রেকর্ড বন্যায় ভাসলো দ্বিতীয় সেমিফাইনাল
নমস্কার বন্ধুরা,
২০২৬ টি-২০ বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনাল, মুখোমুখি বিশ্বকাপের পরিচালক দেশ ভারত এবং বিপরীতে ইংল্যান্ড। মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে দুই দলের কাছে ফাইনালে ওঠার মহা সুযোগ। একজন ভারতীয় হওয়ায় স্বভাবতই বাড়তি উৎসুক ছিলাম। যেহেতু দুই দল নিজের দিনে ভয়ানক তাই কে এগিয়ে সেটা ম্যাচ শুরুর আগে বলা কঠিন, তবে ভারত ফেভারিট হয়ে নেমেছে। ওয়াংখেড়ের পরিবেশ, সেই সাথে ভারতীয় ফ্যানদের প্রত্যাশার চাপ, খেলা শুরুর আগে আমার ধুকপুকানি বেশ ছিল। ইংল্যান্ড টস জিতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। যেহেতু ওয়াংখেড়ের পিচ ব্যাটারদের বাড়তি সুবিধা দেয় তাই ইংল্যান্ড এর পরিকল্পনা ছিল শুরুতে ভারতের উইকেট তুলে ম্যাচের রাশ ধরা। অন্যদিকে ভারতের লক্ষ্য বড় স্কোর তুলে ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলা, কারণ এই মাঠে ২০০ রান সহজে তুলে ফেলা যায়।
ভারত ব্যাট করতে নেমে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে শুরু করে। সঞ্জু আগের ম্যাচের ধারাবাহিকতা দেখিয়ে প্রথম ওভারে নিজের ভাবনা তুলে ধরে। যদিও দ্বিতীয় ওভারে অভিষেক শর্মা পুরো টুর্নামেন্টের মতো এই ম্যাচেও খুব কম রানে জ্যাকসের বলে আউট হয়। সঞ্জু সদ্য নামা ঈশান কিষণকে জুটি করে পাওয়ার প্লেতে ঝুঁকিহীন শট খেলে ভারতের স্কোর বোর্ড দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকে। ৬ ওভার শেষে ভারতের স্কোর ১ উইকেটে ৬৭ রান। পাওয়ার প্লে শেষ হলেও রানের গতি থামেনি, ভারত ১০ ওভার শেষে ২ উইকেটে ১১৯ রান। নতুন ব্যাটার শিবম দুবে, সঞ্জুর সাথে চার ছক্কার বন্যায় রানের গতি বজায় রাখে। পনেরো তম ওভারে ব্যক্তিগত ৮৯ রানে সঞ্জু স্যামসনের দুর্দান্ত ইনিংসে ইতি আনে উইল জ্যাকস। সূর্য্য কুমার যাদব এবং শিবম দুবে দুজনেই অল্প ব্যবধানে প্যাভিলিয়নে ফিরে গেলে ইংল্যান্ড এর বোলাররা রানের গতি কমাতে কিছুটা সক্ষম হয়। তিলক ভর্মা ১৯ তম ওভারে তিনটে ছয় মেরে ফের রানে গতি আনে, যা বজায় রেখে শেষ ওভারে হার্দিক পাণ্ডিয়া ভারতের স্কোর ২৫০ রান পার করিয়ে দেয়। ইনিংস শেষে ভারতের স্কোর ৭ উইকেটে ২৫৩ রান।
বিশাল লক্ষ্য সামনে রেখে ইংল্যান্ড ব্যাট করতে নামে। ২৫০-এর উপরে রান তাড়া করা সহজ না, সেটা মাথায় রেখে ইংল্যান্ড প্রথম ওভার থেকেই আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে থাকে। দ্বিতীয় ওভারে প্রথম উইকেট রূপে ফিল সল্ট কে হারালেও, রানের গতি থামেনি। রানের গতিতে অন্য মাত্রা আসে পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে জেকব বেথেল তিনটে ছয়, একটা চার মেরে ইংল্যান্ডের স্কোর ৬৮ রানে পৌঁছে দেয়। ওই ওভারে জস বাটলারের উইকেট হারালেও বেথেলের ব্যাট থামেনি। চতুর্থ উইকেটে নেমে উইল জ্যাকস ঝোড়ো বেথেলের যোগ্য সঙ্গত দেয় ও রানের গতি প্রয়োজনের সাথে চলতে থাকে। ১৪ তম ওভারে জ্যাকস নিজের উইকেট হারালেও উল্টোপাশে বেথেলের বিধ্বংসী ব্যাট চলতেই থাকে। খেলা সমানে সমানে চলে ১৭ তম ওভার পর্যন্ত। শেষ ৩ ওভারে ইংল্যান্ডের দরকার ৪৫ রান। বুম বুম বুমরাহ্ ১৮ তম ওভারে খেলার মোড় ঘুরিয়ে ভারতের দিকে নিয়ে আসে, মাত্র ৬ রান দিয়ে বেথেলের ব্যাটের গতি থামিয়ে দেয়। ১৯ তম ওভারে হার্দিক পান্ডিয়া দুর্দান্ত বল করে, মাত্র ৯ রান দিয়ে ১ উইকেট তুলে নেয়। শেষ ওভারে ইংল্যান্ডের দরকার ৩০ রান।
অন্তিম ওভারে শিবম দুবের হাতে বল ওঠে। প্রথম বলেই বিধ্বংসী বেথেল রান আউট। ইংল্যান্ডের খেলায় ফেরার আর জায়গা ছিল না। তবুও জোফরা আরচার শেষ তিন বলে তিনটে ছয় মেরে ইংল্যান্ডের স্কোর বোর্ড ২৪৬ রানে পৌঁছে দেয়, যা ভারতের ২৫৩ রানের থেকে মাত্র ৭ রান দূরে।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS










