ঘাটশিলা রাজবাড়ি
নমস্কার বন্ধুরা,
ফুলডুংরি পাহাড় ছিল আমার টুরের দ্বিতীয় পর্বের শেষ স্টপ। ফুলডুংরি পাহাড় থেকে নেমে শরীর মন দুটোই ক্লান্ত, তাই তখনের মতো সমাপ্ত করে সোজা রওনা দিলাম আমার ছোট্ট রেলের ঘরের দিকে। প্রায় মিনিট পনেরোর মধ্যে পৌঁছে গেলাম। পিঠের ব্যাগ নামিয়ে স্নান সেরে নিলাম, মনে হচ্ছিল সারাদিনের ধুলো, রোদ আর হাঁটার ক্লান্তি কিছুটা নেমে গেলো। স্নান শেষে বিছানায় ধপাস করে পড়তেই আর কিছু মনে নেই। ঘন্টা দেড়েক টানা ঘুমিয়ে শরীরটা একটু চাঙ্গা হলো। বিশ্রামের পর শুরু হলো আমার ভ্রমণের তৃতীয় পর্ব এবং শেষ পর্ব। তবে এইবার আর দূরে নয়, ঘাটশিলা শহরের মধ্যেই। বিকেলের নরম আলোতে বেরিয়ে পড়লাম। পরিকল্পনা শহরের ভেতর ঘুরে সূবর্ণরেখার ধারে ঘাটশিলা রাজবাড়িটা যাওয়া। শহরে গলিতে হাঁটতে হাঁটতে একটা বিষয় স্পষ্ট বুঝতে পারলাম, এখানকার অন্তত অর্ধেক মানুষই বাঙালি। দোকানের সাইনবোর্ড, পাড়ার কথাবার্তা সবকিছুতেই বাংলা ভাষা।
স্টেশন থেকে রাজবাড়ির দূরত্ব খুব বেশি নয়, দেড় কিলোমিটার মতো। কিন্তু গুগল ম্যাপের ওপর ভরসা করে কয়েকবার ভুল গলিতে ঢুকে পড়লাম। শেষমেশ পাড়ার লোকের সাথে বাংলা ভাষায় পথ নির্দেশনা নিয়ে পৌঁছে গেলাম, ঘাটশিলা রাজবাড়ি। রাজবাড়ির অল্প দূরে মাটির রাস্তা ধরে এগিয়ে গেলে সুবর্ণরেখা। রাজবাড়িটা বাইরে থেকে উঁচ দেওয়াল ঘেরা রয়েছে, দেওয়ালের ভেতরে গাছ গাছালিতে ভর্তি। রাজার পরিবার এখন এই বাড়িতেই থাকেন, তাই ভেতরে ঢোকা নিষেধ। একটু আফসোস হলেও বাইরে দাঁড়িয়ে মোবাইলে জুম করে দেখলাম, জ্যান্ত ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে।
দূর থেকে দাঁড়িয়ে রাজবাড়ীর অতীত ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক ভাবনা চিন্তা করে কোন কুল-কিনারা পেলাম না। আসলে না ঢুকতে পারার আক্ষেপ হচ্ছিলো সেটা ভোলার চেষ্টা করছিলাম আরকি। বাইরে থেকে নীরব রাজকীয়তা দেখে সূবর্ণরেখার ধীরে এগোলাম।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS





