শিলাইদহ কুঠিবাড়ি পর্ব-৬
আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন আশা করি ভাল আছেন। ইতিমধ্যে আমি প্রথম থেকে পঞ্চম পর্ব শেয়ার করেছি। আজ আমি চলে এসেছি ষষ্ঠ পর্ব নিয়ে। আশা করি প্রতিটা পর্বই আপনাদের কাছে খুবই ভালো লেগেছে। এই পর্বটিও আপনাদের কাছে খুবই ভালো লাগবে এটা আমি আশা করি। আমি প্রতিনিয়তই গল্পগুলো সুন্দরভাবে উপস্থাপনা করার চেষ্টা করি আপনাদের মাঝে। তাহলে কথা না বাড়িয়ে চলন শুরু করা যাক আমার আজকের ষষ্ঠ পর্বের গল্প।
কিছুদিন আগে ঘুরে আসার সুযোগ হয়েছিল বাংলা সাহিত্যের আকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্র বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে। কুষ্টিয়ার এই ঐতিহাসিক স্থানটি শুধু একটি পর্যটনকেন্দ্র নয় বরং এটি বাংলা সাহিত্য সংস্কৃতি ও মননের এক জীবন্ত সাক্ষ্য। কুঠিবাড়ির ভেতরে পা রাখার মুহূর্ত থেকেই মনে হচ্ছিল আমি যেন সময়ের স্রোত পেরিয়ে শতবর্ষ আগের এক আলোকিত যুগে প্রবেশ করেছি। চারিদিকে ছড়িয়ে থাকা সবুজ গাছপালা খোলা আকাশ আর নীরব পরিবেশ মনকে এক অদ্ভুত প্রশান্তিতে ভরে দেয়। শহরের কোলাহল থেকে অনেক দূরে প্রকৃতির কোলে দাঁড়িয়ে থাকা এই কুঠিবাড়িটি যেন রবীন্দ্রনাথের জীবনবোধেরই প্রতিচ্ছবি। শান্ত গভীর এবং চিন্তাশীল। সামনে এগিয়ে যেতেই চোখে পড়ে লাল রঙের ঐতিহাসিক ভবনটি পরিপাটি সুসংরক্ষিত এবং মর্যাদাপূর্ণ এক স্থাপত্য। সূর্যের আলোয় কুঠিবাড়ির রঙ আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠেছিল যেন ইতিহাস নিজেই নিজের সৌন্দর্য তুলে ধরছে।
কুঠিবাড়ির ভেতরে প্রবেশ করতেই শুরু হয় আরেক রকম অভিজ্ঞতা। এটি এখন একটি জাদুঘর যেখানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যবহারিত নানা জিনিসপত্র অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে সংরক্ষণ করা হয়েছে। প্রতিটি আসবাবপত্র প্রতিটি সামগ্রী যেন তার জীবনের কোনো না কোনো গল্প বলছে। কাঠের তৈরি পুরোনো চেয়ার টেবিল আলনা সবকিছুতেই সময়ের ছাপ স্পষ্ট কিন্তু তাতে কোনো জীর্ণতা নেই আছে শুধুই ইতিহাসের গন্ধ। এটাই ছিল আমার আজকের ষষ্ঠ পর্বের গল্প। আশা করি পুরো গল্পটি আপনাদের কাছে খুবই ভালো লেগেছে। পরবর্তীতে আপনাদের মাঝে আমি শেয়ার করব সপ্তম পর্ব। আশা করি প্রতিটা পর্বই প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সবগুলোই আপনাদের কাছে খুবই ভালো লেগেছে। তাহলে কথা না বাড়িয়ে আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই কামনাই রইল।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |



