে গরিব ও মধ্যবিত্ত যারা রয়েছে তারা কিভাবে তাদের মেয়ের বাড়িতে ইফতার পাঠাবে।আর না দিলেও অনেক কথা শুনতে হয় মেয়েকে।এই নিয়মটি আসলেই আমাকে খুব কষ্ট দেয়।
যাইহোক এতো খাবার-দাবার মেয়ের বাড়ি থেকে পাঠানো হয়েছে যা গুনে ও লিখে শেষ করতে পারবো না।প্রতি বছরই এভাবে মেয়ের বাড়ি থেকে ছেলের বাড়িতে ইফতার পাঠানো হয়।আর এটি ছিল তাদের প্রথম ইফতার পাঠানো, কারণ বিয়ের এক বছর পূর্ণ হয়েছে তাদের।যাই হোক আমরা সকলে বেশ মজা করেই উপভোগ করেছি ইফতারগুলো। কিন্তু ইফতারের সময় এত বেশি খাবার খাওয়া যায় না, তারপরও যতটুকু সম্ভব ততটুকই বেশ ভালই এনজয় করেছি।
| Photographer | @tangera |
|---|---|
| Device | I phone 15 Pro Max |
বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন।আশাকরি আপনাদের ভালো লেগেছে।
পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হব আপনাদের মাঝে।
ধন্যবাদ,

👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR








