রূপনারায়ণের তীরে
নমস্কার বন্ধুরা,
দেউলটি স্টেশনে ট্রেন থেকে নামলাম তখন সূর্যদেব অস্ত যাওয়ার পথে হেঁটেছেন। ছোট্ট স্টেশন, ট্রেনের যাত্রী চলে যেতে স্টেশন প্রায় ফাঁকা হয়ে গেলো, সেই সাথে শীতের বিকেলের নরম তাপ শহরতলীর এক ছাপ তুলে ধরল। প্ল্যাটফর্ম পেরিয়ে স্টেশনের বাইরে বেরিয়ে এলাম। স্টেশন থেকে বেরিয়ে রাস্তা ধরে হাঁটতে শুরু করলাম। প্রায় চারশো মিটার মতো হাঁটার পথ। রাস্তার দুপাশে ছোট ছোট দোকান, স্থানীয় মানুষের আনাগোনা। যেহেতু হাতে বেশি সময় নেই তাই একটু জোরেই হাঁটলাম। হাঁটতে হাঁটতে ন্যাশনাল হাইওয়েতে উঠে এলাম। রাস্তা পেরোতেই অটো স্ট্যান্ডে। সেখানে থেকে অটো পেলাম সরাসরি শরৎচন্দ্র কুঠি পর্যন্ত। দেউলটি স্টেশনের কাছ থেকে অটোর এই রুট পর্যটকদের সরাসরি শরৎচন্দ্রের কুঠিবাড়ির সামনে পৌঁছে দেয়।
রেলপথে নিজের ভুলে কিছুটা দেরী হয়েছিল তাই ঠিক করলাম আগে নদীর পাড় থেকে ঘুরে আসবো। সেই ভাবনা থেকে সোজা চলে গেলাম রূপনারায়ণের পাড়ে। পাড়ের কাছে পৌঁছতেই বুঝলাম জায়গাটা কতটা জনপ্রিয়। গোল্ডেন আওয়ার তখন প্রায় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও মানুষের ভিড়ে বেশ জমজমাট। পুরো জায়গাটা যেন এক ধরনের মেলা। নদীর ধারে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ চারপাশটা দেখলাম। কাছাকাছি জায়গায় ভিড় একটু বেশি, তাই একটু দূরে হাঁটতে হাঁটতে চলে গেলাম। সেখান থেকে নদীটা যেন আরো বেশি বিস্তৃত লাগলো। বিশাল জলরাশি ধীরে ধীরে বয়ে চলেছে, আর তার ওপরে পড়ে আছে বিকেলের ম্লান আলো।
যদিও সূর্যদেব তখন অনেকটাই পশ্চিমে হেলে পড়েছেন, তবুও আকাশের গেরুয়া আভা আর নদীর শান্ত প্রবাহ মিলিয়ে এক অদ্ভুত সুন্দর দৃশ্য তৈরি করেছে। ব্যস্ত জীবনে এমন মুহূর্ত খুব কমই আসে, যখন শুধু প্রকৃতির দিকে তাকিয়ে থাকা যায়। তাই রূপনারায়ণের তীরে দাঁড়িয়ে বিকেলের নরম তাপ আর নদীর বাতাসের শান ঠান্ডা হাওয়া লাগিয়ে সময় থাকে আরও বেশি করে উপভোগ করলাম। কিছুটা সময়ে যদি আগে পৌঁছানো যেত তাহলে আরো সুন্দর দৃশ্যের সাক্ষী হয়ে থাকতাম। বারবার মনে হচ্ছিল হাতে আরেকটু সময় নিয়ে আসলে ভালো হতো।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS







