শারদীয়া দুর্গাপুজো ২০২৫ ( পর্ব ৩ )
| হ্যালো বন্ধুরা, আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি। |
|---|
![]() |
|---|
Photo by @winkles
![]() |
|---|
Photo by @winkles
আজকে আপনাদের সাথে দূর্গা পুজোর কিছু আলোকচিত্র শেয়ার করে নেবো। তো ওইদিন শ্যামনগরের একটি পুজো দেখার পরে ওখানেই কিছুটা দূরে আরো একটা পুজো হচ্ছিলো, তাই ভাবলাম ওখানেই আরেকটা পুজো দেখে যাই। তো এই ক্লাবটি একদম ছোট পরিসরেই তৈরি করেছিল। নরমালি তেমন কোনো লাইটিং এর বিষয় এখানে ছিল না বললেই চলে। আসলে ভেতরে সব জায়গায় তেমন কোনো লাইটিং এর ব্যবস্থা আলাদা করে থাকে না। তবে রোডের পাশে যেসব লাইটিং সারিবদ্ধভাবে তৈরি করা থাকে, সেইগুলো দিয়েই এইসবের সৌন্দর্য প্রকাশ পায়। তো এই প্যান্ডেলটি বাইরের দিক থেকে বেশ ভালোই লাগছিলো, দেখতে অনেকটা একটা নিজস্ব বাড়ি বা বাংলোর মতো লাগছিলো। আসলে ফ্রন্টের দিক থেকে আর জানলা-দরজাগুলো যেরকম লাগে, ঠিক সেইভাবেই ফুটিয়ে তুলেছিল বিষয়টা।
![]() |
|---|
Photo by @winkles
![]() |
|---|
Photo by @winkles
তাছাড়া এখানে একজন লোক আর একজন মহিলাকে দাঁড় করিয়ে রেখেছিলো, যার একটি হাতে দোতারা এইসব বাদ্যযন্ত্র রয়েছে। আসলে এখানে লোকজ সংস্কৃতির কিছু বিষয় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে । এরপর প্যান্ডেলের ভেতরের দিকে আস্তে আস্তে চলে গিয়েছিলাম, ডিজাইন মোটামুটি ভালোই করেছিল। সবথেকে সৌন্দর্যটা ফুটে উঠেছিল ঝাড়বাতির কারণে, যেকোনো জায়গায় ঝাড়বাতির একটা আলাদা আকর্ষণ কিন্তু ফুটে ওঠে। ভেতরে এর বেশি তেমন কোনো কারুকার্য আর করা ছিল না। পরে মায়ের মণ্ডপের সম্মুখে গিয়ে দর্শন করে বেরিয়ে এসেছিলাম। যাইহোক, এটা ছোটোখাটোর মধ্যে একটা ছিল।
![]() |
|---|
Photo by @winkles
![]() |
|---|
Photo by @winkles
![]() |
|---|
Photo by @winkles
এরপর সেখান থেকে সোজা মেইন পুজো দেখতে যাওয়ার জন্য রওনা দিলাম, কিন্তু যাওয়ার পথে আরো একটা সুন্দর প্যান্ডেল দেখতে পেলাম, এটা একটা মন্দিরের আদলে তৈরি করা হয়েছিল। মন্দিরটির মেইন আকর্ষণ ছিল টেরাকোটা নিদর্শন, এর গায়ে অসংখ্য টেরাকোটা নিদর্শন রয়েছে। এখানে এই প্যান্ডেলটি করেছিল মদনমোহন মন্দিরের সমন্বয়ে, যেটা একসময় অর্থাৎ ১৬৯৪ খ্রিস্টাব্দের দিকে মহারাজ দুর্জন সিংহ এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তার এই মন্দির প্রতিষ্ঠার পেছনে ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় যে, এটা তার জীবনের একমাত্র অক্ষয়কীর্তি। আর এটা বিষ্ণুপুরের দিকে স্থাপিত ছিল আর সেখানকার অন্যতম মন্দিরগুলোর মধ্যে একটি ছিল।
![]() |
|---|
Photo by @winkles
![]() |
|---|
Photo by @winkles
![]() |
|---|
Photo by @winkles
এই মন্দিরটির আদলে যেমন ভাবে তৈরি করেছে প্যান্ডেলটি, তাতে সেখানকার সবকিছু অর্থাৎ টেরাকোটার নিদর্শনগুলো ফুটিয়ে তুলেছিল। এখানে যেমন দেওয়ালে কৃষ্ণলীলা, নৌকাবিলাস, যুদ্ধ, শিকারের ইত্যাদি এইসব নানা দৃশ্যপট ফুটিয়ে তুলেছিল। প্যান্ডেলটি এতো নিখুঁত ভাবে তৈরি করেছিল, যেন সম্পূর্ণ একটা মন্দির চোখের সামনে ভেসে উঠেছে। সবথেকে আকর্ষণের বিষয়গুলো ফুটে উঠেছে এইসব নানা ইতিহাসের টেরাকোটা নিদর্শনের মধ্যে দিয়ে। আমরা যখন ভেতরে গিয়েছিলাম অর্থাৎ মণ্ডপের সামনে, তখন আরতি চলছিল। আরতি করা দেখতে অনেক ভালো লাগে। যদিও আমাদের সাউথের দিকেও যেতে হবে, তাই আর এদিকে বেশি না দাঁড়িয়ে সোজা বেরিয়ে গেছিলাম ওখান থেকে।
শুভেচ্ছান্তে, @winkles
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |














