পুরনো দিনের ডায়েরি ( পর্ব ২২ )
Image Created by OpenAI
আপনাদের সাথে "পুরনো দিনের ডায়েরি" গল্পের ২২ তম পর্ব শেয়ার করে নেবো। তো রাতে রাহুল যখন আবারো ডায়েরি খুলল, তখন শেষের পাতার দিকে ছেঁড়া দেখতে পায়। তখন আরো একটা প্রশ্ন মনের মধ্যে ঘুরপাক খেতে লাগে অর্থাৎ এই ডায়েরির একটা অংশ কি আলাদা করা হয়েছিলো? তখন রাহুলের মনে পড়লো যে, বাবার বইয়ের তাকের উপরে একটা উপন্যাস রাখা ছিল আর সেটা কেউ পড়তো না। তখন রাহুল একটা চেয়ার নিয়ে গিয়ে তাকের উপর থেকে বইটা নামিয়ে নিলো। এরপর রাহুল বইয়ের পাতা উল্টোতে থাকে এবং তখন সেখান থেকে একটা পাতলা খাতার মতো কিছু নিচে পড়ে গেলো।খাতার উপরে আবার সাদা মলাট দিয়ে ঢাকা, কিন্তু উপরে কারো নাম নেই।
যাইহোক, রাহুল বসে পড়লো এবং খাতার প্রথম পৃষ্ঠা উল্টালো। প্রথম পাতায় মালতি নামটা দিয়েই শুরু। লেখা ছিল- মালতি, এই ডায়েরিটা তোমার জন্য লেখা। যদি কখনো পড়ো, তাহলে বুঝতে পারবে আমি চেষ্টা করেছিলাম। সাথে সাথে কি হয়ে গেলো, যেনো সবকিছু অন্যরকম লাগলো। রাহুলের তখন হাত কাঁপছিল এবং চোখের কোণে জলও চলে আসে। তাহলে কি এই সেই ডায়েরিটাই! এরপর রাহুল পাতাগুলো পড়তে পড়তে বুঝতে পারলো যে, এটা কোনো আলাদা ডায়েরি নয়। এটা ছিল বাবার না বলতে পারা কথাগুলো। এরপর এক পাতায় লেখা ছিল- আমি তোমাকে ছেড়ে দিয়েছি, কারণ সাহস ছিল না। কিন্তু সাহস না থাকাও একধরনের অপরাধ।....
