এলোমেলো চিন্তা।
যথাযথ সম্মানের সাথে, স্থানীয় এমপি বরাবর
যা লিখছি তা ভীষণ উন্মুক্তভাবে—সহজ কথায়, জানা ও বলার অধিকার থেকে।
ভোটের পূর্বে আপনি মিছিল, মিটিং কিংবা সমাবেশে কোনো অবস্থাতেই মহিমাগঞ্জকে উপজেলা করার কথা বলেননি। বরং ইপিজেড বাস্তবায়ন, রংপুর সুগার মিল পুনরায় চালু করার কথা বারংবার বলেছেন এবং গোবিন্দগঞ্জের সার্বিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি প্রতিনিয়ত দিয়েছেন।
অতঃপর ভোট শেষ হলো, আপনি গোবিন্দগঞ্জের আপামর জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলেন।
নির্বাচিত এমপি আপনি গোবিন্দগঞ্জবাসীর ভোটে ঠিকই হলেন, তবে শুরুতেই আপনি গোবিন্দগঞ্জকে বিভক্ত করা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। পক্ষান্তরে যুক্তি দাঁড় করালেন—প্রয়াত প্রেসিডেন্ট শহীদ জিয়াউর রহমান নাকি মহিমাগঞ্জকে থানা বানানোর ইচ্ছে পোষণ করেছিলেন।
আচ্ছা, আপনার যুক্তি বুঝলাম।
তবে আমার ছোট মনে একটি প্রশ্ন উদয় হয়েছে—বিএনপি বিগত সময়ে যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন কি প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মহিমাগঞ্জকে উপজেলা বানানোর প্রয়োজনবোধ মনে করেননি কি? কেননা তিনি তো তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী ছিলেন!
আচ্ছা যাইহোক, মহিমাগঞ্জের প্রতি আপনার আলাদা দুর্বলতা থাকতেই পারে—সেটা নিয়ে আর না বলি।
তবে যা বলতে চাই, তা একদম সোজাসাপ্টা।
গোবিন্দগঞ্জের পরতে পরতে সমস্যা। কত রকম সমস্যায় যে গোবিন্দগঞ্জবাসী জর্জরিত, তা বলার বাইরে। হোক তা—বাড়ির বর্জ্য ফেলার সঠিক স্থানের অভাব থেকে শুরু করে খাদ্য, বাসস্থান, নিরাপত্তা, চিকিৎসা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান—এসব ঘাটতি তো লেগেই আছে।
পাশাপাশি মাদক, জুয়া, ক্যাসিনো, অবৈধ বালু উত্তোলন, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, চাঁদাবাজি—এমন নানাবিধ সমস্যা যে গোবিন্দগঞ্জে নেই, তা কিন্তু অস্বীকার করতে পারবেন না।
সর্বোপরি, জনগণের এমপি জনবান্ধব হোন।
বিঃদ্রঃ ভোটের পূর্বে দেওয়া কথাগুলো আগে বাস্তবায়ন করুন, তারপর না হয় গোবিন্দগঞ্জকে জেলা কিংবা মহিমাগঞ্জকে উপজেলা বানালেও—আমার পক্ষ থেকে আর কোনো প্রশ্ন থাকবে না।
ধন্যবাদ
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness

OR





