শান্তি।
বর্তমানে আমরা যে পরিস্থিতিতে আছি বিশেষ করে পুরো বাংলাদেশ বাসীরা , আমরা বলতে গেলে এখন দুশ্চিন্তার মধ্যে পরে আছি। চারি দিকে খালি হাহাকার, মারামারি এইসব কিছু। আমরা যারা বাংলাদেশী ভাইও বোনেরা আছি তারা অবশ্যই বুঝে গিয়েছেন আমি কিসের কথা বলছি। আমি এখানে রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে কথা বলতে মোটেও রাজি নই , তাই একজন সাধারণ জনগণ হিসেবে এবং সকল রাজনৈতিক দল এর পক্ষে বিপক্ষে এইসব উপেক্ষা করে নিজের মতামত গুলো বলার চেষ্টা করবো। যদি তাও কোনো একটা কথা আপনাদের কাছে ভুল বলেছি বলে মনে হয় সেটাকে আপনারা আশা করছি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
যাই হোক , এই জিনিষটা শুরু হয় কিছুদিন আগে থেকে। বেশ কয়েকজন মিলে কোটা সরানোর দাবিতে আন্দোলন এর নেমে পরে। যদিও শুরুতে সেটা বেশ ছোট খাটো আন্দোলন ছিল তবে এটা বড় আকার ধারণ করে যখন বিপরীত পক্ষের লোকেরা তাদের উপর হামলা চালায়। যাই হোক , এইসব কথা বাদ দেই। মূল কথা হচ্ছে এইসব ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার কারণে আজ পর্যন্ত অনেক শিক্ষার্থী মারা গিয়েছে। এটা কি মেনে নেয়া যায় ? হয়তোবা আপনার আমার কেউ মারা যায়নি তাই আমরা বুঝতে পারছি না। কিন্তু এই পরিস্থিতির কারণে যে মা তার সন্তান হারিয়েছে , যে বোন তার ভাই হারিয়েছে তারা বুঝতে পারছে তাদের কষ্টটাকে।
আগামী কিছুদিন পর হয়তোবা এটার সমাধান হয়ে যাবে কিন্তু এই কারণে যারা তাদের প্রাণ হারিয়েছে তারা তো কোনোদিন ফিরে আসবে না। আমি সত্যি বলতে কোনো বিদ্বেষ এ বিশ্বাসী নই। আমি এখন শুধু শান্তি চাচ্ছি। এইসব মারামারি হানাহানি থেকে দূরে থাকতে। এতে করে আরো অশান্তি তৈরী হচ্ছে। সত্যি কথা বলতে , এখন আমাদের উচিত এমন আরো অশান্তি তৈরী না করে এই ব্যাপারটার একটা সঠিক ও সুস্থ সমাধান খুজার । কেননা এখন যে পরিস্থিতি চলছে সেখানে যদি ঘটনা আরো দূর অব্দি আগায় তাহলে আরো কত মায়ের বুক যে খালি হবে সেটা আল্লাহই ভালো জানেন।
সব শেষে শুধু একটা কথাই আমার মনে তা হচ্ছে , আমরা এখন আমাদের শান্তি নষ্ট করছি। আমি কারোর পক্ষ বিপক্ষ নিয়ে কথা বলছি না , কিন্তু এই কারণে আমাদের সাধারণ মানুষের যে অশান্তিতে ভুগছি সেটা খুব করুন। আমরা চাইনা এইসব কারণে অন্য কারোর তাজা প্রাণ ঝরে যাক। যাই হোক , আজকে এই পর্যন্তই। আশা করছি আপনাদের কাছে পোস্টি ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ এতক্ষন অব্দি আমার সাথে থাকার জন্য।
VOTE @bangla.witness as witness
OR

শিক্ষার্থীদের উপর যেভাবে হামলা চালানো হচ্ছে, এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা টোকাই পর্যন্ত ভাড়া করে নিয়ে যায় হামলা করার জন্য। এখন যদি কোনো সমাধানে না আসা যায়, তাহলে সামনের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। এই আন্দোলনে কতো মায়ের বুক যে খালি হবে, তার কোনো হিসাব নেই। দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কি হয়। যাইহোক পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
আস্তে আস্তে পরিস্থিতি আরো অনেক বেশি ভয়াবহ হয়ে যাচ্ছে। এই কয়েকদিনে অনেক মায়ের কোল খালি হয়েছে সন্তান হারিয়ে। তবে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালানো এটা কিন্তু একেবারেই মেনে নেওয়া সম্ভব না। জানিনা এটার সমাধান কখন হবে। তবে এসব কিছু আরো ভয়ংকর না হয়ে যেন নরমাল হয় এটাই চাই। আর কত মায়ের কোল খালি হবে এটা আমরা কেউই জানিনা। তবে এরকম কিছু যেন না হয় এটাই কামনা। আপনি অনেক সুন্দর করে লিখেছেন আপু।