শিলাইদহ কুঠিবাড়ি শেষ পর্ব
আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন আশা করি ভাল আছেন আমিও আপনাদের সবার দোয়ায় আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আপনারা জানেন আমি বেশ কিছুদিন ধরে পর্ব আকারে কুঠিবাড়ি ঘুরতে যাওয়ার গল্প এবং ফটোগ্রাফি আপনাদের কাছে শেয়ার করে এসেছি। আজ আমার শেষ পর্ব পরবর্তীতে আমি হাজির হব আপনাদের মাঝে নতুন অন্য কোন গল্প নিয়ে। আশা করি আপনাদের সবার কাছে ভালো লেগেছে কুঠিবাড়ি র প্রথম থেকে শেষ পর্ব পর্যন্ত। এই গল্পতে আমি মোট ১৪ টি পর্ব আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। তাহলে কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করা যাক আমার আজকের শেষ পর্বের গল্প।
এই ধরনের স্থান সংরক্ষণ করা মানে শুধু অতীতকে ধরে রাখা নয় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য শেকড়কে শক্ত করা। আজকের প্রজন্মের জন্য শিলাইদহ কুঠিবাড়ির গুরুত্ব আলাদা করে উল্লেখ করার মতো। যারা রবীন্দ্রনাথকে শুধু পাঠ্যবইয়ের লেখক হিসেবে চেনে তাদের জন্য এই জায়গা চোখ খুলে দেওয়ার মতো। এখানে এসে তারা দেখতে পাবে একজন মানুষ কীভাবে নিজের সময় নিজের পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বমানের সাহিত্য সৃষ্টি করতে পারেন। ভ্রমণ শেষে যখন কুঠিবাড়ি থেকে বেরিয়ে আসছিলাম তখন মনে হচ্ছিল আমি কিছু রেখে যাচ্ছি আবার কিছু নিয়ে যাচ্ছি। রেখে যাচ্ছি নিজের কিছু প্রশ্ন নিজের কিছু ক্লান্তি আর নিয়ে যাচ্ছি শান্তি অনুপ্রেরণা আর গভীর শ্রদ্ধা। এই অনুভূতিগুলোই একটি ভ্রমণকে সার্থক করে তোলে।
সব মিলিয়ে শিলাইদহ কুঠিবাড়ি আমার কাছে শুধু একটি দর্শনীয় স্থান নয় এটি একটি ভাবনার আশ্রয়। এখানে এসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নতুনভাবে চিনেছি নতুনভাবে অনুভব করেছি। তার জীবন তার দর্শন তার সৃষ্টির পেছনের পরিবেশ সবকিছু মিলিয়ে এই জায়গাটি আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। এটাই ছিল আমার আজকের শেষ পর্বের গল্প। এই পর্বের মাধ্যমেই আমি কুঠিবাড়ি র পুরো গল্প পর্বগুলো শেষ করলাম। আশা করি প্রথম থেকে শেষ পর্ব পর্যন্ত প্রতিটা পর্বই আপনাদের সবার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। আবার দেখা হবে অন্য কোন গল্প নিয়ে অন্য কোন দিন। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন সেই কামনা রইল আল্লাহ হাফেজ।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |








