এলোমেলো আলোকচিত্র ( পর্ব ৬৭ )

in আমার বাংলা ব্লগ2 months ago
হ্যালো বন্ধুরা, আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি।

20250322_180241.jpg
Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

আজকে আপনাদের সাথে কিছু এলোমেলো আলোকচিত্র শেয়ার করে নেবো। এই দৃশ্যগুলো ইকো পার্কের থেকে তুলেছিলাম। এখানে বেশ কিছু মূর্তির দৃশ্য দেখতে পাচ্ছেন, এইগুলো বাস্তবে হাজার হাজার বছরের পুরোনো ভাস্কর্য। এইগুলো সাধারণত একটা সভ্যতার দৃশ্য তুলে ধরার জন্য এখানে ভাস্কর্য নির্মাণ করে গড়ে তুলেছে। এইগুলো পাথরের খোদাই এর মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এখানে যে বিশাল বিশাল আকৃতির ভাস্কর্য দেখা যাচ্ছে, তার মুখবয়ব শক্ত এবং একটা রহস্যময় ভাবে ফুটিয়ে তোলা। এই ভাস্কর্য মূলত বাস্তবে ইস্টার আইল্যান্ড এর বিখ্যাত Moai statue এর অনুকরণে করা। এই মূর্তিগুলোর গঠন মানুষের মতো হলেও এর লম্বাটে মুখের গড়ন আরো রহস্যময় করে তুলেছে। এইরকম আরো সারিবদ্ধভাবে সব একইরকমের ভাস্কর্য আছে।

Photo by @winkles

এখানে এই খাঁচার মধ্যে কিছু ময়ূরের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাচ্ছেন। এখানে এই ময়ূরগুলো সব সাদা প্রজাতির ময়ূর এবং এইগুলো তেমন বিশেষ বড়ো না। মাঝারি আকারের এই ময়ূরগুলো একই জায়গায় দলবদ্ধভাবে আছে। এইগুলো আমাদের এশিয়ার মধ্যে প্রচুর দেখা যায়, বিশেষ করে ভারত, বাংলাদেশ এবং শ্রীলংকার দিকে। এদের জঙ্গলের দিকে বা পাহাড়ি এলাকার দিকে দেখা যায়। তাছাড়া সমতলভূমিতেও দেখা যায়। এদের জঙ্গল এলাকায় যেসব নদী এবং ঝর্ণা আছে, সেখানে পেখম মেলতে দেখা যায়। আর এদের খাবার বিভিন্ন শস্যদানা, উদ্ভিদ, পোকামাকড়, আর সরীসৃপ জাতীয় বিভিন্ন প্রাণী ভক্ষণ করতে পারে। এইসব ময়ূর ২০ বছর বা তার থেকে ২/১ বছর বেশি বাঁচতে পারে।

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

এই ছবিগুলো তারাপীঠের থেকে তুলেছিলাম। এখানে আমরা মন্দিরে পুজো সেরে আরো একটা স্থানে এসেছিলাম। এখানে বামাক্ষ্যাপা বাবার সমাধি মন্দির স্থাপিত। এখানে সবাই আসে, যার যার মনোবাসনা পূরণ করার জন্য প্রার্থনা করে থাকে। আমরাও এখানে গিয়েছিলাম আর পুজো দিয়েছিলাম। তবে এই জায়গাটায় সব সাধু-সন্ন্যাসীতে ভরা। এখানে সবাই যার যার সাধনায় ব্যস্ত। আবার এখানে এমন কিছু পাবলিক আসে, যারা টাকার ধান্দায় এটা ওটা করে থাকে। যেমন ১০ কি ২০ টাকা নিয়ে তাবিজ এইসব দিয়ে ভুলভাল বোঝাবে। এইসব ধান্দা বেশি চলে এখন। যাইহোক, পরিবেশটা বেশ দারুন লাগছিলো আর আমরাও ওখানে বেশ অনেক্ষন সময় কাটিয়ে পরে হোটেলে ফিরে এসেছিলাম।

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

এই ছবিগুলো বোটানিক্যাল গার্ডেন থেকে তুলেছিলাম। এখানে একপ্রকার বলতে গেলে প্রচুর গাছগাছালি আছে, যদিও মাঝে ঝড়ের দাপটে অনেক পুরোনো গাছেই ভেঙে পড়েছিল। এইসব গাছ এক একটা ইতিহাস বলা যায়, কারণ এখানে যত উদ্ভিদ আছে, তাদের বয়স প্রায় ৩০-৪০ বছরের উপরে। আবার এমন কিছু কিছু উদ্ভিদ আছে, যেখানে তাদের বয়স ১০০ বছরেরও উপরে। এখানে আমি প্রথমে কিছু আশেপাশের প্রাকৃতিক দৃশ্য ক্যাপচার করার চেষ্টা করেছিলাম। এখানে একটা গাছের দৃশ্য দেখতে পাবেন লেকের পাশে, নামটা মনে নেই। তবে এটি নাকি বছরে ৬ মাস না কত দিন যেন পাতাহীন থাকে আর বাকি ৬ মাস পাতায় ভরে যায়। কিছু কিছু গাছের অদ্ভুত রহস্য আছে।


শুভেচ্ছান্তে, @winkles


Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power

250 SP500 SP1000 SP2000 SP5000 SP

Heroism_3rd.png