শিলাইদহ কুঠিবাড়ি পর্ব-১৩
আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন আশা করি ভাল আছেন। আমিও আপনাদের সবার দোয়ায় আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো আছি। আজ আমি আবার হাজির হয়েছি ১৩ নাম্বার পর্ব নিয়ে। ইতিমধ্যে আমি আপনাদের মাঝে ১২ টি পর্ব শেয়ার করেছি আশা করি প্রতিটা পর্ব আপনাদের সবার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। তাহলে কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করা যাক আমার আজকের ১৩ নাম্বার পর্বের গল্প।
জাদুঘরের দেয়ালে ঝোলানো তার বিভিন্ন চিঠির অনুলিপি পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল রবীন্দ্রনাথ কতটা সংবেদনশীল মানুষ ছিলেন। তার চিঠিগুলোতে ফুটে উঠেছে জীবনের নানা দিক সুখ, দুঃখ ক্লান্তি আশা ভালোবাসা। এই চিঠিগুলো পড়ে বোঝা যায় তিনি শুধু একজন মহান কবি নন একজন গভীর মানবিক মানুষও ছিলেন যিনি মানুষের অনুভূতিকে শ্রদ্ধা করতে জানতেন। শিলাইদহ কুঠিবাড়ির সঙ্গে পদ্মা নদীর সম্পর্কও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও ছবিতে নদীটি সরাসরি দেখা যায় না এই নদীর তীরেই বসে তিনি উপলব্ধি করেছিলেন প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক যা তার সাহিত্যকে করেছে কুঠিবাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে দূরের দিগন্তের দিকে তাকালে মনে হয় এই বিস্তৃত প্রান্তরই তাকে মুক্ত চিন্তার অনুপ্রেরণা দিয়েছিল। শহরের সীমাবদ্ধ জীবনের বাইরে এসে তিনি এখানে প্রকৃতির সঙ্গে একাত্ম হতে পেরেছিলেন।
সেই অভিজ্ঞতা আজও এই জায়গায় এলে অনুভব করা যায় যদি কেউ মন খুলে দেখতে চায়। এই ভ্রমণের এক পর্যায়ে আমি কিছুক্ষণ একা বসে ছিলাম কুঠিবাড়ির উঠোনে। চারপাশে মানুষের চলাচল থাকলেও মনে হচ্ছিল আমি একা নই। যেন অদৃশ্যভাবে রবীন্দ্রনাথের উপস্থিতি টের পাচ্ছিলাম তার ভাবনা তার শব্দ তার নীরবতা। এই অনুভূতিটা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন কিন্তু এটি ভ্রমণের সবচেয়ে মূল্যবান অংশ ছিল। শিলাইদহ কুঠিবাড়ি শুধু রবীন্দ্রনাথের স্মৃতি বহন করে না এটি আমাদের ইতিহাসবোধকেও করে। এটাই ছিল আমার আজকের ১৩ নম্বর পর্বের গল্প আশা করি পুরো গল্পটি আপনাদের সবার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। পরবর্তীতে আমি হাজির হব আপনাদের মাঝে এই গল্পের শেষ পর্ব নিয়ে। আশা করি প্রতিটি পর্বই আপনাদের সবার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। তাহলে আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন সেই কামনাই রইল আল্লাহ হাফেজ।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |



