স্বামীনারায়ণ মন্দিরের পথে... 🏍️
নমস্কার বন্ধুরা,
যাত্রা শুরু হয়েছিল অদ্ভুত অনুভূতি নিয়ে। আসলে সকালে উঠে পরদিন কোথাও যাওয়া থাকলে আমার ঘুম যেন লুকোচুরি খেলতে বসে। ঠিক সেটাই হলো। আগের রাতে বিছানায় এপাশ ওপাশ করেছি, চোখ বন্ধ করলে চিন্তা ভিড় করে এসেছে, ঘুম ভাঙ্গবে তো? শেষমেশ সারা রাতে বড়জোর তিন ঘণ্টা চোখ লেগেছিল। তবুও ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে শরীরটা নিজে থেকে প্রস্তুত হয়ে গেল যাত্রার জন্য। চোখ যদিও মানছিল না। সকাল আটটার কাছাকাছি যাত্রা শুরু করলাম। সঙ্গী এক খুব প্রিয় বন্ধু ও তার Royal Enfield। বাইকের চাবি ঘোরাতে পরিচিত ডুগ ডুগ গর্জন নিয়ে দ্বিচক্র চলা শুরু করলো। ঘুম কম হলেও মন দারুন সতেজ। সকালের কলকাতা তখনো পুরোপুরি জেগে ওঠেনি। রাস্তায় লোকজন ছিল, কিন্তু সবকিছু ধীর গতিতে চলছিল। ঘুমের রেশ শীতের সকালের ঠান্ডা হাওয়া লাগতেই উবে গেল।
কলকাতার পথে বাইক পক্ষীরাজ ঘোড়ার মত চলল। কলকাতার গণ্ডি পেরিয়ে ডায়মন্ড হারবার রোডে উঠতেই যাত্রার আসল রূপ ধরা দিল। বেহালার থেকে জোকা পর্যন্ত পৌঁছাতে পৌঁছাতে একের পর এক রেড লাইট, হাতে গুনে মোট ১১টা! প্রতি সিগনালে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে ধৈর্যের বাঁধ ভাঙার জোগাড় হচ্ছিলো। চারপাশে গাড়ির ধোঁয়া, সাথে সময়ের অপচয়, সব মিলিয়ে বেশ বিরক্তিকর লাগছিল। বারবার মনে হচ্ছিল, যাত্রার শুরুতে এই পরীক্ষাটা বোধহয় দিতেই হতো। তবুও Royal Enfield থাকার আলাদা সুবিধা ছিল। বাইকের গাম্ভীর্য, ভারসাম্য আর শক্তপোক্ত গঠন রাস্তা সহজ করে দিচ্ছিল। সিগনাল ছাড়লেই মসৃণ গতি, আবার থামা। ৫/৬ কিমি পথ এই চলা থামার মধ্যেও কাটলো। জোকা পার করে সিগন্যালের কষ্ট কমলো, ধীরে ধীরে শহরের কোলাহল কমতে থাকলো, রাস্তার দু’পাশের দৃশ্য পাল্টাতে শুরু করল।
প্রায় এক ঘণ্টা কুড়ি মিনিট বাইকে থাকার পর অবশেষে পৌঁছালাম, BAPS শ্রী স্বামী নারায়ণ মন্দিরে। বাইক থেকে নামতেই প্রথম অনুভূতিটা হলো, গভীর শান্তির। রাতের ঘুম না হওয়ার ক্লান্তি, রাস্তায় জমে থাকা বিরক্তি, সব মুহূর্তেই উবে গেছে। বাইক পার্ক করে যাত্রার আসল বিষয়টা শুরু হলো।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS





