প্যান্ডেলের ভেতরের অপূর্ব ডিজাইন
প্যান্ডেলের ভেতরে ঢুকতেই চোখে পড়েছিলো আলোর অপূর্ব ব্যবহার এবং শিল্পীদের নিখুঁত কাজ। উপরের দিকে ছিল বড় বড় পাতা আকৃতির আলোকসজ্জা, যা নীল ও সোনালি আলোয় যেন এক স্বপ্নময় পরিবেশ তৈরি করেছিলো। এছাড়া মনে হচ্ছিলো এই আলোগুলো পুরো প্যান্ডেলটিকে যেনো এক অন্যরকম রহস্যময় সৌন্দর্যে ভরিয়ে দিয়েছিলো। এই ধরনের ডিজাইন শুধু সৌন্দর্যের জন্য নয়, বরং দর্শনার্থীদের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা তৈরি করেছিলো। মনে হচ্ছিল যেন আমরা কোনো কল্পনার জগতে প্রবেশ করেছিলাম। এইসব দেখে আসলে মনের ভেতর অদ্ভূত অদ্ভূত কল্পনা হতে লাগে। প্যান্ডেলের আরেকটি আকর্ষণীয় অংশ ছিল অসংখ্য ঝুলন্ত ঘণ্টা।
বিভিন্ন আকারের ব্রোঞ্জের ঘণ্টাগুলো একসাথে ঝুলিয়ে এমনভাবে সাজানো হয়েছিলো, পুরো জায়গাটাই যেন মন্দিরের পরিবেশ তৈরি করে ফেলেছিল। আর এমনিতেই এটা একটা নাগ মন্দিরের সমন্বয়ে ফুটিয়ে তুলেছিল। সবাই সেই ঘণ্টাগুলো স্পর্শ করছিলো এবং কেউ কেউ বাজিয়েও দেখছিল। ঘণ্টার ধ্বনি আর ভিড়ের উচ্ছ্বাস মিলিয়ে তৈরি হচ্ছিল এক অন্যরকম অনুভূতি। প্যান্ডেলের ভেতরে প্রচুর মানুষের ভিড় ছিল এবং উৎসবের আনন্দ আর মানুষের উচ্ছ্বাস পুরো পরিবেশটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছিল। এই প্যান্ডেলের ডিজাইনে আলো, ভাস্কর্য এবং স্থাপত্যশৈলীর একটি সুন্দর সমন্বয় দেখা গিয়েছিলো। শিল্পীরা সত্যিই অসাধারণ সৃজনশীলতার পরিচয় দিয়েছিলো, প্রতিটি অংশে ছিল সূক্ষ্ম কাজ এবং ভাবনার গভীরতা।



