**গল্পের বিষয়: "বন্ধুত্বের অমূল্য রত্ন"** গ

বন্ধুত্বের অমূল্য রত্ন
একটি ছোট্ট গ্রামে বাস করত দুই বন্ধু, রাহুল এবং সোহান। তারা একে অপরের সঙ্গে ছোটবেলা থেকে বড় হয়েছে। রাহুল ছিল খুব বুদ্ধিমান এবং পড়াশোনায় ভালো, আর সোহান ছিল খেলাধুলায় প্রতিভাবান। তারা একে অপরের পরিপূরক ছিল।
একদিন, গ্রামে একটি পুরনো মন্দিরের কথা শোনা গেল, যেখানে একটি অমূল্য রত্ন ছিল। সেই রত্নের গুণাবলী ছিল অপার, বলেছিল যে যারা সেই রত্নের মালিক হবে, তারা জীবনে সুখ এবং সফলতা পাবে। রাহুল এবং সোহান সিদ্ধান্ত নিল তারা সেই রত্ন খুঁজে বের করবে।
তারা মন্দিরের দিকে রওনা হলো। পথের মধ্যে অনেক বাধা আসলো। প্রথমে তাদের একটি গভীর নদী পার হতে হলো। রাহুল সাঁতার জানত না, কিন্তু সোহান তাকে সাহায্য করে নদী পার হতে সাহায্য করল। এরপর, তারা একটি ঘন বন পেরোতে হলো, যেখানে অনেক বিপদ ছিল। কিন্তু তারা একসঙ্গে কাজ করে সব বিপদ অতিক্রম করল।
শেষে, তারা মন্দিরে পৌঁছালো। সেখানে একটি পুরনো পাথরের মূর্তি ছিল, যার পায়ের নিচে রত্নটি ছিল। কিন্তু রত্নটি পাওয়ার জন্য তাদের একটি কঠিন ধাঁধা সমাধান করতে হলো। রাহুল তার বুদ্ধিমত্তা দিয়ে ধাঁধাটি সমাধান করল, এবং রত্নটি তাদের হাতে এলো।
তবে, যখন তারা রত্নটি হাতে নেয়, তখন তারা বুঝতে পারল যে আসল রত্ন তো তাদের বন্ধুত্ব। তারা একে অপরের জন্য যে সহানুভূতি, সহায়তা এবং ভালোবাসা দেখিয়েছে, সেটিই আসল অমূল্য রত্ন।
রাহুল এবং সোহান সিদ্ধান্ত নিল তারা রত্নটি গ্রামে ফিরে গিয়ে সবাইকে দেখাবে। তারা জানত, বন্ধুত্বের শক্তি সবকিছুর থেকে বড়। তারা বুঝতে পারল, জীবনে সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস হলো সত্যিকারের বন্ধুত্ব।
সেই থেকে, তারা একসঙ্গে সুখে দুঃখে জীবন কাটাতে লাগল, এবং তাদের বন্ধুত্বের অমূল্য রত্ন সবসময় তাদের সঙ্গে রইল।
এভাবেই বন্ধুত্বের অমূল্য রত্ন তাদের জীবনকে আলোকিত করল।

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.