রেসিপি পোস্ট - 😋 " মাছের ডিমের কাটলেট তৈরি "
হ্যালো বন্ধুরা,
মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার প্রিয়"আমার বাংলা ব্লগ"এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগন,কেমন আছেন সবাই?আশা করি সবাই ভালো আছেন।আমিও আলহামদুলিল্লাহ্ আল্লাহ্র অশেষ রহমতে ভালো আছি।
বন্ধুরা,আমি @shimulakter"আমার বাংলা ব্লগ" এর একজন নিয়মিত ও অ্যাক্টিভ ইউজার।বাংলায় ব্লগিং করতে পেরে আমার অনেক বেশী ভালো লাগা কাজ করে মনের মাঝে।তাইতো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত মনের নানান অনুভূতি গুলো নিয়ে নানা রকমের পোস্ট শেয়ার করে থাকি।আজ ও আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিযে।আশাকরি সবাই সঙ্গেই থাকবেন।
মাছের ডিমের কাটলেট তৈরিঃ
বন্ধুরা,আজ আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি রেসিপি নিয়ে।আজকের রেসিপিটি হলো "মাছের ডিমের কাটলেট"।আসলে যেকোনো মাছের ডিম খেতে অনেক বেশী সুস্বাদু হয়।আর মাছের ডিমে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন,নানা রকমের ভিটামিন,খনিজ পদার্থ ও ওমেগা 3 ফ্যাটি অ্যাসিড।মাছের ডিম দিয়ে তৈরি যেকোনো খাবার দেহের সামগ্রিক উন্নয়নে যথেষ্ট ভূমিকা পালন করে থাকে।মাছের ডিম ছোট-বড় অনেকেরই খুব প্রিয় খাবার।মাছের ডিম সাধারণত পেঁয়াজ কুচি,মরিচ কুচি দিয়ে তেলে ভেজে খাওয়া হয়।কিন্তু আজ আমি এই মাছের ডিমকে নানা প্রসেসের মধ্যে দিয়ে আরো বেশী আকর্ষনীয় করে তোলার চেষ্টা করেছি।মাছের কাটলেটের মতো করেই আমি আজ মাছের ডিমের কাটলেট করে এই ডিমকে আরো মুখরোচক করে তুলেছি।আশাকরি রেসিপিটি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।আমি রেসিপিটি তৈরি করার পর আমার ছেলে খুব আগ্রহ নিয়েই খেয়ে নিয়েছে।বাচ্চারা যেকোনো খাবার নরমালের চেয়ে একটু প্রসেস করে দিলে বেশী পছন্দ করে থাকে।তাই আমি চেষ্টা করি যেকোনো খাবারে একটু নতুনত্ব আনার।আর সে প্রচেষ্টায় আজকের এই রেসিপিটি।আসুন বন্ধুরা,আগে দেখি এই রেসিপিটি তৈরি করতে আমার কি কি উপকরণ লেগেছিল ---
প্রয়োজনীয় উপকরণঃ
১.মাছের ডিম- এক পিস
২.পেঁয়াজের বেরেস্তা- ইচ্ছে মতো
৩.লবন-আন্দাজ মতো
৪.আদা,রসুন,জিরা পেস্ট -এক চামচ
৫.ডিম-একটি
৬.ব্রেড ক্রাম-যতটুকু লাগে
৭.মরিচের গুঁড়া -১ চামচ
৮.গোল মরিচ,গরম মসলা ও সামান্য জয়ত্রী
৯.তেল-ইচ্ছে মতো
১০.পুদিনা পাতা-আন্দাজ মতো
১১.বাইন্ডিং এর জন্য চিড়া
১২.সামান্য শুকনা মরিচ
ধাপ-১
প্রথমে আমি মাছের ডিম গুলো খুব সুন্দর মতো ধুয়ে নিয়েছি।
ধাপ-২
এরপর চুলায় সামান্য পানি দিয়ে এর মধ্যে লবন,মরিচের গুঁড়া ও মসলার পেস্ট দিয়ে সিদ্ধ করে নিয়েছি।
ধাপ-৩
মাছের ডিম সিদ্ধ হয়ে ঝুরঝুরা হলে নামিয়ে ঠান্ডা করে নিলাম।
ধাপ-৪
অন্য দিকে আমি আস্ত মসলা গুলো ব্লেন্ড করে নিয়েছি।আর পুদিনা পাতা গুলো ধুয়ে কুচি কুচি করে কেটে নিয়েছি।
ধাপ-৫
এরপর আমি পেঁয়াজের বেরেস্তা করে নিয়েছি।আর চিড়া ভালো করে ধুয়ে সামান্য পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিয়েছি।
ধাপ-৬
এবার সিদ্ধ ডিমের উপর এক এক করে উপকরণ গুলো দিয়ে দিলাম।প্রথমে আমি গুঁড়া করে রাখা মসলা দিয়ে দিলাম।এরপর পুদিনা পাতা কুচি দিলাম।
ধাপ-৭
এরপর দিয়ে দিলাম পেঁয়াজের বেরেস্তা।ব্যস,এখন সুন্দর করে মাখিয়ে নেয়ার পালা।
ধাপ-৮
এরপর আমি এক এক করে প্রতিটি কাটলেট তৈরি করে নিলাম। এবার ডিম ও ব্রেড ক্রাম দিয়ে পরোপুরি ভাবে তৈরি করে নিলাম। এরপর ভেজে নেয়ার পালা।
ধাপ-৯
প্যানে তেল দিয়ে আমি এক এক করে কাটলেট গুলো ভেজে তুলে নিলাম।এবার পরিবেশনের পালা।
পরিবেশন
আজ আর নয়।আশাকরি আমার আজকের রেসিপিটি আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে। আবার কোন নতুন রেসিপি নিয়ে হাজির হয়ে যাব আপনাদের মাঝে। সবাই সুস্থ থাকবেন, ভালো থাকবেন।
ধন্যবাদ সবাইকে
পোস্ট বিবরন
| শ্রেনি | রেসিপি |
|---|---|
| ফটোগ্রাফির জন্য ডিভাইস | Galaxy A 16 |
| ফটোগ্রাফার | @shimulakter |
| স্থান | ঢাকা,বাংলাদেশ |
আমার পরিচয়
আমি শিমুল আক্তার।আমি একজন বাংলাদেশী।আমি বাংলাদেশ ঢাকা থেকে আপনাদের সাথে যুক্ত আছি।আমি এম এস সি (জিওগ্রাফি)কমপ্লিট করি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।আমি বিবাহিতা।আমি একজন গৃহিণী।আমি একজন স্বাধীনচেতা মানুষ।ভালোবাসি বই পড়তে,নানা রকমের রান্না করতে,আর সবাইকে নতুন নতুন রান্না করে খাওয়াতে ভীষণ ভালোবাসি।ফটোগ্রাফি করতে আমি ভীষণ পছন্দ করি।বাংলায় লিখতে আর বলতে পারার মধ্যে অনেক বেশী আনন্দ খুঁজে পাই।নিজের মধ্যে থাকা সৃজনশীলতাকে সব সময় প্রকাশ করতে পছন্দ করি।এই বাংলার মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছি বলে নিজেকে অনেক ধন্য মনে করি।


























মাছের ডিমের কাটলেট খেতে নিশ্চয়ই অনেক মজার হয়েছিল। দারুন একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন। দেখতে অনেক লোভনীয় লাগছে আপু। ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনি তো দেখছি আজকে অনেক মজাদার একটা রেসিপি তৈরি করেছেন। আমার তো আপনার তৈরি করা আজকের রেসিপিটা অনেক পছন্দ হয়েছে। মজার মজার রেসিপি গুলো দেখলে আর লোভ সামলানো যায় না। এটা কিন্তু আমার অনেক পছন্দের একটা রেসিপি। বোঝা যাচ্ছে খুব মজা করে খেয়েছেন।
এটি ঠিক বলেছেন আপু মাছের ডিম বড় ছোট অনেকের প্রিয় খাবার। আজকে আপনি মাছের ডিমের কাটলেট রেসিপি করেছেন। এই ধরনের রেসিপি দেখলে মন চাই খেতে। মজার রেসিপিটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।
আমার কাছে তো এরকম রেসিপি খেতে অসম্ভব ভালো লাগে। দেখে তো বুঝতেই পারছি এটা অনেক বেশি মজাদার হয়েছিল। সবাই একসাথে খেতে অসম্ভব ভালো লাগবে। এখন যদি পেতাম তাহলে তো মজা করে খেতে পারতাম। যারা কখনো এই রেসিপিটা তৈরি করেনি তারা সহজে এটা শিখে নিতে পারবে। নিশ্চয়ই মজা করে খেয়েছেন এই মজার রেসিপিটা। সবার মাঝে ভাগ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
میرے لیے یہ ایک حیران کن ترکیب ہے کیونکہ میں نے اج سے پہلے کبھی بھی مچھلی کے انڈوں سے کچھ بھی بنتے ہوئے نہیں دیکھا جبکہ مچھلی کی بہت ساری ریسپیز نہ صرف خود بنائی ہیں بلکہ دوسرے لوگوں کو بھی بناتے ہوئے دیکھا ہے جبکہ مچھلی کے انڈے میری نظر سے پہلی دفعہ گزرے ہیں۔