পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬

in আমার বাংলা ব্লগ17 hours ago

নমস্কার বন্ধুরা,

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬, আজকের তারিখটা শুধু সাধারন দিন নয়, বরং মানুষের হাতে থাকা ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশের দিন। ভোট দেওয়া যেমন সাংবিধানিক অধিকার, তেমনই এটি একটি গণতান্ত্রিক কর্তব্য। সেই অধিকার রক্ষা করতে এবং আমাদের ভবিষ্যত রক্ষার্থে শত ব্যস্ততা ও শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে কলকাতা থেকে বাড়িতে। অবশেষে আজ সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, ভোটের দিন। বাড়ি এসে থেকে লক্ষ্য করছি, এলাকায় এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা আর সতর্কতার পরিবেশ। রাস্তাঘাটে সাধারণ যানবাহন চলাচল হাতেগোনা, আদপে বেশির ভাগ গাড়িই নির্বাচনের ডিউটিতে বা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে। মানুষের জীবনযাত্রার গতি যেন কিছুটা থমকে।

ভোটের আবহে চারপাশের চেনা জগৎটাও আরো বেশি শান্ত। সকালে যখন ঘুম ভাঙল, ইচ্ছে ছিল রোদের তেজ বাড়ার আগেই ভোটটা দিয়ে আসব। কিন্তু আলসেমি বাধ সাধলো। ঢিলেতালে চলতে গিয়ে সময় গড়িয়ে সূর্যদেব নিজের প্রতাপ দেখাতে শুরু করলেন। ব্যাস! বৈশাখের তপ্ত রোদ দেখে স্থির করলাম, রোদের মধ্যে লাইনে দাঁড়ানোর চেয়ে বিকেলে যাওয়াই বুদ্ধিমানের হবে। বেলা গড়িয়ে যখন রোদের তেজ কিছুটা কমল, তখন বাড়ি থেকে রওনা হলাম বুথের দিকে।

1000195733.jpg

কেন্দ্রে পৌঁছে দেখলাম পড়ন্ত বিকেলেও লম্বা লাইন। পুরুষ এবং মহিলাদের আলাদা লাইন, বৃদ্ধ/বৃদ্ধাদের আগে সুযোগ। বুথের গণ্ডিতে মোবাইল নিষিদ্ধ তাই বাইরে থেকে BLO র হাতে জমা দিয়ে ভেতরে ঢুকে লাইন দাঁড়িয়ে পড়লাম। প্রায় ৪০ মিনিট টানা দাঁড়িয়ে ভেতর ঢুকলাম। ঢুকে আঙুলে নীল কালির দাগটা দিয়ে তারপর EVM বাক্সে কাছে চললাম। বোতাম টিপলাম, সবুজ আলো জ্বলে সেই সাথে কোথায় ভোট পড়লো সেটার ছবি ভেসে উঠলো। পুরো প্রসেস সহজ এবং পরিচ্ছন্ন।

ভোট দিয়ে বেরোনোর পর অদ্ভুত তৃপ্তি কাজ করছিল। ছবি তোলবার উপায় নেই, মোবাইল হাতে তুলে বাড়ির পথে হাঁটা দিলাম, তখন অভ্যাস বসত আঙুলের নীল দাগের ছবিটা নিলাম। আগামীতে শিল্প চাই, পরিষ্কার সরকার চায়, নিয়মিত চাকরির পরীক্ষা চাই, রাজ্যের উন্নয়ন চাই।


"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা

"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা


X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS




IMG_20220926_174120.png

Vote bangla.witness

Or

Set @rme as your proxy

witness_proxy_vote.png