ফুলডুংরি পাহাড়
নমস্কার বন্ধুরা,
বুরুদি লেকের শান্ত পরিবেশে বেশ কিছুক্ষণ কাটিয়ে যখন আবার দ্বি চক্র যান চালু হলো, পরের গন্তব্য ফুলডুংরি পাহাড়। ঘাটশিলা শহরের উপকন্ঠে থাকা এই ছোট্ট পাহাড় আমার সকালের শেষ গন্তব্য। শরীর ছেড়ে দিয়েছে, ভাত পেটে যাওয়ায় কিছুটা ঝিমুনি আসছিল। বুরুদি থেকে নামার পর রাস্তা ধীরে ধীরে আবার শহরের দিকে ঢুকে পড়ল। তবে আমি অল্প উল্টো দিকে গেলাম। কিছুটা দূর এগোতেই, হাতের বামদিকে তাকিয়ে দেখি প্রকৃতি এখানে ভিন্ন রূপ নিয়েছে। রাস্তা থেকে পথ উপরের দিকে উঠে গেছে। স্কুটার দাঁড় হলো, আমি একা হাঁটা শুরু করলাম। এগোতেই দেখি পঞ্চায়েত অফিস। সেটা ছাড়িয়ে এগোতে দুপাশে শালের গাছ ছেয়ে গেলো। অল্প খাঁড়া পথ পাথুরে লাল মাটির। পাহাড়ে উঠতেই নির্জন শান্ত ভাব ফিরে পেলাম।
পাহাড় খুব উঁচু নয়, বরং ধীরে ওঠা এক টিলা বলাও চলে। যেহেতু টিলার মত তাই ঘুরে ঘুরে পাহাড়ের একদম মাথায় উঠতে হলো। সরু, কাঁকর বিছানো পথ ও পাহাড় গা ঘেঁষা গাছপালার মধ্যে থেকেই ঘাটশিলা শহর দেখতে পাওয়া যাচ্ছিল। দুইদিকে গাছের সারি, আর গাছের ফাঁক দিয়ে শহরের আভাস। শেষমেশ যখন চূড়াতে পৌঁছালাম, তখন সামনের দৃশ্যটা বদলালো। চারপাশে সবুজ পাহাড়ের সারি আর মাঝখানটা পাথর দিয়ে ঘেরা রয়েছে। উপর থেকে নিচে যেদিকেই তাকাই সেদিকে ঘন জঙ্গল। যদিও চুড়াতে খোলা আকাশ। চূড়ার মাঝে যে ফাঁকা জায়গায় কিছু পাথর ঘেরা রয়েছে সেটা আসলে জহরের থান।
আমার শরীর যেন আর কিছুতেই দিচ্ছিল না পা দুটো অবশ হয়ে এসেছে। চূড়ায় তেমন ভিড় ছিল না, তাই পরিবেশটা আরও ভালো লাগছিল, সেই সুযোগে একটা জায়গায় বসলাম। পাহাড় খুব বড় নয়, খুব অ্যাডভেঞ্চারাসও নয়, কিন্তু এর মধ্যে একটা শান্ত, ধীর সৌন্দর্য আছে। অদ্ভুত রকমের নিরিবিলি জায়গা। একদিনে ঘাটশিলার প্রায় প্রত্যেকটা জায়গা ঘুরে ফেলার শেষে মনে হচ্ছিল মধুরেণ সমাপয়েত। নিরিবিলিটা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি আমি বসেছি তার কিছুক্ষণের মধ্যেই একটা পর্যটকদের দল উপরে উঠে এল আমিও তাদের দেখে নামা শুরু করলাম। নিচে নামতে নামতে দেখি বহু পর্যটককে উপরে উঠছে।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS









