টাকী পূবের বাড়ি
নমস্কার বন্ধুরা,
টাকির অলিগলি পেরিয়ে পৌঁছলাম শহরের মোটামুটি মাঝামাঝি জায়গায়, যেখানে ছিল দ্বিতীয় গন্তব্য। সঠিক গেট কোনটা, সে সম্পর্কে না জানার কারণে বাঁশের বেড়া দিয়ে আটকানো গেট টপকে ঢুকে পড়লাম পূবের বাড়িতে। ইতি উতি কাউকে দেখতে না পেয়ে সামনে এগোলাম! ওমা হাতের ডানদিকে সুন্দর ঢোকবার জায়গা, সেখানে আবার টিকিট কাটার টেবিল। কাউকে বসে না থাকতে দেখে মনে মনে খুশি হলাম, টিকিটের টাকা বেঁচে গেলো। হিঃ হিঃ। এদিক ঐদিক ঘুরিয়ে ঐতিহাসিক তথ্য সংবলিত ফলকটি ওদিক তাকিয়ে দেখি, টেবিলের পাশে বাড়ির ভেতরে ঢুকে পড়বার জন্য দিও নির্দেশ। সামনে আটকানো জমিদারি বাড়ি নিয়ে ইতিহাস সমৃদ্ধ লেখা। সেটা পড়ে জানতে পারলাম, বাড়ির প্রতিষ্ঠাতা শ্রী কমলাকান্ত রায়চৌধুরী, তাকে সম্মান জানিয়ে শহরের একটি ফটকের নাম রেখেছিলেন কমলা পণ্ডিতের ফটক।
লেখাটি পড়ে জানতে পারলাম, এই রাজবংশের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব সূর্যকান্ত রায়চৌধুরী। ইছামতীর ভাঙনে পুরনো বাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় বর্তমানের এই ভবনটি নির্মাণ। রাজার বাড়ি কত জনকল্যাণমূলক কাজ করতেন সেটাও উল্লেখিত। এবং বসিরহাটের মানুষের তৃষ্ণা মেটাতে সূর্যকান্ত রায়চৌধুরী তৈরি করেছিলেন, সূর্যকান্ত দীঘি। পড়তে পড়তে উৎসুকতা বেড়ে গেলো। আরো জানতে পারলাম, বাড়িটি বর্তমানে দুটি ভাগে বিভক্ত। একটি অংশ টাকী হাউস, অন্যটি যেখানে দাঁড়িয়ে আছি সেটি। কাউকে না দেখে, সুযোগ বুঝে গুটি গুটি পায়ে ভেতরে ঢুকে পড়লাম। শতাব্দী পুরনো ইতিহাসের কিছু অংশ বাড়ির ভেতর দেওয়ালে ছবি আকারে রয়েছে। যদিও বাড়ির ভেতরের অবস্থা জরাজীর্ণ। সংস্কারের অভাবে এবং কালের নিয়মে অনেক জায়গার পলেস্তারা খসে পড়েছে, যার ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে এসেছে পুরনো লাল ইট।
পলেস্তারা খসে পড়লেও আমাকে অবাক করলো সেই আমলের নির্মাণশৈলী। ইটের গাঁথুনি আজও টিকে আছে। পুরনো ইটের গাঁথুনির মাঝ দিয়ে লোহার চালা বেরিয়ে এসেছে বটে তবে বাড়িটি দাঁড়িয়ে আছে সেটা কম কিসের?
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS









