টানটান উত্তেজনাপূর্ণ সেমিফাইনাল ম্যাচ!
| হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি। |
|---|
Image Created by OpenAI
আজকে আপনাদের সাথে খেলাধুলা বিষয়ে একটি পোস্ট শেয়ার করে নেবো। গতকাল বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ম্যাচ ছিল আর এটা হয়েছে মুম্বই এর মাঠে। এই ম্যাচটা খেলা হয়েছিলো ইন্ডিয়া আর ইংল্যান্ড এর মধ্যে। ইংল্যান্ড টিমকে সাধারণ টিমের মতো মনে হলেও তারা বেশ ভালো খেলে এই জায়গায় এসেছে। আসলে আমার কাছেই মূলত এইরকম মনে হয়। ইন্ডিয়া তো আসলে বলতে গেলে ব্যাটিং খুব ভালো করে, কিন্তু বোলিং আর ফিল্ডিং এত জঘন্য হয়েছে, যেটা বিশ্বাস করা যায় না। সেই যেনো আগের ইন্ডিয়ার মতো অবস্থা হয়ে গেছে। এই সেমিফাইনালে উভয় টিমের জন্য একটা কঠিন ম্যাচ ছিল।
একদিকে যেমন ইন্ডিয়ার ফাইনালে যাওয়াটা জরুরি, তেমনি ইংল্যান্ডও অনেক আশা করে রেখেছিলো। আর ইন্ডিয়ার ফাইনালে যাওয়াটা কেনো জরুরি, তার আরো একটা বড়ো কারণ, এই ম্যাচ মুম্বই এর পিচে খেলা হয়েছে। আর মুম্বই এর সমস্ত সেলিব্রিটি এই ম্যাচটা দেখতে এসেছিল। একপ্রকার বলা যায়, মুম্বই এর গ্যালারি পুরো জমজমাট ছিল। তবে সবথেকে বড়ো সমস্যা হয়ে গেছিল টস হেরে। কারণ এই পিচ সম্পূর্ণরূপে ব্যাটিং পিচ ছিল। ফলে একদিকে ইন্ডিয়ার যেমন বোলিং লাইন বাজে, সেক্ষেত্রে ইংল্যান্ড পরে ব্যাটিং করলেও জিতে যাওয়ার সম্ভাবনা ৯০%। এই পিচে সহজে চেজ করা যায়। তো ইংল্যান্ড তাইই করেছিলো অর্থাৎ টস জিতে ইন্ডিয়াকে আগে ব্যাটিং করতে পাঠিয়েছিল।
আর এটাই বিপদ, কারণ তাদের বোলিং আর ফিল্ডিং এত বাজে যে, রান প্রয়োজনের থেকে বেশি না করলে জিততে পারে না। আর এই পিচে ২৫০+ রান না করলে কোনোমতে জিততে পারবে না ধরে নিয়েছিলাম। আর এই পিচে এমনিতেই কোনো বোলিং, বিশেষ করে স্পিনার কাজে দেবেই না। ইন্ডিয়া ওপেন শুরু করেছিলো ভালোই, কিন্তু অভিষেক আসলেই হতাশ করছে প্রতিবার। যেখানে রান উঠছে, সেখানে ফাও ক্রস টেনে ক্যাচ তোলার কি প্রয়োজন আছে! আর স্লো বল একদমই খেলতে পারে না, সাথে সাথে ক্যাচ তুলে দেয়। এই ম্যাচেও তাই করলো। তবে সন্জু যেমন গত ম্যাচে ভাল খেলেছে, তেমনি এই ম্যাচেও ভাল খেলে দিয়েছিলো। রান রেট ভাল রেখেছিলো। ইন্ডিয়া শেষমেষ সব মিলিয়ে ২৫০+ রানই করেছিলো।
এটা ভালো একটা পয়েন্ট ছিল। কিন্তু ইন্ডিয়া বোলিং যা জঘন্য শুরু করেছিলো, তাতে আশা মরে যাচ্ছিল। প্রথম ওভারেই ২২ রান খেয়ে নিলো। মানে বলতে গেলে ওভারে বাউন্ডারি ছাড়া কোনো কথাই নেই। বিশেষ করে স্পিনার আসলে তো ৩-৪ টে করে ৬ খেয়ে যাচ্ছে। স্পিনার দের পিটিয়ে লাল করে দিয়েছে ওদের এক বেথেল। এদের রান যখন ৮ ওভারে ১০০, তখন চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কারণ এই পিচে রান উঠবে ঠিক আছে, কিন্তু এইরকম দ্রুত গতিতে উঠবে সেটা ভাবা যায়নি। যাইহোক, রান তো হয়েই চলেছে। আর রান যতো কাছে আসছে, ততই চিন্তার গভীরতা বেড়েই চলেছে। শেষে ভাবছিলাম সুপার ওভারে গিয়ে না পৌঁছায়। তবে শেষমেশ ৭ রানে জিততে পেরেছিল আর ফাইনালে উঠে যায়।
শুভেচ্ছান্তে, @winkles
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |





