শিরোনাম: "বন্ধুত্বের সেতু" গল্পের সারাংশ:

বন্ধুত্বের সেতু
গল্পের সারাংশ
একটি ছোট্ট গ্রামে বাস করত দুই বন্ধু, রাহুল এবং সোহান। তারা ছোটবেলা থেকেই একসাথে খেলাধুলা করত, পড়াশোনা করত এবং একে অপরের সুখ-দুঃখে সঙ্গী হতো। কিন্তু একদিন গ্রামে একটি বড় সমস্যা দেখা দিল। গ্রামের নদীটি শুকিয়ে যেতে শুরু করল এবং গ্রামের মানুষদের জন্য পানি সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়ল।
রাহুল এবং সোহান সিদ্ধান্ত নিল, তারা একসাথে এই সমস্যার সমাধান করবে। তারা জানতে পারল, নদীর উভয় পাশে দুটি ভিন্ন গ্রাম রয়েছে, যারা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে চায়, কিন্তু নদী শুকিয়ে যাওয়ার কারণে তাদের মধ্যে যোগাযোগ বিঘ্নিত হচ্ছে।
তারা ভাবল, যদি তারা একটি সেতু নির্মাণ করতে পারে, তাহলে দুই গ্রামের মানুষ একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারবে এবং পানি সমস্যার সমাধানও হবে। রাহুল এবং সোহান তাদের বন্ধুদের সাথে মিলে কাজ শুরু করল। তারা নদীর ধারে গাছের ডাল, পাথর এবং অন্যান্য উপকরণ সংগ্রহ করতে লাগল।
কিছু সপ্তাহের পর, তাদের কঠোর পরিশ্রমের ফলস্বরূপ একটি সুন্দর সেতু নির্মাণ হলো। সেতুটি শুধু দুই গ্রামের মানুষের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যমই হলো না, বরং এটি তাদের বন্ধুত্বের প্রতীকও হয়ে গেল।
গ্রামের মানুষরা সেতু পার হয়ে একে অপরের সাথে দেখা করতে লাগল, পানি ভাগাভাগি করতে লাগল এবং একসাথে কাজ করতে লাগল। রাহুল এবং সোহান বুঝতে পারল, বন্ধুত্বের শক্তি কতটা মহান। তাদের বন্ধুত্বের মাধ্যমে তারা শুধু নিজেদের মধ্যে নয়, বরং পুরো গ্রামে একটি নতুন জীবন শুরু করতে পেরেছে।
এভাবেই "বন্ধুত্বের সেতু" তৈরি হলো, যা শুধু একটি স্থাপনা নয়, বরং মানুষের হৃদয়ের সেতু। বন্ধুত্বের শক্তি সবসময় যে কোনো বাধা অতিক্রম করতে পারে, সেই বার্তাই দেয় এই গল্প।

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.