পুরনো দিনের ডায়েরি ( পর্ব ১২ )
Image Created by OpenAI
আপনাদের সাথে "পুরনো দিনের ডায়েরি" গল্পের দ্বাদশ পর্ব শেয়ার করে নেবো। তো ব্যাগের ভেতরে আর কিছুই ছিল না। সেই টিকিট আর একটা পুরোনো পেন, যাতে বাবার নাম খোদাই করে লেখা আছে। তো রাহুল ভাবলো যে, এটা আর কোনো কাকতালীয় বিষয় নয়। স্টেশন এর সাথে একটা গভীর সংযোগ রয়েছে বাবার। রাহুল পরেরদিন সেই স্টেশন যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলো। কিন্তু রাহুল কাউকে কিছু বলিনি। তার মাকে আসলে কিভাবে বলবে যে, বাবার জীবনে আরো একজন নারী ছিল। তাই তার মাকে এই কথা বলার সাহস নেই বলে কিছুই বলেনি। তো পরেরদিন সকালের ট্রেন ধরল । কিন্তু যখন ট্রেন ছাড়তে শুরু করলো, তখন বাইরের দিকে সবকিছু বদলাতে লাগলো।
বলতে গেলে শহরের থেকে গ্রামের দিকে গেলে যেরকম দেখতে হয় আর কি। চন্দনপুর স্টেশন প্রায় রাহুলের ওখান থেকে ৪ ঘণ্টার পথ এবং এরপরে স্টেশনে নামার সাথে সাথে রাহুলের বুকের ভেতরটা মোচোড় দিয়ে উঠলো। স্টেশনটা একদম ছোটো এবং বলতে গেলে দুটো প্ল্যাটফর্ম এর উপরে দাঁড়িয়ে। তবে ওখানে একটা পুরোনো ঘড়ি লাগানো আছে আর ওই স্টেশনে লোকজন একদম কম। তো যাইহোক, এই প্ল্যাটফর্ম-এ নামতেই মনে হলো রাহুল আগে এখানে এসেছিল। তবে বাস্তবে কিন্তু রাহুল এখানে আগে আসেনি। ডায়েরির শেষ লাইনটা হঠাৎ মনে পড়ে গেলো- স্টেশনটা আমায় ডাকছে।...
