পুরনো দিনের ডায়েরি ( পর্ব ২৬ )
Image Created by OpenAI
আপনাদের সাথে "পুরনো দিনের ডায়েরি" গল্পের ২৬ তম পর্ব শেয়ার করে নেবো। তো রাহুল মালতির সামনে ডায়েরি বের করতেই বলেছিলো, এই ডায়েরি আমি পড়িনি, কারণ আমি জানতাম এতে কি লেখা থাকতে পারে। তখন রাহুল বললো- এটা বাবার ডায়েরি, বাবা লিখেছিল, আপনি অপেক্ষা করেননি? মালতি তখন মাথা নেড়ে বললো- ভুল, আমি অপেক্ষা করেছিলাম, কিন্তু সারাজীবন নয়। রাহুল এরপরে আর কিছু বলেনি, চুপ করে বসে ছিল। এরপর মালতি বলতে লাগলো- তোমার বাবা সেদিন স্টেশনে এসেছিল, কিন্তু এগিয়ে আসেনি, আবার সেখান থেকে চলেও যায়নি। রাহুলের বুকের ভেতরটা কেঁপে উঠলো। এরপর মালতি আরো বললো- তোমার বাবা আমাকে দেখেছিল, আর বুঝেছিল, যদি একবার সামনে এগিয়ে আসে, তাহলে আর ফিরতে পারবে না।
রাহুল তখন ফিসফিস করে বললো- তাই বাবা চলে গিয়েছিলো। মালতি মাথা নেড়ে বললো- না, সে চলে যায়নি, থেকে গিয়েছিলো, কিন্তু অনেক দূরে। এরপর মালতি জানালার দিকে তাকিয়ে বলতে লাগে- কিছু মানুষ থাকে, যারা থেকে যায় ঠিকই, কিন্তু নিজের জীবনে নয়। রাহুল বিষয়গুলো বুঝতে পারছিল। এরপর রাহুল মালতিকে জিজ্ঞাসা করলো- আপনি কি তাকে ঘৃণা করেন? মালতি হালকা হেসে বললো- ঘৃণা করতে হলে তাকে ভুলতে হয়, কিন্তু আমি তাকে ভুলিনি। টেবিলের উপরে যে পুরোনো ডায়েরি রাখা ছিল, সেটা হাতে তুলে নিলো আর বললো- এই ডায়েরিটা তোমার বাবা আমাকে দিয়েছিলো।....
