ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ভর করে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড
নমস্কার বন্ধুরা,
টি-২০ বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনাল। মুখোমুখি দুই যুযুধান সাউথ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড। একদিকে ২০২৬ টি–২০ বিশ্বকাপে অপরাজেয় সাউথ আফ্রিকা অন্যদিকে নিয়মিত ভালো খেলে আসা নিউজিল্যান্ড। স্বাভাবিক ভাবেই ম্যাচটা বেশি আকর্ষণীয়। দুই দলই পুরো টুর্নামেন্টে দারুণ ছন্দে খেলেছে। কে ফাইনালে যাবে বলা কঠিন, তবে খেলা শুরুর আগে আমার কাছে সাউথ আফ্রিকার পাল্লা বেশি ভারী ছিল। মূলত দক্ষিণ আফ্রিকার ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করে আসা তাদের দিকের পাল্লা ভারী করেছিল। কিন্তু দিনের শেষে খেলা সেই জিতবে যে ওই দিন ভালো খেলবে। টস জিতে নিউজিল্যান্ড প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। ইডেন গার্ডেনে ছিল খেলা।
দক্ষিণ আফ্রিকা ব্যাট করতে নামার পর শুরুটা খুব একটা মসৃণ ছিল না। নিউজিল্যান্ডের বোলাররা প্রথম ওভারে থেকে লেন্থ ধরে বল করছিল। দ্বিতীয় ওভারে ভালো লাইনে বল করার ফল পায় নিউজিল্যান্ড। সেই ওভারে কোল ম্যাচনচি পরপর দুটো উইকেট ফেলে দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে বেশ চাপে ফেলে দেয়। অধিনায়ক মারক্রাম কিছুটা ব্রেউইসের সাথে তৃতীয় উইকেটে ম্যাচ ধরার চেষ্টা করে। কিন্তু চাপের মুখে রানের গতি বাড়াতে সক্ষম হয় না। সেই চাপের মুখেই অষ্টম ওভারে অধিনায়ক নিজে আউট হলে সাউথ আফ্রিকা নড়বড়ে হয়ে যায়। একাদশ ওভারে রচীন রবীন্দ্র এবং দ্বাদশ তম ওভারে জিমি নিশাম আরো দুই উইকেট তুলে নেয়। সাউথ আফ্রিকার স্কোর দাঁড়ায় ৭৭ রানে 5 উইকেট। মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট পড়তে থাকায় স্কোরবোর্ডের গতি থেমে যেতে থাকে। একটা সময় মনে হচ্ছিল, সাউথ আফ্রিকা দেড়শ রানের আগেই গুটিয়ে পড়বে। ঠিক তখনই মার্কো জানসেন পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। তবে নিউজিল্যান্ডের বোলাররা খেলা নিজদের হাত থেকে খুব বেশি বেরোতে সুযোগ দেয়নি। চাপা বোলিং আর নিয়মিত উইকেট দুই মূল মন্ত্রে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২০ ওভারে ১৬৯ রানে আটকে দেয়।
সেমিফাইনাল অনুযায়ী অল্প লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নিউজিল্যান্ড এতটা আক্রমণাত্মক শুরু করবে, সেটা আমি ভাবিনি। ওপেনার টিম সেইফার্ট এবং ওপেনার ফিন অ্যালেন শুরু থেকেই ঝোড়ো খেলা শুরু করে। চার ছক্কার বন্যা হাঁকিয়ে সাউথ আফ্রিকার শক্ত বোলিং কে একদম লজ্জা পাইয়ে দিচ্ছিল। পাওয়ার প্লে শেষ হতে হতে নিউজিল্যান্ডের স্কোর দাঁড়ায় ৬ ওভারে ৮৪ রান। অর্থাৎ ছবার যেতে না যেতে নিউজিল্যান্ড এর ৮৪ বলে ৮৬ রান দরকার ছিল। ভেবেছিলাম তারপর হয়তো কিছুটা কঠিন খেলা হবে। কিন্তু টিম সেইফার্ট আর ফিন অ্যালেনের জুটি রানের গতি কমায়নি। নবম ওভার শেষে নিউজিল্যান্ডের রান হয় বিনা উইকেটে ১১৭ রান।
একাদশ তম ওভারে টিম সেইফার্ট আউট হয়ে গেলেও ফিন অ্যালেন থামেনি। কিউয়িদের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের সামনে সাউথ আফ্রিকার ভালো বোলিং খুবই অসহায় লাগছিল। ১৪ তম ওভারে ২৪ রান তুলে নিউজিল্যান্ড ফাইনালে নিজের জায়গা পাকা করে নেয়।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS







