শ্যামবাজার জলে থৈ থৈ
নমস্কার বন্ধুরা,
বিগত কবছর ধরে কলকাতার রাস্তায় বৃষ্টিতে যখনই ফেঁসেছি কখন চায়ের দোকানের ছাউনি, আবার কখনো কোনো বাড়ির সান সেটের তলায় বা কোনো দোকানের ভেতরে ঢুকে বেঁচেছি। কিন্তু গতকালের বৃষ্টির রূপের সামনে রীতিমত অসহায় হয়ে পড়লাম। গতকালের রাতে বর্ষার এক নতুন রূপ চিনলাম। সকালে যখন বেরিয়েছিলাম তখন মেঘের কোথাও কোন ছাপই ছিল না, কাজের চাপ সামলে সন্ধ্যের পর ফিরছি শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনে বেরিয়ে দেখি আকাশ ভেঙে প্লাবন। ঝমঝম শব্দে এমন গতিতে বৃষ্টি চলছে সামনেই জল থৈ থৈ করছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝে আর কোনো ঝুঁকি না নিয়ে মেট্রো স্টেশনের গেটের শেডের নিচে দাঁড়িয়ে রইলাম। ভেবেছিলাম মিনিট পনেরো-কুড়ি হয়তো এমন দাপট থাকবে, তারপর শান্ত হলে বাড়ি ফেরার পথ ধরব। কিন্তু কোথায় কী! বরুণ দেব যেন গতকাল থামবার নামই নিচ্ছিলেন না। অনবরত একই গতিতে মুষল ধারে জল হচ্ছিলো।
ঘন্টাখানেক দাঁড়িয়ে থাকবার পরও যখন বৃষ্টির গতি যখন কম ছিল না তখন চিন্তা ভাবনা মাথায় ঘুরতে থাকলো আমার চেনা রুটের বাস না পাওয়ার। বাধ্য হয়েই ছাতা মাথায় দিয়ে জমা জল ঠেলে পাঁচ মাথার মোড়ের দিকে এগোলাম। ব্যাগটাকে বাঁচাতে গিয়ে আমার প্যান্ট এবং জামার হাতগুলো নিমেষের মধ্যে ভিজে গেল। ওদিকে রাত সাড়ে নয়টা, শ্যামবাজারের মোড়ে পনেরো মিনিট দাঁড়িয়ে বুঝলাম এভাবে নিজের রুটের বাসের অপেক্ষা করলে আজ হয়তো বাড়ি পৌঁছানো যাবে না। অগত্যা বাধ্য ভেজা জামা কাপড় নিয়ে এক বাসে উঠলাম, অর্ধেক রাস্তা পারির জন্য।
বাসের দাঁড় হওয়ার প্রত্যেক যাত্রী ভিজে আছে। তার মধ্যে বাসের সব জানলা গুলো বন্ধ। ভেতরে বীভৎস গরম তার মধ্যে ঝুলে ঝুলে পৌছলাম অর্ধেক পথে। সেখানে নেমেও বৃষ্টি হয়ে চলেছে তাতে জামার বাকি অংশটাও ভিজে গেল, ব্যাগের উপরটাও তখন ভিজে আছে। আবার মিনিট দশের পরে আমার রুটের বাস পেলাম, যখন ঘরে স্টপেজে নামলাম তখন চশমা অন্ধকার জামা ভেজা প্যান্ট ভেজা। এদিকে নাকতলা ছাড়ছত করছে গাটাও হালকা ম্যাজমেজ করা শুরু করেছে।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS






